প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় “রূপপুর বালিশকা’ণ্ডে জি কে শামীমের সং’শ্লিষ্টতা ফাঁ’স”

“রূপপুর বালিশকা’ণ্ডে জি কে শামীমের সং’শ্লিষ্টতা ফাঁ’স”

427

*টেন্ডা’রবাজি ও চাঁ’দাবাজির অভি’যোগে আট’ক জি কে শামীমের বি’রুদ্ধে বেরি’য়ে আসছে একের পর এক চাঞ্চ’ল্যকর ত’থ্য। স’ম্প্রতি ঘ’টে যাওয়া রূপপুর পার’মাণবিক বি’দ্যুৎ কেন্দ্রের বা’লিশ কেলেঙ্কা’রিতেও জি কে শামীমের সং’শ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে।

*গো’য়েন্দা সূ’ত্র জানিয়েছে, রূপপুরের বালিশকা’ণ্ডের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি অর্থ হা’তিয়ে নিয়েছেন জি কে শামীম। রূপপুরের গ্রি’ন সি’টি আবা’সনপল্লী নির্মা’ণের ব্যয় তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি। সেখানে বড় অঙ্কের কয়েকটি কাজ জি কে শামীম নিজেই করছেন। এ ছাড়া ৫ পার্সেন্ট কমি’শনের বিনিময়ে ৩-৪টি প্রতিষ্ঠানকে কয়েকটি কাজও তিনি পাইয়ে দিয়েছেন বলে অনু’সন্ধানে বেরিয়ে এসেছে।

*সূ’ত্র মতে, গ্রি’ন সি’টি আবাসনপল্লী নি’র্মাণের প্রায় সব কাজই জি কে শামীমের দখ’লে ছিল। তবে যেসব কাজ তার পছন্দ হতো না সেগুলো তিনি অন্য ঠিকা’দারদের দিয়ে দেন। মোটা অঙ্কের কমি’শনের বিনি’ময়ে সা’জিন ট্রে’ডার্স, এ’নডিই (ন্যা’শনাল ডেভে’লপমেন্ট ইঞ্জি’নিয়ারিং লি.) ও সি’ভিল ইঞ্জি’নিয়ার্স নামের ঠিকা’দারি প্রতিষ্ঠানকে বেশ কয়েকটি কাজ পা’ইয়ে দেন শামীম। এই ব্যাপক কমি’শন বাণিজ্যের কারণেই মূলত রূপপুরে ভব’ন নির্মা’ণ থেকে শুরু করে বালিশ, চাদর ও ইলেক’ট্রিক সাম’গ্রী সরবরাহে ব্যাপক দু’র্নীতি হয়। সাম্প্রতিক একটি গো’য়েন্দা প্রতি’বেদনের ভিত্তিতে এসব ত’থ্য বেরিয়ে আসে। সেই প্রতিবে’দনের ভিত্তিতে রূপপুর পার’মাণবিক বিদ্যু’ৎকেন্দ্র নি’র্মাণের ঘটনায় শামীমের মালিকা’নাধীন প্রতিষ্ঠান জি কে বিপি’এল ব্ল্যা’কলিস্টেড হয়।

*ওই প্রতি’বেদনে বলা হয়েছে, রূপপুরের গ্রি’ন সি’টি আবাসনপল্লী নি’র্মাণ প্রকল্পে জি কে শামীমের আধিপ’ত্যের নেপ’থ্যে ছিলেন পূ’র্ত মন্ত্রণালয়ের বেশ কয়েকজন দুর্নী’তিবাজ কর্ম’কর্তা। শামীমের প্রতিষ্ঠানকে বড় বড় কাজ পাই’য়ে দিতে’ন তারা। সে বাবদ শামীম তাদের আলা’দা ক’মিশন দিতেন।

*গণ’পূর্ত মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্ম’কর্তা জানিয়েছেন, এমনভাবে টেন্ডা’রের শর্ত নির্ধা’রণ করা হয় যাতে শামীমের প্রতিষ্ঠানই কাজ পায়। শামীমের সঙ্গে আঁ’তাত গড়া মন্ত্রণালয়ের দুর্নী’তিবাজ কর্মকর্তা’রাই সরকারি টেন্ডা’রের প্রাক্ক’লিত মূল্য বাড়িয়ে দেয়ার কাজটি করতেন। এর পর অতি’রিক্ত মূল্যের একটি বড় অংশ অস’ৎ কর্মক’র্তারা ভা’গ করে নিতেন।

*গো’য়েন্দা প্রতি’বেদনে বলা হয়েছে, রূপ’পুর পার’মাণবিক কেন্দ্রের পাশে গ্রি’ন সি’টি আ’বাসিক এ’লাকা নির্মা’ণ প্রকল্পে’ ইতিমধ্যে ১৯টি ভব’নের কাঠামো নি’র্মিত হয়েছে। আর এসব ভব’ন নির্মা’ণের জন্য কয়েকটি স্ত’রে ঘু’ষ দিতে হয়েছে। ওয়া’র্ক অ’র্ডার পাওয়ার পর টে’ন্ডার মূল্যের ৫ পা’র্সেন্ট দিতে হয়েছে নে’গোসিয়েশন খরচ বাবদ। আর এ পার্সে’ন্টেস নিয়েছেন জি কে শামীম। কারণ এই কাজ তিনিই সব কর্ম’কর্তাকে ম্যা’নেজ করে এনেছেন বলে দাবি করেন।

*জানা গেছে, পূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজধানীতেও যেসব বড় বড় ভ’বন নির্মা’ণের কাজ হচ্ছে তার বেশির ভাগই নির্মা’ণ করছে জি কে শামীমের প্রতি’ষ্ঠান জি’কে বি’পিএল। ১০০ কোটি টাকার বেশি কাজ হলেই তা শামীমের ঠি’কাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রা’প্য বলে নির্ধা’রিত।

*উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর নিকেতনে জি কে শামীমের ব্যবসায়িক কার্যা’লয় জি’কে বি’ল্ডার্স থেকে তাকে আ’টক করা হয়। সেখান থেকে বি’পুল পরিমান টাকাও উদ্ধা’র হয়। শামীমের মায়ের নামেই ১৪০ কোটি টাকার এফ’ডিআরের সন্ধা’ন পেয়েছে র‌্যা’ব।