প্রচ্ছদ স্পটলাইট “বিএনপির যে নে’তাদের হাত ধ’রে বাংলাদেশের ক্যা’সিনো কা’লচার”

“বিএনপির যে নে’তাদের হাত ধ’রে বাংলাদেশের ক্যা’সিনো কা’লচার”

12045

*সা’ম্প্রতিক সময়ে ক্যা’সিনো নিয়ে বেশ তোল’পাড় চলছে। গত রাতে র‍্যা’ব এবং আ’ইনপ্র’য়োগকারী সংস্থা বিভিন্ন ক্যা’সিনোতে অভি’যান চা’লিয়েছে এবং অন্তত তিনটি ক্যা’সিনো সি’লগালা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বাংলাদেশে এই ক্যা’সিনো কাল’চার নতুন নয়। ক্ষম’তাসীন দল আওয়ামী লীগের সহ’যোগী সংগঠন যুবলীগই যে এই ক্যা’সিনো কা’লচার শুরু করেছে বলে যেমনটা প্রচার করা হচ্ছে, বাস্তবতা তেমনটাও নয়।

*অনু’সন্ধানে দেখা যায় যে, বাংলাদেশে ক্যা’সিনো কা’লচার শুরু করেছিলেন সা’দেক হোসেন খোকা এবং মির্জা আব্বাস। ’৯১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষ’মতায় আসার পর ব্রা’দার্স ইউ’নিয়নে ক্যা’সিনো কা’লচার শুরু হয়েছিল। ব্রা’দার্স ই’উনিয়নের এই জু’য়ার আ’সরে বিএনপির অনেক গ’ণ্যমান্য ব্যক্তিও যেতেন।
ব্রাদা’র্স ইউ’নিয়নের ক্যা’সিনোর মাধ্যমেই সাদেক হোসেন খোকার উত্থা’ন। সাদেক হোসেন খোকার সঙ্গে পা’ল্লা দেওয়ার জন্য সে সময় মির্জা আব্বাসও মতিঝিলের ক্লা’বগুলো দ’খল করেন। তখন আরামবাগ ক্লা’ব ও ওয়ান্ডারার্স ক্লা’বেও ক্যা’সিনো শুরু করা হয় মির্জা আব্বাসের নে’তৃত্বে।

*মির্জা আব্বাস আর সাদেক হোসেন খোকার পদা’ঙ্ক অনু’সরণ করে মোসাদ্দেক আলী ফালু মোহামেডান ক্লাবেও ক্যাসি’নো শুরু করেছিলেন। তবে সেখানে ভিন্নরূপে শু’রু করা হয়েছিল হাউ’জি ব্য’বসা।
৯১-৯৬ সালে বিএনপির আমলে একমাত্র আবাহনী ছাড়া অন্য সবগুলো ক্লাবেই জু’য়া-ক্যা’সিনোর বাজার বসা’নো হয়েছিল। বিএনপির প্রভা’বশালী তিন নে’তার তত্ত্বাবধানেই এগুলো চলছিল। এরা হলেন সাদেক হোসেন খোকা, মির্জা আব্বাস এবং মোসাদ্দেক আলী ফালু।

*বিএনপি চলে যাওয়ার পর ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষম’তায় থাকলেও এই ক্লা’বগুলোর নি’য়ন্ত্রণ ছিল বিএনপির হাতেই। তখনও পুলিশের না’কের ড’গায় বসেই এই ক্যাসি’নোগুলো চলেছে। সাদেক হোসেন খোকা তখন এমপি থাকার কারণে কেউ তাকে স্প’র্শ করেনি। মির্জা আব্বাসের ক্যা’সিনোও চলেছে ঠিকঠা’ক মতোই। আর মোসাদ্দেক আলী ফালু তখন অনেক প্রভা’বশালী হওয়ার কারণে মোহামেডানে হা’উজি এবং জু’য়ার আস’রের পরিধি বে’ড়েছিল বহুগুণে। মোহামেডান ছাড়াও মোসাদ্দেক আলী ফালু তখন রহমতগঞ্জ ক্লা’বও দ’খল করে নিয়েছিলেন। সেখানেও দে’দারসে চলো ক্যা’সিনো ব্যবসা।

*২০০৬ এ বিএনপি পতনের পর ওয়া’ন ই’লেভেন সরকার আসলে এই ক্যা’সিনো বাণিজ্য লন্ড’ভন্ড হয়ে যায়। সবগুলো ক্লা’বেই তখন জু’য়ার আসর ব’ন্ধ হয়ে যায়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষম’তায় আসার পর প্রথম দুই বছর কোনো ক্যা’সিনো ছিল না। এরপর আস্তে আস্তে ধা’পে ধা’পে ক্যাসি’নোগুলো আবার চা’লু করা হয়।

*একাধিক দায়ি’ত্বশীল সূত্র বলছে, প্রত্যেকটি ক্যা’সিনোর সঙ্গে স্থানীয় থানা এবং আ’ইন প্রয়ো’গকারী সং’স্থার যোগ’সাজশ আছে। তাদের সাথে আঁ’তাতের মাধ্যমেই এই ক্যাসি’নোগুলো পরি’চালিত হয়েছে। আইন প্রয়ো’গকারী সং’স্থার সঙ্গে ক্যা’সিনোর ক’থিত মালিকদের সুস’ম্পর্কের কথা সবাই জানতো। এজন্যই ক্যা’সিনো নিয়ে কেউই মু’খ খু’লতো না।