প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য *গাড়িচালকের ঢাকায় বাড়ি, গ্রামে কয়েকশ’ বিঘা জমি*

*গাড়িচালকের ঢাকায় বাড়ি, গ্রামে কয়েকশ’ বিঘা জমি*

175
*গাড়িচালকের ঢাকায় বাড়ি, গ্রামে কয়েকশ’ বিঘা জমি*

*স্বাস্থ্য খাতে দুর্নী’তির প্রতীক হয়ে ওঠা অ্যাকাউন্টস অফিসার আবজালের সম্পদের অনুসন্ধান করতে গিয়ে কেঁচো খুঁড়তে সা’প বেরিয়ে আসছে।*
*এতদিন যারা প্রভাব’শালীদের ম্যানেজ করে নিজেদের মুখোশ আড়াল করতে সক্ষম হয়েছিলেন এবার তাদের সব হারানোর দিন ঘনিয়ে আসছে।*
*আবদুল মালেক ওরফে মালেক ড্রাইভার। স্বাস্থ্য অধি’দফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের (পরিকল্পনা) গাড়ি চালান। কোটিপতি কর্মচারীর তালিকায় তার নামও আছে।*

*কুমিল্লার বাসিন্দা মালেক ঢাকায় বিত্তবান জীবনযাপন করেন। রাজধানীর কামারপাড়ায় তার ৭ তলা বাড়ি রয়েছে। এছাড়া তিনি গ্রামের বাড়িতে কয়েকশ’ বিঘা কৃষি জমি কিনে সেখানে গবাদি পশুর খামার গড়ে তুলেছেন।*
*নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বাস্থ্য অধি’দফতরের একজন কর্মকর্তা বলেন, মালেক ড্রাইভার স্বাস্থ্য অধি’দফতরের সাবেক মহাপরিচালক শাহ মনিরের আমলে বিপুল ক্ষমতাধর ছিলেন। কারণ শাহ মনির তার পরামর্শের বাইরে কিছুই করতেন না। গাড়ি চালককে দিয়ে ঘু’ষের টাকা আদায় করতেন শাহ মনির। অবশ্য চালা’কি করেও তার শেষ রক্ষা হয়নি। একটি প্রকল্পে অ্যাম্বু’লেন্স কেনায় দুর্নী’তি করে ধরা খেলে তার বিরু’দ্ধে বিভাগীয় মাম’লা হয়।*

*এক পর্যায়ে পেনশন ছাড়াই সরকারি চাকরি থেকে বিদায় নিতে হয় তাকে। এছাড়া ২০১০ সালে শাহ মনির স্বাস্থ্য অধিদফ’তরের মহাপরিচালক থাকার সময় প্রায় আড়াই হাজার স্বাস্থ্য সহকারী নিয়োগ দেয়া হয়। এ নিয়োগে মোটা অংকের ঘু’ষ বাণিজ্যের অভি’যোগ ওঠে। সাবেক মহাপরিচালক শাহ মনিরের সঙ্গে সখ্যের সুবাদে মালেক ড্রাইভার ওরফে হাজী আবদুল মালেক বিপুল অংকের অবৈ’ধ অর্থ উপার্জনের সুযোগ পান।*
*স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কবির চৌধুরী। কোটিপতি দুর্নী’তিবাজ কর্মচারী হিসেবে তার নাম আছে প্রথম সারিতে। স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের প্রধান কার্যালয়ে কবির চৌধুরী চাকরি করছেন ২১ বছরেরও বেশি সময় ধরে।*

