প্রচ্ছদ আইন-আদালত *ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার এবার ত’দন্ত জা’লে*

*ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার এবার ত’দন্ত জা’লে*

894
*এবার তদন্ত জালে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদার*

*ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি লিয়াকত শিকদারের ব্যাপারে তদন্ত শুরু করেছে আইনপ্রইয়োগকারী সংস্থা। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ছাত্রলীগের সি’ন্ডিকেট বাণিজ্যের অন্যতম হো’তা লিয়াকত শিকদার। ছাত্রলীগের গত কয়েকটি কমিটি গঠনের নেপথ্যে কলকাঠি নেড়েছেন এই সাবেক ছাত্রনেতা। দলীয় কোনো বড় পদে না থাকলেও ছাত্রলীগ নিয়’ন্ত্রণ করতেন লিয়াকত শিকদার।*
*দায়িত্বশীল কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রলীগে যে বিপুল পরিমাণ অনুপ্র’বেশকারী ঢুকে’ছে এবং ছাত্রলীগে শিবির এবং বিএনপির আধিপ’ত্য তৈরি হয়েছে, এটা মূলত লিয়াকত শিকদারের সিন্ডি’কেটের কারণেই হয়েছে।*

*প্রাথমিক অভিযোগে বলা হচ্ছে যে, লিয়াকত শিকদার কেন্দ্রীয় কমিটিতে তার নিজস্ব লোকজন ঢোকা’তেন। এর বিনিময়ে তিনি আর্থিকভাবে লাভবান হতেন। তার সবুজ সংকেত ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ে কোনো কমিটি হতো না। লিয়াকতের সরাসরি নির্দেশেই বিভিন্ন স্থানে কমিটি হতো। অবশ্য শুদ্ধি অভি’যানের পর থেকেই লিয়াকত শিকদারকে দলীয় কোনো কর্মসূচিতে দেখা যাচ্ছে না। তিনি দেশে আছেন নাকি বিদেশে চলে গেছেন সে সম্পর্কেও কোনো সঠিক তথ্য নেই। তবে আইনপ্র’য়োগকারী সং’স্থা জানাচ্ছে, তদ’ন্তের শেষে তার বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।*

*এনামুল-রূপনের ২১ কোটি টাকার অবৈ’ধ সম্পদ*
*ক্যাসি’নোকাণ্ডে গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি এনামুল হক এবং তার ভাই গেন্ডারিয়া থানা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রূপন ভূঁইয়ার ২১ কোটি ৮৯ লাখ টাকার অবৈ’ধ সম্পদের খোঁ’জ পেয়েছে দুর্নী’তি দম’ন কমি’শন-দু’দক। অবৈ’ধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে এই দু’জনের বিরু’দ্ধে পৃথক পৃথক মামলা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদ’ক। বুধবার ঢাকা সমন্বিত জেলা কার্যালয়-১ এ মামলা দু’টি দায়ের করা হবে বলে দুদ’কের পক্ষ থেকে জানানো হয়।*

*এছাড়া, এনামুল হক ও রূপন ভূঁইয়াকে অ’বৈধ ব্যবসা ও সম্পদ অর্জনে সহযোগিতা করেছেন ঢাকা ওয়া’ন্ডারার্স ক্লা’বের কর্মচারী আবুল কালাম এবং হারুন অর রশিদ। তাই এ দু’জনকেও মাম’লায় আসামি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুদক।*
*উল্লেখ্য, ক্যাসিনো’কাণ্ডে জড়িতদের বি’রুদ্ধে অভি’যান শুরুর পর গেল ২৪শে সেপ্টেম্বর এনামুল ও রূপন ভূঁইয়ার বাড়িতে অভি’যান চালায় র‌্যা’ব। এরপর, অভিযান চালানো হয় হারুন অর রশিদের বাসায়। অভি’যানে পাঁচ কোটি টাকা, চার কোটি টাকার স্বর্ণালংকার এবং ৬টি আগ্নে’য়াস্ত্র জ’ব্দ করে র‌্যাব।*
*কিন্তু, অভি’যান চালানোর এক মাস অতিবাহিত হলেও তাদের কাউকেই গ্রেফতার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা’কারী বাহিনীর সদস্যরা।*