প্রচ্ছদ স্পটলাইট *প্রধানমন্ত্রীকে হ’ত্যাচেষ্টা মা’মলার আ’সামি এখন আ’লীগ নে’তা!*

*প্রধানমন্ত্রীকে হ’ত্যাচেষ্টা মা’মলার আ’সামি এখন আ’লীগ নে’তা!*

1691
*প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি এখন আ'লীগ নেতা!*

*১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রি’ডম পা’র্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নে’তৃত্বে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হা’মলা চালায় একটি চ’ক্র।*

*হাবিবুর রহমান মিজান ওরফে পাগলা মিজান। হোটেল ব’য় থেকে ফ্রি’ডম পা’র্টির দু’র্ধর্ষ ক্যা’ডার বনে যান তিনি। পরবর্তীতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে হ’ত্যাচেষ্টা এক মামলায় আসা’মিও হন তিনি।*
*এছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুর থানায় ১৯৯৬ সালে ইউনূস হ’ত্যা, ২০১৬ সালে সাভার থানায় জোড়া হ’ত্যা মা’মলা রয়েছে এই মিজানের বি’রুদ্ধে। মোহাম্মদপুর বিহারি ক্যা’ম্পে মা’দক নিয়ন্ত্র’ণকারী ও মা’দক ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি পরিচিত। অবৈ’ধভাবে কোটি কোটি টাকার মালিক হওয়া মিজান বহুবার গ্রেফতার হয়ে জে’ল খেটেছেন।*

*জানা যায়, ১৯৮৯ সালে শেখ হাসিনাকে হ’ত্যার উদ্দেশ্যে বাসায় হা’মলার সময় মিজান ছিলেন ফ্রি’ডম পা’র্টির বড় নে’তা। সেই হ’ত্যাচেষ্টাকারীদের অন্যতম ছিলেন তিনি। হ’ত্যাচেষ্টা ব্য’র্থ হওয়ার পর তিনি নাম বদলিয়ে রাখেন হাবিবুর রহমান মিজান। পরে এক সময় ফ্রি’ডম পা’র্টি থেকে গিয়ে ভেড়েন আওয়ামী লীগে। তিনি এখন মোহাম্মদপুর থানা আওয়ামী লীগের আলো’চিত-সমা’লোচিত নেতা। গত কমিটিতে সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি।*

*১৯৮৯ সালের ১০ আগস্ট মধ্যরাতে ফ্রি’ডম পা’র্টির সদস্য কাজল ও কবিরের নে’তৃত্বে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর রোডে বঙ্গবন্ধুর বাড়িতে হা’মলা চালায় একটি চ’ক্র। তারা সেখানে গুলি করে এবং বো’মার বিস্ফো’রণ ঘ’টায়। এ সময় শেখ হাসিনা বাড়ির ভেতর অবস্থান করছিলেন। বাড়ির নিরাপত্তাকর্মীরাও পাল্টা গু’লি চালান। একপর্যায়ে হাম’লাকারীরা চলে যায়। এ ঘটনায় ধানমন্ডি থানায় একটি মা’মলা হয়। ১৯৯৭ সালে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) মা’মলার অভিযোগপত্র দেয়। এতে লেফ’টেন্যান্ট ক’র্নেল (অবসরপ্রা’প্ত) সৈয়দ ফারুক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুর রশিদ ও মেজর (অবসর’প্রাপ্ত) বজলুল হুদা এবং নাজমুল মাকসুদ মুরাদসহ ১৬ জনকে আ’সামি করা হয়। অভি’যোগপত্রে মিজানুর রহমান ওরফে পাগলা মিজানকে হা’মলার পরি’কল্পনাকারীদের একজন হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মিজানের ছোট ভাই মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাও ছিলেন হা’মলাকারী দলের সদস্য।*

*বৃষ্টি কিংবা মন খারাপ থামাতে পারেনি প্রধানমন্ত্রীকে*
*
বাইরে প্রচণ্ড বৃষ্টি। মনটাও ভালো ছিল না আবরার ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা শুনে। কিন্তু কথার বরখেলাপ করার মতন মানুষ তো নন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এইসবের মধ্যেই পূর্ব নির্ধারিত দূর্গা পূজা উপলক্ষে রামকৃষ্ণ মাঠে উপস্থিত হন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।*
*সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে মণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শনিবার বিকেলে রাজধানীর লালবাগে ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে সনাতন ধর্মালম্বীদের শারদীয় দুর্গাপূজা উৎসব পরিদর্শন করেন তিনি।*

*পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি সকলকে পূজার শুভেচ্ছা জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সন্ত্রাস, জঙ্গীবাদ, মাদক, দুর্নিতি থাকবে না। দেশে সৌহার্দ্যপুর্ণ পরিবেশ তৈরি হওয়ায় গত ১০ বছর ধরে সারা দেশে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা পালিত হচ্ছে।*
*এর আগে, বিকেল সাড়ে চারটা নাগাদ ঢাকেশ্বরীতে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপরই তিনি পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করেন। পরে মন্দির প্রাঙ্গণে মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটি ও বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ আয়োজিত শারদীয় শুভেচ্ছা বিনিময় অনুষ্ঠানে অংশ নেন।*
*তিনি বলেন, ‘আমি বিদেশে ছিলাম। জাতিসংঘ থেকে ফিরে একদিন মাত্র দেশে ছিলাম। এরমধ্যে ভারত সফর করতে হয়েছে। ভারত সফর শেষে তাড়াতাড়ি দেশে ফিরেছি যেন আপনাদের উৎসবের সঙ্গে থাকতে পারি।*