*প্রভাবশালী মহলের আশীর্বাদপুষ্ট এ কর্মচারী একবারের জন্যও অন্যত্র বদলি হননি। কবির চৌধুরীসহ স্বাস্থ্য অধিদফ’তরের শতাধিক কর্মকর্তা-কর্মচারীর অঢেল বিত্তবৈভবের সন্ধান মিলেছে। দুর্নী’তির মাধ্যমে অর্জিত এসব সম্পদের অনুস’ন্ধানে শিগগিরই নামছে একটি বিশেষ সংস্থা।*
*সূত্র বলছে, অক্টোবরে স্বাস্থ্য সহকারী থেকে এমটি’পিআই (মেডি’কেল টেকনোল’জিস্ট) পদে পদোন্নতি দেয়া হয়। প্রার্থীদের প্রতিজনের কাছে ২ থেকে আড়াই লাখ টাকা পর্যন্ত ঘুষ বাণিজ্য হয়। এছাড়া স্যা’নেটারি ইন্সপে’ক্টর পদে আড়াই হাজারজনকে পদোন্নতি দেয়ার সময়ও ব্যাপক ঘু’ষ বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে।*

*এ সিন্ডি’কেটের সঙ্গে জড়িত ছিলেন সাবেক পরিচালক এবিএম মাজহারুল ইসলাম, প্রধান সহকারী জাহাঙ্গীর হোসেন হাওলাদার ও কবির চৌধুরী। এছাড়া স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন কাজের তদবির করেও কোটি কোটি টাকা আয় করে কবির চৌধুরী ও তার সিন্ডিকেট।*
*দুদকের জালে ধরা পড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের অ্যা’কাউন্টস অফিসার আবজালের খালাতো ভাই খায়রুলের সম্পদের পরিমাণ নিয়ে অধিদফতরে নানা কানাঘুষা আছে।*

*কেউ কেউ বলেন, নামে-বেনামে খায়রুলের ঢাকায় অন্তত ৬টি বাড়ি আছে। এছাড়া তার নামে-বেনামে একাধিক ব্যাংকে মোটা অংকের স্থায়ী আমানত (এফ’ডিআর) ও সঞ্চয়পত্রে বিপুল পরিমাণ অর্থ লগ্নি করা আছে।*
*খায়রুল মূলত বিভিন্ন টে’ন্ডার ও প্রকি’উরমেন্ট প্রক্রিয়ায় তদবিরের সঙ্গে জড়িত। তিনি বড় বড় ঠিকা’দারি প্রতিষ্ঠান ও সরবরাহ কোম্পা’নিকে কাজ পাইয়ে দেয়ার জন্য কমিশন বাণিজ্য করেন। বর্তমানে মেডিকেল এডু’কেশন শাখায় ক্যাশি’য়ার প’দে কর্মরত খায়রুলের নাম উঠেছে কোটিপতি কর্মচারীর তালি’কায়।*

*স্বাস্থ্য অধিদফতরের এনসিডিসি বিভাগের অফিস সহকারী ইকবাল হোসেনও কম যান না। তার নামেও রাজধানীতে কয়েকটি ফ্ল্যা’ট ও বিলাসবহুল গাড়ির ত’থ্য পাওয়া গেছে। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইকবাল প্রথমে স্বাস্থ্য অধিদফ’তরের একটি প্রকল্পে নৈশপ্রহরী (নাই’টগার্ড) হিসেবে চাকরি পান। পরে প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে অফিস সহকারী পদে স্থানান্তর হন তিনি। এরপর ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফতরে যোগ দেয়ার পর বিপুল অংকের অর্থবিত্ত যেন স্বেচ্ছায় তার হাতে ধরা দেয়।*

*সূত্র বলছে, স্বাস্থ্য অধিদ’ফতর কর্তৃক বিভিন্ন সচেতনতামূলক স্বাস্থ্য বার্তা প্রচারেও সরকারি অর্থের হ’রিলুটের অভিযোগ পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্য বার্তা প্রচার সংবলিত একেকটি বিলবোর্ডে সরকারের সর্বনিু খরচ ৩ লাখ টাকা। প্রতি উপজেলায় অন্তত ৩ থেকে ৫টি বিলবোর্ড লাগায় স্বাস্থ্য অধিদফতর। এ বিলবোর্ড স্থাপনে ঘু’ষ বাণিজ্য করেন অধি’দফতরের ইউ’এইচ অ্যান্ড এফ’পিও কর্মকর্তারা।*

