প্রচ্ছদ জীবন-যাপন *মদ পান করতেন না সম্রাট, অফিসে মদ এলো কোত্থেকে?*

*মদ পান করতেন না সম্রাট, অফিসে মদ এলো কোত্থেকে?*

229
*মদ পান করতেন না সম্রাট, অফিসে মদ এলো কোত্থেকে?*

*কাকরাইলের ভূঁইয়া ম্যানশনে সম্রাটের অফিসে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার অভিযান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যুবলীগের কিছু মাঠকর্মী। তারা বলছেন যে, সম্রাট নিজে মদ খেতেন না। তাহলে তার অফিস থেকে যে মদগুলো বের করা হয়েছে, সেগুলো এলো কোত্থেকে?*
*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে যে, সম্রাটের হার্টে একবার রিঙ পরানো হয়। আরেকবার তার ওপেন হার্ট সার্জারি হয়। হার্টের চিকিৎসার জন্য সম্রাট নিয়মিত সিঙ্গাপুর জেতেন, যেখানে তার মূল সাম্রাজ্য। সিঙ্গাপুরে তার বিওউল পরিমাণ অর্থসম্পদ এবং ব্যবসা রয়েছে বলেও গোয়েন্দা সংস্থা নিশ্চিত হয়েছে। হার্টের অপারেশনের পর থেকে সম্রাটের জন্য মদ্যপান, ধূমপান নিষিদ্ধ ছিল। তিনি বরাবরই এটা মেনে চলতেন।*

*সম্রাটের একনিষ্ঠ অনুসারীরা বলছে যে, সম্রাট মদ, সিগারেট ইত্যাদি খেত না। তার একমাত্র নেশা ছিল জুয়া। অন্য কোনো খারাপ অভ্যাস তার ছিল না। সম্রাটের দ্বিতীয় স্ত্রী শারমিন চৌধুরীও একই কথা বলেছেন।*
*ভূঁইয়া ম্যানশনে অভিযানের পর সম্রাটের ঘনিষ্ঠ একাধিক যুবলীগ কর্মী জানিয়েছেন যে, সম্রাটের অফিসে মদ থাকার প্রশ্নই ওঠে না। কারণ তিনি একেবারেই মদ খেতেন না। তাহলে এই মদগুলো এলো কোত্থেকে সে প্রশ্ন উঠছেই।*
*সংশ্লিষ্ট সূত্র বলছে, সম্রাট নিজে মদ্যপান না করলেও বিভিন্ন প্রভাবশালী ব্যক্তিদেরকে তিনি মদসহ নানারকম অবৈধ জিনিসপত্র উপঢৌকন হিসেবে পাঠাতেন। এই উপঢৌকনের মদই হয়তো ভূঁইয়া ম্যানশনে সম্রাটের অফিসে পাওয়া গেছে।*

*সম্রাট নির্দোষ, তাকে ফাঁসানো হয়েছে: সম্রাটের বোন*
*ঢাকা মহানগর দক্ষিণ যুবলীগের সদ্য বহিষ্কৃত সভাপতি ইসমাইল হোসেন ওরফে সম্রাটের বোন ফারহানা চৌধুরী রোববার (৬ অক্টোবর) কর্তৃপক্ষের কাছে তার ‘নির্দোষ’ ভাইয়ের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন।*
*রাতে পরশুরামের পূর্বসাহেবনগরের বাড়িতে ইউএনবির সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, সম্রাট অসুস্থ ও হার্টের রোগি। তার ওপেনহার্ট সার্জারি হয়েছে। সম্রাটের মুক্তির জন্য প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।*

*‘জুয়া খেলা সম্রাটের নেশা’ সম্রাটের স্ত্রী শারমিন চৌধুরীর গণমাধ্যমে দেয়া বক্তব্যকে মিথ্যাচার বলেও তিনি দাবি করেন।*
*ফারহানা বলেন, শারমিন চৌধুরী একজন লোভী নারী। সে সব সময় টাকার জন্য আমার ভাইকে যন্ত্রণা দিত। এ জন্য সম্রাট তার সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে রেখেছিল। তিনি আরও বলেন, আমার ভাই নির্দোষ, তাকে ফাঁসানো হয়েছে।*
*রোববার (৬ অক্টোবর) বিকালে সম্রাটকে নিয়ে পরশুরামে তার বাড়িতে অভিযানের গুঞ্জন ওঠে। বিকালে উপজেলার সাহেব নগরের বাড়ির সামনে পুলিশের একটি গাড়ি কিছুক্ষণ অবস্থান নিলেও রাত সাড়ে ৯টা পর্যন্ত কোনও ধরনের অভিযানের খবর পাওয়া যায় নি।*

*সম্রাটের সহযোগী এনামুল হক আরমানকে হেলিকপ্টার যোগে ফেনী নিয়ে আসে র‌্যাব। তাকে নিয়ে রাতে বিশেষ অভিযানের কথা শোনা গেলেও র‌্যাবের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট করে কোনও তথ্য জানান হয় নি।*
*ফেনী র‌্যাব-৭ এর সহকারী পুলিশ সুপার জুনায়েদ জাহেদী বলেন, বিষয়টি ঢাকা থেকে মনিটরিং করা হচ্ছে। আমাদের কাছে কোনও তথ্য নেই।*
*রোববার (৬ অক্টোবর) ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও আরমানকে গ্রেফতার করে র‌্যাব। পরে তাদের দুজনকেই ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়। তারা এখন কারাগারে।*