প্রচ্ছদ রাজনীতি “শু’দ্ধি অ’ভিযান স’ম্পর্কে অন্ধ’কারে রা’খা হয়েছে আ’লীগের সি’নিয়র নে’তাদের”

“শু’দ্ধি অ’ভিযান স’ম্পর্কে অন্ধ’কারে রা’খা হয়েছে আ’লীগের সি’নিয়র নে’তাদের”

1101

*আওয়ামী লীগের অঙ্গসংগঠনসহ দলের ভিতরে যারা বিভিন্ন ধ’রনের অপক’র্মের সঙ্গে যু’ক্ত তাদের বিরু’দ্ধে শু’দ্ধি অ’ভিযান শুরু করেছে দলটি। আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার নি’র্দেশে আই’নপ্রয়োগকারী ও একাধিক গো’য়েন্দা সং’স্থা এই শু’দ্ধি অভি’যানের কাজ করছে। এছাড়াও এই শু’দ্ধি অভি’যানের সঙ্গে যু’ক্ত আছে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার একটি নি’জস্ব টি’ম। যারা বিভিন্ন অভি’যোগ অনু’সন্ধান করছে এবং ত’থ্যসূত্র যা’চাই করছে।

*মজার ব্যা’পার হলো যে, এই শু’দ্ধি অভি’যানের ব্যাপারে আওয়ামী লীগ সভাপতি ছাড়া কেউ কিছুই জা’নে না। কাদের বি’রুদ্ধে অভি’যান হচ্ছে, কারা অভি’যুক্ত বা কাদের বিরু’দ্ধে কি অভি’যোগ পেয়েছে সেই সমস্ত ত’থ্য সম্পূ’র্ণ গোপ’ন রা’খা হচ্ছে। আই’নপ্রয়োগকারী সং’স্থার যারা এইসব ব্যা’পারে ত’দন্ত করছে তাদেরকে বলা হয়েছে এইসব বিষয়ে কোন নে’তাকে কোন ত’থ্য দেওয়া যেন না দেওয়া হয়। গো’য়েন্দা সং’স্থাগুলো সরা’সরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে এই রিপো’র্টগুলো দিচ্ছে বলে একাধিক দা’য়িত্বশীল সূ’ত্র নি’শ্চিত করেছে।

*সংশ্লি’ষ্ট সূ’ত্রগুলো বলছে যে, গত শনিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলের কার্যনির্বাহী বৈঠকে প্রথমবারের মতো দলের ভিতর দু’ষ্টুদের ব্যাপারে মুখ খো’লেন। ঐ দিনই ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদককে অব্যা’হতি দেওয়া হয়। সেখানে তিনি যুবলীগের একাধিক নে’তার বি’রুদ্ধে গো’য়েন্দা সং’স্থা থেকে পাওয়া অভি’যোগ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দর কাছে তু’লে ধরেন। তাদের বি’রুদ্ধে কি ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে বা আ’দৌ কোন ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে কিনা সে ব্যা’পারে তিনি কিছুই বলেননি। এমনকি দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরও কাদের বি’রুদ্ধে অভি’যোগ রয়েছে বা কিরকম ব্যব’স্থা গ্রহণ করা হবে সে সম্প’র্কে কোন কিছু জানেন না। সাধারণ সম্পাদকই যখন জানেন না, তখন অন্যান্য নে’তৃবৃন্দর কাছেও এ ব্যা’পারে কোন ত’থ্য নেই।

*একাধিক আওয়ামী লীগ শী’র্ষ নে’তার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা বলেন, আওয়ামী লীগে যে শু’দ্ধি অভি’যান করা হচ্ছে সেটা একান্ত আওয়ামী লীগের নি’জস্ব এ’খতিয়ারে করা হচ্ছে। শু’দ্ধি অভি’যানের প্র’ক্রিয়া কিভাবে হবে, কারা অ’ভিযুক্ত সে ব্যাপা’রে স’ম্পূর্ণ গোপনী’য়তা রা’খা হচ্ছে এবং আমরা এ ব্যাপারে কেউ কিছু জানি না। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়ি’ত্বশীল সূ’ত্র বলছে যে, বিভিন্ন সময়ে দলের ভিতর যারা অন্যদল থেকে অনুপ্র’বেশ করেছেন। দলে ঢু’কে যারা বিভিন্ন অপ’কর্ম করেছেন। তাদের বিরু’দ্ধে ব্যব’স্থা গ্রহণের জন্য নির্দে’শনা দিয়েছিলেন। এ জন্য তিনি প্র’কাশ্যে উ’ষ্মাও প্রকাশ করেছিলেন। কিন্তু দেখা যাচ্ছে, আওয়ামী লীগের প্রভা’বশালী নেতারা কেউ কারো কাছে ম্যা’নেজ হয়ে যায়। প্রভা’বশালী নে’তাদের সঙ্গে যো’গসাজশ করে তারা পা’র পে’য়ে যাচ্ছেন।