*সূত্র জানায়, অধি’দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কমিশন বাণিজ্যের কারণে নিম্নমানের বিলবোর্ড লাগিয়ে দায় সারেন সংশ্লিষ্ট ঠি’কাদার। পিভি’সি পেপার প্রিন্ট করে কোনোমতে একটি বিলবোর্ড লাগিয়ে বিল তুলে নেয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।*
*নিম্নমানের হওয়ায় বছর না ঘুরতেই বিলবোর্ড ন’ষ্ট হয়ে যায়। তখন নতুন করে বিল’বোর্ড লাগানোর জন্য ফের টেন্ডার আহ্বানের প্রয়োজন পড়ে। এ প্রক্রিয়ায় সরকারের লোকসান হলেও দুর্নীতিবাজদের পকেট ভারি হতেই থাকে।*

*স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের পরিচালক প্রশাসনের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (অফিস সহকারী) আবু সোহেলকে শুধু কোটিপতি বললে ভুল হবে। তিনি অঢেল সম্পদের মালিক। অথচ তিনি বরিশাল সদর হাসপাতালে নিরাপত্তা প্রহরী (সিকিউ’রিটি গার্ড) হিসেবে সরকারি চাকরিতে যোগ দেন। এরপর নানা কৌশলে ঢাকায় স্বাস্থ্য অধিদফ’তরের প্রধান কার্যালয়ে বদলি হয়ে আসেন। ঢাকায় আসার পর তিনি পদোন্নতিও বাগিয়ে নেন।*
*সিকি’উরিডি গা’র্ড থেকে বনে যান প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও)। এরপর তাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। স্বাস্থ্য খাতে বিপুল প্রভাব-প্রতিপত্তি ও ক্ষমতার দাপটের কারণে নানা কাজে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা চিকিৎসকরাও আবু সোহেলকে স্যার বলে ডাকতে বাধ্য হন।*

*সোহেলের এ প্রভাবের অন্যতম কারণ তিনি অন্তত ১৫ বছর ধরে স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের একই জায়গায় চাকরি করছেন। তার গ্রামের বাড়ি ঝালকাঠি হওয়ায় বরিশাল বিভাগে কর্মরত ডাক্তার থেকে শুরু করে ৪র্থ শ্রেণির কর্মচারী পর্যন্ত সব স্তরে বদলি, পদোন্নতির তদবির করেন তিনি। একাধিক নিকটাত্মীয়কেও তিনি স্বাস্থ্য অধিদফ’তরে চাকরি দেন।*
*অধিদ’ফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বলছেন, পার শাখার অফিস সহকারী মাসুদ করিমের মোবাইল ফোনে একটার পর একটা রিং বাজতেই থাকে। সারাক্ষণ তিনি মোবাইল ফোনে ব্যস্ত। কারণ একটাই।*

*তিনি চিকিৎসকদের বদলি সংক্রান্ত কাজ করেন কমিশনের বিনিময়ে। চাকরির শুরু থেকেই তিনি স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরে দায়িত্ব পালন করছেন। গত ১৫ বছরের মধ্যে একবারও তার অন্যত্র কোথাও বদলির আদেশ হয়নি।*
*দুর্নী’তিবাজ কর্মচারী হিসেবে বিশেষ সংস্থার সন্দেহের তালি’কায় আছেন অধিদফ’তরের এইড’স প্রোগ্রা’মের প্রশাসনিক কর্মকর্তা জালাল উদ্দিন। তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির একাধিক লিখিত অভি’যোগ পাওয়া যায়। কোটিপতির খাতায় তিনি নাম লিখিয়েছেন বেশ কয়েক বছর আগেই।*
*স্বাস্থ্য অধিদফ’তরের বিভিন্ন টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে জালাল উদ্দিন সিদ্ধহস্ত। তিনি প্রথমে স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের একটি প্রকল্পে চাকরি পান। প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে তিনি আদালতে রিট করে রাজস্ব খাতে অন্তর্ভুক্ত হন।*

