প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত “পুলিশ পরিদ’র্শকের দা’বি, জু’য়া থেকে হু’ইপের আয় ১৮০ কোটি টাকা”

“পুলিশ পরিদ’র্শকের দা’বি, জু’য়া থেকে হু’ইপের আয় ১৮০ কোটি টাকা”

451
শামসুল হক চৌধুরী ও সাইফ আমিন (ডানে)

*চট্টগ্রাম আবাহনী ক্লা’বের জু’য়ার আ’সর থেকে গত পাঁচ বছরে ক্লা’বটির মহাসচিব ও জাতীয় সংস’দের হু’ইপ শামসুল হক চৌধুরী ১৮০ কোটি টাকা আয় করেছেন বলে সাইফ আমিন নামের একজন পুলিশের পরি’দর্শক। গত ২০ সেপ্টেম্বর রাত ১টা ৫৭ মিনিটে নিজের ফেইস’বুক ও’য়ালে এ সংক্রা’ন্ত একটি পো’স্ট দেন পরি’দর্শক তিনি। তিনি এক সময় হালি’শহর থানা, চট্টগ্রাম মহানগর আদা’লতের হাজত’খানাসহ বিভিন্ন থানায় কর্ম’রত ছিলেন। বর্তমানে তিনি ঢাকায় কর্ম’রত। ফেস’বুকে তিনি যা লিখেছেন তা হুবু’হু তুলে ধরা হল:

*ক্লা’ব-জু’য়া-সাং’সদ এবং ও’সি
ক্য’সিনো, ফ্লা’শ, হা’উজি, হা’জারি, কাই’ট, প’য়শা (চাঁ’ন তা’রা) এগুলো আবহমা’ন কাল থেকেই মহানগর ও জেলা সদরের ওসিদের বিনা ঝা’মেলায় মোটা টাকা পাওয়ার পথ।
মহানগরের ফ্ল্যা’টকেন্দ্রিক দে’হ ব্যবসা, ম্যা’সেজ পার্লা’রগুলো ও’সি সাহেবদের ২য় ইনকাম জেনা’রেটিং এসি’সট্যান্স করে, থানার ক্যা’শিয়ার কালে’কশন করে ও’সির প্রতিনিধি হিসেবে। ক্লাব’পাড়ার ওসি’রা এই দুই খাত থেকেই দৈনিক ৫ লাখ করে নিলেও মাসে সেটা দেড় কোটিতে পৌছায়। এবার আছে থা’নার সি’ভিল টি’ম, সি’য়েরা ডে/না’ইট, লি’মা ডে/ না’ইট/ গল্ফ’ ডে না’ইট।

*এরপর ডি’বি। ‘ডিবি একসঙ্গে নেয় না, তালি’কা অনুযায়ী ব্যক্তিগতভাবে সংগ্রহ করা হয়। প্রতি মাসেই স্ব স্ব ইউ’নিট থেকে কর্ম’রত অফিসারদের তা’লিকা আপ’ডেট করে হাউ’জগুলোতে পাঠানো হয়। বাকি থাকে মা’দক, ও’সিরা এখন মা’দকের টাকা নেয় না।
মফস্বলের ও’সিরা চায় সারা বছর মেলা। মেলা মানে ধামা’কা ধা’মাকা নৃ’ত্য, জু’য়া, হা’উজি, ওয়া’ন/টে’ন আর ডা’ব্বা খেলা। দৈনিক ও’সির ৫০ হাজার, মাসান্তে ১৫ লক্ষ, তিন মাস চললে ৪৫। ব্যস! আগের পো’স্টিং ফ্রি’, আর পরেরটা মজুদ। বাকি দিনে যা পান সব বোনা’স।
ঢাকায় মেনন সাহেব একটির চেয়ার অলঙ্কৃত করেছেন। দোষের কিছু নাই। রাজনীতি বলে নক’শালীরা টাক’শালি। অর্থাৎ টাক’শালের মা’লিক তারা হন।

*চট্টগ্রামে শামসুল হক মা’স্টার (!)। ছি. ধিক্কার জানাই। আমার নিজের হিসেবে তিনি আজ ৫ বছর চট্টগ্রাম আবাহনীর জু’য়ার বো’র্ডের মালিক, তত্ত্বা’বধায়ক এবং গড’ফাদার। দৈনিক সর্বনিম্ন ১০ লাখ করে নিলেও আজ ৫ বছরে শুধু জু’য়া থেকে নিয়েছেন প্রায় ১৮০ কোটি টাকা। ক্লা’বটি হা’লিশহর থা’নায়, এ’মপি সাহেব ও’সির জন্য মাসে হাজার দশেক টাকা পাঠান ছিঁ’চকে ছিনতা’ইকারী ও মাদ’কসেবী দী’ঘলের মা’রফত (তথা’কথিত যুবলীগ নে’তা)। টাকার এত অব’নয়নে হালিশ’হরের ও’সিরা সেই টাকা নেন না। যদিও ওই থানায় ১৩০০টি দে’হ ব্যবসার আ’লয় আছে। ও’সি দৈনিক বাসা প্রতি ৫০০ টাকা করে ৬০ হাজার পান। মাসে এখানে ১৮ লাখ পান, তাই মা’স্টারের জু’য়ার আখ’ড়া মুফ’তে চললেও রা’ করেন না।

*এই হক মাস্টা’রের অর্থশালী হয়ে ধ’রা কে স’রা জ্ঞা’ন করার অন্য কারবার হলো ই’য়াবা ট্রা’নজিট। সরকারের কড়াক’ড়ি আরো’পের আগ পর্যন্ত টেকনাফ থেকে আসা ইয়া’বার ৮০ ভাগ তার পটি’য়ায় ট্রান’জিট নিতো। এবং র‍্যা’ব এর এনকা’উন্টারে মা’স্টার সাবের ই’য়াবা উ’ইং কমা’ন্ডার নি’হত হলে দীর্ঘ একযুগ পর চট্টগ্রামের স্টে’শন কলো’নি ই’য়াবা ব্যবসা ব’ন্ধ করতে বাধ্য হয়। শত অভি’যান আর আন্তরিকতা স্বত্তেও যা ব’ন্ধ করতে পারেননি সিএ’মপির সাবেক ক’মিশনার জনাব মোহা. সফিকুল ইসলাম, জনাব জলিল, জনাব ইকবাল বাহার চৌ.। অথচ হক মা’স্টার ধো’য়া তুল’শী রয়ে গেলেন।
জু’য়া দিয়ে এবং নিয়ে দেশময় প্রায় একই অ’বস্থা। আগের সরকারে করেছেন খোকা, আব্বাস, ফালু, এখন করছেন মেনন, শামসু মা’স্টার, খালিদ। কিন্তু সব আমলেই কম’ন আছেন ব্রা’ত্য ও’সি সাহেব।