প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় *ঢাকার এক ড’জন ওয়া’র্ড কাউন্সি’লর যেভাবে জি’রো থেকে হি’রো*

*ঢাকার এক ড’জন ওয়া’র্ড কাউন্সি’লর যেভাবে জি’রো থেকে হি’রো*

281
*ঢাকার এক ডজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর যেভাবে জিরো থেকে হিরো*

*মা’দক আর চাঁ’দাবাজির টাকায় ভাগ্য ফিরিয়েছেন রাজধানী ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের এক ড’জন ওয়া’র্ড কা’উন্সিলর।* *যাদের বেশিরভাগই আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নে’তা-কর্মী।* *কাউন্সিলর আর দলীয় পদ-পদবী ব্যবহার করে তাদের বেশিরভাগই হয়েছেন জিরো থেকে হিরো।* *প্রধানমন্ত্রীর নি’র্দেশে শু’দ্ধি অভি’যান শুরুর পর থেকে এসব অভিযুক্ত জন-প্রতিনিধিদের আর খোঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।* *বাসায় গেলে জানান হয় কাউন্সিলরের কার্যালয় আছেন, আর কার্যালয়ে গেলে বলা হয় বাসায় রেস্টে আছেন।*

*সন্ত্রা’সী কর্ম’কাণ্ড এবং মাদ’ক ব্যবসায় ভাগ্য ফেরানোর অভিযোগ উঠেছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ১২ কাউন্সিলরের বিরু’দ্ধে।* *তারা হচ্ছেন দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি)- আনিসুর রহমান আনিস (ওয়ার্ড-২), মমিনুল হক সাঈদ (ওয়ার্ড-৯), আবদুল বাসিত খান বাচ্চু (ওয়ার্ড-৭), মোস্তফা জামান পপি (ওয়ার্ড-১৩), ফরিদ উদ্দিন রতন (ওয়ার্ড-২০), তরিকুল ইসলাম সজীব (ওয়ার্ড-২২) ও ময়নুল হক মঞ্জু (ওয়ার্ড-৩৯)।*

*উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) অভিযুক্তরা হচ্ছেন- কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক (ওয়ার্ড-৩), রজ্জব হোসেন (ওয়ার্ড-৬), মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী (ওয়ার্ড-৭), ফরিদুর রহমান খান ইরান (ওয়ার্ড-২৭) ও তারেকুজ্জামান রাজিব (ওয়ার্ড-৩৩)।*
*এসব কাউন্সিলরদের মধ্যে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন দক্ষিণের ৯ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মমিনুল হক সাঈদ। অন্যরা হয় গ্রামে নয়তো কোনও আত্মীয়-স্বজনের বাড়িতে গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন।* *কেউ কেউ অসুস্থতার ভান করে হাসপাতালেও ভর্তি রয়েছেন।*

*অভি’যোগ রয়েছে, নির্বাচিত হওয়ার পর তারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে এলাকার বিভিন্ন ক্লা’ব, সামাজিক সংগঠন, মার্কেট ও ফুটপাত নিয়’ন্ত্রণে নেন। গা ভাসিয়ে দেন মা’দক ব্যবসায়।* *পাশাপাশি বিদেশেও তাদের কেউ কেউ করছেন ক্যা’সিনো ব্যবসা।* *বিদেশি ব্যাংকেও তাদের রয়েছে কাড়ি কাড়ি টাকা।*
*সরকারের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার তা’লিকায় উঠে এসেছে এসব বিতর্কিত কাউন্সিলরের নাম ও আমলনামা।*
*জনপ্রতিনিধি হিসেবে তাদের সাধারণ মানুষের সেবায় নিয়োজিত থাকার কথা থাকলেও হচ্ছে তার উল্টোটা।* *ব্যস্ততার অজুহাতে তারা থাকছেন সাধারণ মানুষের ধরা-ছোঁয়ার বাইরে।* *ইচ্ছে থাকলেও কেউ এসবের প্রতি’বাদ করা তো দূরের কথা টু’শব্দটিও করার সাহস পান না কেউ।*

*এসব কাউন্সিলররা সিটি করপোরেশনের নিয়মিত বোর্ড সভায়ও অনুপস্থিত থাকেন।* *কারও কারও বি’রুদ্ধে সরকারের অনুমতি ছাড়া একাধিকবার বিদেশ ভ্রমণেরও অভিযোগ রয়েছে।*
*মতিঝিলের ক্লা’বপাড়ায় অনুসন্ধানে জানা যায়, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের ৪ কাউন্সিলর সরাসরি ক্যাসিনো ও জুয়ার সাথে জড়িত।* *তারা হচ্ছেন- মমিনুল হক সাঈদ (ওয়ার্ড-৯), মোস্তফা জামান পপি (ওয়ার্ড-১৩), ফরিদ উদ্দিন রতন (ওয়ার্ড-২০) ও আনিসুর রহমান আনিস (ওয়ার্ড-২)।* *তারা সবাই যুবলীগ দক্ষিণের বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল চৌধুরী ওরফে সম্রাটের সকল অপকর্মের সঙ্গী।*

*মা’দক ও চাঁ’দাবাজিসহ নানা অপ’রাধে যু’ক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে ৮ জন কাউন্সিলরের বিরুদ্ধে।* *তারা হচ্ছেন দক্ষিণের আবদুল বাসিত খান বাচ্চু (ওয়ার্ড-৭), তরিকুল ইসলাম সজীব (ওয়ার্ড-২২), ময়নুল হক মঞ্জু (ওয়ার্ড-৩৯) এবং উত্তরের কাজী জহিরুল ইসলাম মানিক (ওয়ার্ড-৩), রজ্জব হোসেন (ওয়ার্ড-৬), মোবাশ্বের হোসেন চৌধুরী (ওয়ার্ড-৭), ফরিদুর রহমান খান ইরান (ওয়ার্ড-২৭) ও তারেকুজ্জামান রাজিব (ওয়ার্ড-৩৩)।*