*প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত এ কর্মচারী অফিসে যাতায়াতসহ ব্যক্তিগত কাজেও একটি সরকারি পাজেরো গাড়ি সার্বক্ষণিক ব্যবহার করছেন। অথচ পদমর্যাদা অনুযায়ী কোনোমতেই গাড়ি প্রাধিকার পাওয়ার সুযোগ তার নেই।*
*সূত্র জানায়, রাজশাহী সিভি’ল সার্জ’ন অফিসের প্রধান সহকারী আনোয়ার হোসেন অনেক আগেই কোটিপতির খাতায় নাম লেখান। রাজশাহী শহরে তিনি ৬ তলা সুরম্য আবাসিক ভবন গড়েছেন। একাধিক ব্যক্তিগত গাড়ি আছে তার। ঢাকা এবং রাজশাহীতে একাধিক ফ্ল্যাটও কিনেছেন।*
*শুধু আনোয়ার একা নন রাজশাহী বিভাগীয় স্বাস্থ্য পরিচালকের কার্যালয়ের অফিস সহকারী নাজমা, দিদার রসুল ও স্টেনোগ্রা’ফার আবু সায়েমের নামেও বিশেষ অনুসন্ধান শুরু হয়েছে।*

*সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরের কমি’উনিটি বে’জড হে’লথ কে’য়ার প্রক’ল্পের ক্যা’শিয়ার মোক্তার হোসেনের অঢেল অর্থ-বিত্তের তথ্য পাওয়া গেছে। পাবনা এলাকায় তিনি একটি পরিবহন কোম্পানি পরিচালনা করেন। নামে-বেনামে ওই পরিবহন কোম্পা’নিতে অন্তত ৫০টি ট্রাক রয়েছে।*
*এছাড়া স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিকল্পনা শাখার স্টেনো টাইপিস্ট সুনীল বাবুও কোটিপতি কর্মচারীর হিসেবে বিশেষ সংস্থার নজ’রদারিতে আছেন।*
*সূত্র বলছে, বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গোয়েন্দা অনুসন্ধানের আওতায় আছেন বেসরকারি হাসপাতাল শাখার সাবেক কর্মচারী কামরুল ইসলাম ও ইপিআই শাখার কর্মচারী তোফায়েল আহমেদ। দু’জনেই স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরে ব্যাপক প্রভা’বশালী হিসেবে পরিচিত।*

*কিছুদিন আগে কামরুলকে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডব্লিউএ’ইও শাখায় বদলি করা হয়। কিন্তু সেখানে বেশিদিন থাকতে হয়নি তাকে। অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তিনি ফের হাসপাতাল শাখায় সদর্পে ফিরে আসেন।*
*এছাড়া অনুস’ন্ধান শুরু হয়েছে ইপিআই শাখার অ্যাকা’উন্টস অফিসার মুজিবুল হক মুন্সী ও ইপিআই স্টোরের সাবেক ম্যানেজার হেলাল তরফদারের বি’রুদ্ধে। এদের মধ্যে হেলাল তরফদারের বিরু’দ্ধে কয়েক কোটি টাকার অডিট আপত্তি থাকলেও কিছুদিন পরই তা হাওয়ায় মিলিয়ে যায়।*

