প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় “ত’দন্তে সেই ডি’সির নারী কে’লেঙ্কারির সত্যতা মিলেছে”

“ত’দন্তে সেই ডি’সির নারী কে’লেঙ্কারির সত্যতা মিলেছে”

87

*নারী কে’লেঙ্কারির ঘটনায় বিশেষ ভা’রপ্রাপ্ত কর্ম’কর্তা (ওএস’ডি) জামালপুরের সাবেক ডি’সি আহমেদ কবীরের বিরু’দ্ধে উত্থা’পিত অভি’যোগের প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ তদ’ন্ত কমি’টি। দৃষ্টান্ত’মূলক শা’স্তির সু’পারিশ করে গতকালই কমিটি তাদের প্রতিবেদন জনপ্র’শাসন মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। এর আগে জামালপুর ডি’সি অফিসের এক না’রী কর্মচা’রীর সঙ্গে ডি’সির ঘনি’ষ্ঠ অ’বস্থার একটি ভি’ডিও সামাজিক মাধ্যমে ভা’ইরাল হলে দেশব্যাপী সমা’লোচনার ঝ’ড় ওঠে। তখন এই ভি’ডিও নিয়ে প্রাথমিক তদ’ন্তে ময়মনসিংহের বিভাগীয় কমিশ’নারও ঘট’নার স’ত্যতা পেয়েছিলেন। যার পরিপ্রে’ক্ষিতে তাৎক্ষ’ণিকভাবে ‘ডিসি আহমেদ কবীরকে প্রত্যা’হার করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

*সং’শ্লিষ্ট সূ’ত্রে জানা গেছে, জামালপুরের ডি’সির না’রী কেলে’ঙ্কারির ঘট’নায় বিব্র’ত সরকারের প্রশাসন। তাৎক্ষ’ণিকভাবে বিষয়টি ত’দন্তের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একজন যুগ্ম-সচিবের নেতৃ’ত্বে একটি ত’দন্ত কমি’টি গঠন করে। কমিটিকে প্রথমে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতি’বেদন জমা দিতে বলা হয়। পরবর্তীতে আরও ১০ দিন সময় বাড়িয়ে নেয় ক’মিটি। তারা ঘট’নাস্থল জামালপুর পরিদর্শন করে পারি’পার্শ্বিক বিষয় বিচার বিশ্লেষণ করেন এবং সং’শ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলেন।

*তদ’ন্ত শেষে গতকাল কমিটি তাদের প্রতি’বেদন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে জমা দিয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও সচিব ঢাকায় না থাকায় গতকাল এ বিষয়ে তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। জামালপুর জেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় কমিশনসহ বেশ কয়েকটি সূ’ত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ভি’ডিও সংক্রান্ত বিষয়ে তদ’ন্ত করার নি’র্দেশ দেওয়া হলেও কমিটি কয়েকটি সুপা’রিশও করেছে। কমিটির সুপা’রিশের মাঠ প্রশাসনে মনি’টরিং দুর্বলতার বিষয়টি তুলে ধরা হয়েছে। কেন্দ্রীয়ভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে মাঠ প্রশা’সনের বিষয়গুলো যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখা হলেও বিভাগীয় কমি’শনারদের অফি’স যথাযথ গু’রুত্ব দিয়ে তা পালন করতে পারছে না। তাই মনি’টরিং আরও জো’রদার করার কথা বলা হয়েছে।

*এ ছাড়া জামালপুরের ঘট’নার পর তু’মুল আলো’চনায় আসা ডি’সির খা’স কামরা নিয়েও সুপা’রিশ করেছে কমিটি। ত’দন্ত সংশ্লি’ষ্টরা মনে করেন, ডি’সির কাজের ধরন অনুযায়ী বিশ্রাম নেওয়ার জন্য খা’স কা’মরা থাকতেই পারে। কিন্তু সেখানে দরজা ‘বন্ধ করে খাট-পা’লঙ্কের আয়োজন না করে বড়’জোর ইজি চেয়ার বা ডি’ভান টাই’পের কিছু রাখা যেতে পারে। জামালপুর জেলা প্রশা’সন সূ’ত্রে জানা গেছে, জেলার তৎকালীন ডিসি আহমেদ কবীর তার নারী অফি’স সহা’য়কের সঙ্গে সম্প’র্কে জ’ড়ানোর কিছু দিনের মধ্যেই তাকে ভি’ডিও ট্রা’পে ফেলা হয়। ডি’সি নিজেও এ বিষয়টি জানতেন।

*সূ’ত্র জানায়, জামালপুরের জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে অফিস সহা’য়ককে হেফা’জতে নিয়ে বিষয়টি কীভাবে ঘটল সে বিষয়ে ত’দন্ত করার জন্য বলা হয়েছিল। কিন্তু আহমেদ কবীর এ ধরনের ঘ’টনায় হি’তে বিপ’রীত হতে পারে ইঙ্গি’ত দিয়ে পুলিশকে নি’রুৎসাহিত করেছিলেন। সংশ্লি’ষ্ট সূ’ত্রে জানা গেছে, প্রশাস’নের কর্ম’কর্তাদের বিভিন্ন ভু’ল-ভ্রা’ন্তি ফাঁ’স হলেও এত দ্রুত ত’দন্ত কমি’টি করে ব্যবস্থা নেওয়ার উদা’হরণ খুব কম। কিন্তু জামালপুরের ঘট’নায় খো’দ প্রশা’সনের ভিতর থেকেই শী’র্ষ পর্যায়ে ক্ষো’ভ জানিয়ে দ্রুত পদ’ক্ষেপ নেওয়ার চা’প আসে। এর প’রিপ্রে’ক্ষিতে সরকারের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ দ্রুত একটি তদ’ন্ত কমি’টি করে।

*জামালপুরের ডি’সির কেলে’ঙ্কারির পর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেছিলেন, দো’ষ প্রমা’ণিত হলে ডি’সির (আহমেদ কবীরের) বি’রুদ্ধে দৃষ্টান্ত’মূলক শা’স্তি দেওয়া হবে। যাতে ভবিষ্যতে কেউ এ ধরনের কাজে যু’ক্ত না হয়। মন্ত্রিপরিষদ ‘সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম সাংবাদিকদের বলেছিলেন, দো’ষ প্রমা’ণিত প্রচ’লিত আ’ইন অনুযা’য়ী সর্বো’চ্চ শা’স্তি দেওয়া হবে। গত ২২ আগস্ট জামালপুরের ডি’সি আহমেদ কবীর ও তার নারী অফি’স সহা’য়কের সঙ্গে ঘ’নিষ্ঠতার একটি ভি’ডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এর পরি’প্রেক্ষিতে ২৫ আগস্ট ডি’সিকে প্রত্যা’হার করে বিশেষ ভার’প্রাপ্ত কর্ম’কর্তা (ওএ’সডি) করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পদা’য়ন করা হয়।