*দুই বছর আগে আওয়ামী লীগ সভাপতি দলের ভিতর যারা অনুপ্রবে’শকারী, যারা দলের ভিতর ঢু’কে বিভিন্ন বদনা’ম করছে। তাদের বিরু’দ্ধে ব্য’বস্থা গ্রহণের জন্য নির্দে’শ দিয়েছিলেন। কিন্তু এই নির্দে’শ প্রতি’ফলিত হয়নি। আওয়ামী লীগের একাধিক দায়ি’ত্বশীল সূত্র বলছে, যে সমস্ত অনুপ্রবেশ’কারী এবং দলের ভিতর থেকে যারা দলের বদ’নাম করছে। বিভিন্ন অপ’কর্ম টেন্ডা’রবাজি এবং চাঁদা’বাজি করছে, তারা সব সময় দলের সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে ঘ’নিষ্ঠ স’ম্পর্ক র’ক্ষা করছে। যার ফলে দেখা যাচ্ছে যখনই তাদের বি’রুদ্ধে ব্য’বস্থা গ্রহণের কথা উঠছে তখনই সিনি’য়র নেতারা বা’ধা দিচ্ছেন।

*সি’নিয়র নে’তা (অপক’র্মে জ’ড়িত থাকার অভি’যোগ) যাদের বি’রুদ্ধে রয়েছে, তাদের বি’রুদ্ধে উত্থা’পিত অভি’যোগগুলো অ’স্বীকার করছে, বলছে এটা প্র’তিপক্ষদের কু’ৎসা রট’না। বারবার এই অস্বী’কারের সং’স্কৃতি থেকে এবার আওয়ামী লীগ বেরি’য়ে আসতে চায়। এ কারণেই আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কাউকে কোন দা’য়িত্ব না দিয়ে নিজেই এই বিষয়টি ত’দারকি করছেন। সং’শ্লিষ্ট সূ’ত্রগুলো বলছে, মুজিব ব’র্ষের আগে আওয়ামী লীগের একটি ক্লি’ন ই’মেজ দেওয়ার পরি’কল্পনা রয়েছে এবং এই ক্লি’ন ইমে’জ দেওয়ার জন্যই আওয়ামী লীগ সভাপতি নি’জস্ব উদ্যো’গে দলের শু’দ্ধি অভি’যান শুরু করেছেন।

*বিভিন্ন গো’য়েন্দা সং’স্থার অনু’সন্ধ্যানে দেখা যাচ্ছে যে, যারা আওয়ামী লীগ এবং এর বিভিন্ন অ’ঙ্গ সহ’যোগি সংগঠনের নাম ভা’ঙ্গিয়ে টেন্ডার’বাজি ব্যবসা, মাদ’ক ব্যবসা বা সন্ত্রা’সী কর্মকা’ণ্ডের সঙ্গে জ’ড়িত, তারা হয় বিএনপি বা জামাত বা অন্য দল থেকে এসে আওয়ামী লীগে প্রবেশ করে দলের বদ’নাম করছে। সরকারকে বিব্র’তকর পরি’স্থিতিতে ফে’লছে। এ কারণেই শেখ হাসিনা এদের বিরুদ্ধে ‘একক’ যু’দ্ধ ঘো’ষণা করেছেন। কোন সি’নিয়র নে’তাকে এটার সঙ্গে যু’ক্ত না করার অন্যতম প্রধান কারণ হলো তাদেরকে যেন অপ’রাধী বা অ’পরাধে অভি’যুক্তরা ম্যা’নেজ করে না ফেল’তে পারে। এ কারণেই আওয়ামী লীগের শী’র্ষ নে’তারা এ ব্যাপারে অন্ধ’কারে।