প্রচ্ছদ জীবন-যাপন *মেরিনা বে ক্যাসিনোর সদস্য হন সম্রাট ১০ লাখ ডলার খরচ করে*

*মেরিনা বে ক্যাসিনোর সদস্য হন সম্রাট ১০ লাখ ডলার খরচ করে*

101
*মেরিনা বে ক্যাসিনোর সদস্য হন সম্রাট ১০ লাখ ডলার খরচ করে*

*সিঙ্গাপুরের ক্যাসি’নোতে বাংলাদেশিদের বিশেষ সম্মান দেওয়া হয়। ওই দেশের লোকদের এন্ট্রি ফি দিয়ে প্রবেশ করতে হলেও বাংলাদেশিদের তা লাগে না। সহজেই ক্যাসিনোর সদস্য হতে পারেন বাংলাদেশিরা। এসব ক্যাসি’নোতে জুয়া খেলে সিঙ্গাপুরে নাম কামিয়েছেন সম্রাট। তাঁর জন্য বরাদ্দ ছিল সিঙ্গাপুরের ঐতিহ্যবাহী মেরিনা বে এলাকার একটি হোটেলের পুরো একটি তলা, যেখানে এক বান্ধবীকে নিয়ে থাকতেন সম্রাট। এসব তথ্য দেন সিঙ্গাপুরের প্রবাসী বাংলাদেশিরা।*

*ক্যাসি’নোবিরোধী অভিযানের আগে গ্রেপ্তার সম্রাট ও সেলিম প্রধানকে সিঙ্গাপুরের সিটি স্কয়ার মলে আড্ডা দিতে দেখা যেত। সেখানে তাঁদের সঙ্গে দেখা যেত ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাইদকেও। সম্রাট ও সেলিম গ্রেপ্তার হওয়ার পর সাইদকে আর সিঙ্গাপুরে দেখা যাচ্ছে না।*

*মেরিনা বে ক্যাসি’নোটি অত্যন্ত চাকচিক্যপূর্ণ। রয়েছে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা। ক্যাসিনো বোর্ডের প্রতিটি টেবিলে রোবট ঘুরে ঘুরে জুয়াড়িদের চা, কফি ও জুস পরিবেশন করে। বিদেশিদের জন্য ক্যা’সিনোটি সংরক্ষিত। সম্রাট ছিলেন এই ক্যাসি’নোর পাইজা মেম্বার। জানা যায়, এই সদস্য পদ পেতে ১০ লাখ ডলার খরচ করেন সম্রাট।*

*সিঙ্গাপুরে সম্রাটের জু’য়া খেলার বিষয়ে খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, সম্রাট সিঙ্গাপুরের ক্যাসি’নোতে জু’য়া খেলার জন্য বিশেষ সম্মান পেতেন। সিঙ্গাপুরে ৫৭ তলা মেরিনা বে সেন্ট (এমবিএস) হোটেলের নবম তলা বরাদ্দ ছিল সম্রাটের জন্য। প্রায়ই তিনি সিঙ্গাপুরে গিয়ে সেখানে বান্ধবীকে নিয়ে থাকতেন। এমবিএস হোটেলটি এমনভাবে নির্মাণ করা, যেটির ওপরের দিক দেখতে জাহাজের মতো। এ কারণে বাংলাদেশিদের কাছে সেটি জাহাজ ভবন নামে পরিচিত। আর এই ভবনের উল্টো পাশের ছয়তলা মেরিনা বে ক্যা’সিনোতে কোটি কোটি টাকার জু’য়া খেলতেন সম্রাট। এই ভবনের তিনতলায় ছিল সম্রাটের বিশ্রাম কক্ষ।*

*মেরিনা বে ক্যা’সিনোতে গেছেন এমন লোকের কাছ থেকে জানা গেছে, মেরিনা বে এলাকায় ছয়তলা ভবনের নিচতলা থেকে তৃতীয় তলা পর্যন্ত ক্যা’সিনো রয়েছে। সেখানে রয়েছে শতাধিক ক্যাসি’নো খেলার বোর্ড। ভিআইপি জু’য়াড়িরা দ্বিতীয় তলার ক্যাসি’নোতে খেলেন। সম্রাটের বসদেরও ওই তলায় খেলতে দেখেছেন বলে টেলিফোনে জানিয়েছেন সিঙ্গাপুরে অবস্থান করা রাজশাহীর আকরাম হোসেন।*

*এদিকে, দেশে দু’র্নীতিবিরোধী অভি’যান শুরুর পর গ্রেপ্তার এড়াতে সরকারি দলের কোনো কোনো নেতা আত্মগোপন করেছেন সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে। দেশ থেকে প্রথমে তাঁরা সিঙ্গাপুরে যান। পরে সেখান থেকে থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়ায় পাড়ি জমাচ্ছেন। এই নেতারা সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডে কী পরিমাণ সম্পদ গড়েছেন সে তথ্য অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। একটি সূত্রের দাবি, কয়েকজন গোয়েন্দা কর্মকর্তা বর্তমানে সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন।*