প্রচ্ছদ জীবন-যাপন *চীনে মুসলিম পুরুষরা আ’টক, তাদের স্ত্রীরা যৌ’নদাসী!*

*চীনে মুসলিম পুরুষরা আ’টক, তাদের স্ত্রীরা যৌ’নদাসী!*

150
*চীনে মুসলিম পুরুষরা আটক, তাদের স্ত্রীরা যৌনদাসী!*

*চীনে বসবাস করা মুসলিম সম্প্র’দায়ের নাম উ’ইঘুর। তারা চীনে বিভিন্নভাবে নি’পীড়নের শি’কার হচ্ছেন। এর আগে মুসলিম সম্প্র’দায়টির সাধারণ মানুষের শ’রীর থেকে বিভিন্ন গু’রুত্বপূর্ণ অঙ্গ’প্রত্যঙ্গ কে’টে নেওয়ার অভি’যোগ পাওয়া গিয়েছিল। আর এবার পাওয়া গেল আরো বড় এক অভি’যোগ। যুক্ত’রাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যম ডে’ইলি মে’ইলের এক প্রতি’বেদনে বলা হয়, চীনের সরকারি কর্মক’র্তাদের সঙ্গে উইঘুর সম্প্র’দায়ের বিবাহিত নারীদের যৌ’ন স’ম্পর্ক করতে বা’ধ্য করা হচ্ছে। একিদন নয়, প্রতিদিনই তাদের বা’ধ্য করা হচ্ছে সরকারি কর্মক’র্তাদের সঙ্গে যৌ’ন স’ম্পর্ক করতে।*

*প্রতি’বেদনে বলা হয়, চীনের জিন’জিয়াং প্র’দেশে উইঘুর সম্প্রদায়ের বিবাহিত নারীদের সরকারি কর্মকর্তাদের অফিসে যাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ করা হয়। তাদের বা’ধ্য করা হয় কর্মকর্তাদের রুমে যেতে। আর ওই নারীরা যখন সরকারি কর্মকর্তাদের রু’মে যান তখনই তাদের যৌ’ন স’ম্পর্ক স্থাপন করতে বাধ্য করা হয়। আর এই সময় তাদের স্বামীদের আ’টক রাখা হয় প্রদেশটির ডি’টেনশন ক্যা’ম্পে।*

*চীনে সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ওপর নি’পীড়ন ও নির্যা’তনের কারণে চীনা সরকারের তীব্র’ সমা’লোচনা হচ্ছে। চীন সরকারের বিরু’দ্ধে অভি’যোগ উঠেছে যে তারা বি’পুল সংখ্যক উইঘুর মুসলিমকে কতোগুলো ব’ন্দি শি’বিরের ভেতরে আ’টকে রেখেছে। গত অগাস্ট মাসে জাতিসংঘের একটি কমি’টি জানতে পেরেছে যে ১০ লাখের মতো উইঘুর মুসলিমকে পশ্চিমাঞ্চলীয় শি’নজিয়াং অঞ্চলে কয়েকটি শি’বিরে ব’ন্দি করে রা’খা হয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলো বলছে, এসব ক্যাম্পে তাদেরকে ‘নতুন করে শিক্ষা’ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বেইজিং সরকারের পক্ষ থেকে এসব অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে।*

*চীনের পশ্চিম অঞ্চলে অবস্থিত স্বর্ণ, তেল ও গ্যাসসম্পদে সমৃদ্ধ শিন’চিয়াং প্রদেশে মুসলিমরা সংখ্যাগরিষ্ঠ। তারা উইঘুর সুন্নি মুসলমান। তাঁরা চীনা নয়, তুর্কি ভাষাগোষ্ঠীর অন্তর্গত উইঘুর ভাষায় কথা বলেন। বিচ্ছি’ন্নতাবাদ ও ধর্মীয় জঙ্গি’বাদের হিংসা’ত্মক তৎপ’রতা রয়েছে এই প্রদেশে। উই’ঘুর জঙ্গি’দের প্রধান সংগঠন ই’স্ট তুর্কি’স্তান ইসলামিক মুভ’মেন্টকে (ইআ’ইটিএম) যুক্ত’রাষ্ট্র সন্ত্রা’সবাদী সংগঠন হিসেবে নি’ষিদ্ধ করেছে। একই সঙ্গে যুক্ত’রাষ্ট্র শিন’চিয়াংয়ের মানবাধিকার পরি’স্থিতি ও উইঘুরদের ওপর নিপী’ড়ন নিয়ে উচ্চ’কিত।*