*স্বাস্থ্য অধিদ’ফতরে অ্যা’কাউন্টস অফিসার আবজাল হোসেন দুদকের জালে ধরা পড়ার পর আত’ঙ্কে আছেন তার দুই ঘনিষ্ঠ সহযোগী কাফি ও দেলোয়ার। এদের মধ্যে কাফি বর্তমানে মুগদা জেনারেল হাসপাতালে প্রশাসনিক কর্মকর্তা (এও) পদে কর্মরত আর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে আছেন দেলোয়ার হোসেন। এ তিন দুর্নী’তিবাজ কর্মচারী স্বাস্থ্য অধি’দফতরে ‘ত্রিরত্ন’ নামে পরিচিত।*
*এ তিনজন ছাড়াও বিশেষ সংস্থার অনুসন্ধান তালিকায় আছেন কমিউনিটি ক্লিনিক বিভাগের কর্মচারী আনোয়ার হোসেন ওরফে কোটিপতি আনোয়ার ও এনসি’ডি শাখার অফিস সহকারী ইকবাল হোসেন। এছাড়া মিঠু ও টোটন নামের দুই প্রভাবশালী ঠি’কাদারের অর্থ-সম্পদের খোঁ’জে অনুস’ন্ধান শুরু হয়েছে।*

*বিশেষ সংস্থার অনুস’ন্ধান তালি’কায় আরও যাদের নাম রয়েছে তারা হলেন- স্বাস্থ্য অধিদফতরের সহকারী প্রোগ্রামার রুহুল আমীন, প্রশাসনিক কর্মকর্তা সাজ্জাদ মুন্সী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা হুমায়ুন চৌধুরী, ব্যক্তিগত কর্মকর্তা শাহজাহান ফকির, উচ্চমান সহকারী শাহনেওয়াজ, ক্যাশিয়ার মজিবুর রহমান, অফিস সহকারী হারুনুর রশিদ, অফিস সহকারী হানিফ, অফিস সহকারী আলাউদ্দিন, সহকারী আনোয়ার হোসেন, গাড়িচালক শাহজাহান, প্রধান সহকারী ফজলুল হক, হিসাবরক্ষক ইমদাদুল হক, হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা আমিনুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মাহমুদুজ্জামান,*

*হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা নাজমুল হক সিদ্দিকী, স্টোর কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, সিনিয়র স্টোরকিপার রফিকুল ইসলাম, হিসাবরক্ষণ টিটু, ল্যাব সহকারী আবদুল হালিম, ল্যাব সহকারী সুব্রত কুমার দাস, প্রধান সহকারী আশিক নেওয়াজ, স্টোরকিপার সাফায়েত হোসেন ফয়েজ, ভারপ্রাপ্ত প্রশাসনিক কর্মকর্তা ওবায়দুল, সচিব সাইফুল ইসলাম, সচিব জালাল মোল্লা, হিসাবরক্ষক মারুফ হোসেন, হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেন, স্টোরকিপার নাজিম উদ্দিন, সহকারী প্রধান (পরিসংখ্যানবিদ) মীর রায়হান আলী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ফারুক হাসান, প্রধান সহকারী আশরাফুল ইসলাম, প্রধান সহকারী সাজেদুল করিম, উচ্চমান সহকারী তৈয়বুর রহমান, উচ্চমান সহকারী সাইফুল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী ফয়জুর রহমান,*

*প্রধান সহকারী মাহফুজুল হক, স্টেনো টাইপিস্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর আজমল খান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান, প্রধান সহকারী আবদুল কুদ্দুস, প্রধান সহকারী নূরুল হক, প্রশাসনিক কর্মকর্তা গউছ আহমেদ চৌধুরী, উচ্চমান সহকারী আমান আহমেদ, অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার অপারেটর নেছার আহমেদ চৌধুরী, ব্যক্তিগত সহকারী ফরিদ হোসেন, অফিস সহকারী মাসুম, প্রধান সহকারী আনোয়ার হোসেন, প্রধান সহকারী রাহাত খান, উচ্চমান সহকারী জুয়েল, উচ্চমান সহকারী আজিজুর রহমান, স্টেনোগ্রাফার সাইফুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহঙ্গীর আলম, প্রধান সহকারী হেলাল উদ্দিন ও মাসুদ খান।*