*বিশ্বের মানবাধিকার সংস্থাগুলোর মতে, এসব শিবিরে বন্দিদের মান্দা’রিন ভাষা শিখতে বা’ধ্য করা হয়। কমিউ’নিস্ট পা’র্টির প্রশংসার কথা বলা এবং তাদের সঠিক আচরণ পরিচালনার নিয়মগুলো ক’ঠোরভাবে মনে রাখতে বা’ধ্য করা হয়। এ অভ্যা’সগুলোর অংশ হিসেবে চীন সরকার সাং’ঘর্ষিকভাবে জিনজি’য়াংয়ের উইঘুর সংস্কৃতি ও জাতিগত সত্তাকে মু’ছে ফে’লার চেষ্টা করছে। প্রা’প্তবয়স্কদের জন্য এই শিক্ষাশি’বিরের পাশাপাশি উইঘুর শিশুদের ক্যা’ম্প ও স্কুল রয়েছে, যেখানে তাদের পরিবার, ভাষা, ধর্ম ও সংস্কৃতি থেকে আ’লাদা করে ফে’লা হয়।*

*আর এসব নির্যাত’নের মধ্যে নতুন যোগ হলো উইঘুর মুসলিম সম্প্র’দায় নারীদের ওপর নি’র্যাতন। তাদের সবাইকে বা’ধ্য করা হয় প্রদেশটির সরকারি কর্ম’কর্তাদের রু’মে গিয়ে তাদের সঙ্গে যৌ’ন স’ম্পর্ক স্থাপন করেত। এর আগে তাদের গ’র্ভপাত ঘ’টাতে বা’ধ্য করেছে চীনা কর্তৃপক্ষ। এসময় কেউ ধর্ষ’ণের শি’কার হয়েছেন। আবার কেউ ‘যৌন হয়’রানির শি’কার হয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছে ন’গ্ন হয়ে গোসল করতে এবং গোপনা’ঙ্গে ম’রিচের গুঁ’ড়া ড’লে দেওয়ার মতো ঘ’টনা। স্থানীয় মানবাধিকার গ্রুপ ও আইনজীবীরা দাবি করেছেন, এগুলো সাধারণ ঘট’না। সরকার যে ব্যাপক নি’র্যাতন চালায় তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে মুসলমান নারীদের সন্তা’ন জন্ম’দান ক্ষম’তা ন’ষ্ট করে দেওয়া।*

*সরকারি কর্ম’কর্তাদের রু’মে গিয়ে তাদের সঙ্গে যৌ’ন সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি চীন। এর আগে তার জানায়, ‘জাতিগত বিচ্ছি’ন্নতাবাদী ও সন্ত্রা’সীদের অপরা’ধমূলক তৎপরতা’ মোকাবেলা করছে চীন। জেনেভায় ২০১৮ সালের অক্টোবরে জাতিসংঘের এক অধিবেশনে চীনা কর্ম’কর্তা বলছেন, ১০ লাখ উইগরকে ব’ন্দি শি’বিরে আ’টকের রাখার খবর ‘সম্পূর্ণ মি’থ্যা’। কিন্তু তারপরে চীনের একজন কর্মক’র্তা লিও শিয়াওজুন বলেন, চীন সেখানে কিছু প্রশি’ক্ষণ কে’ন্দ্র খুলেছে যেখানে লোকজনকে নানা ধরনের শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে।*