প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য “খালেদা ১০ টাকার পানি ১২৫, জিয়া ১২ লাখের টেবিল ১১ কোটিতে কিনেছিলেন”

“খালেদা ১০ টাকার পানি ১২৫, জিয়া ১২ লাখের টেবিল ১১ কোটিতে কিনেছিলেন”

2684

*খালেদার নির্দেশে ১০ টাকার ‘মাম’ পানি কেনা হয়েছিল ১২৫ টাকায়

*২০০১ সালে বিএনপি জামাত জো’ট সরকারের ক্ষ’মতায় আ’সার পর প্রধানমন্ত্রীর কার্যা’লয় থেকে নি’র্দেশনা দেয়া হয় সরকারি সকল কার্যা’লয়ে ‘মাম’ পানি কিনতে হবে। উল্লেখ্য যে, ‘মাম’ পানি ছিল তৎকালীন বিএনপি দলীয় এমপি আবুল হাশেমের পারটেক্স শিল্প গ্রুপের একটি প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রীর কার্যা’লয় থেকে জানানো হয়, এই পানি ছাড়া অন্য কোন কম্পানির পানি মন্ত্রণালয়গুলোতে ব্যব’হার করা যাবে না।

*তখন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় অধিদপ্তর সং’শ্লিষ্ট পারটেক্স গ্রুপের কাছে কোটেশন চাইলে প্রতিটি বোতল ‘মাম’ পানির মূল্য নির্ধারণ করা হয় ৬৮৫ টাকা। পরবর্তীতে এটা নিয়ে দর’কষাকষি করা হয়। পরবর্তীতে ১২৫ টাকা দর নির্ধা’রণ করা হয় ৫০০ মিলি বোতলে জন্য। উল্লেখ্য, সেই সময় মাম পানির ওই বোতলে বাজারমূল্য ছিল ১০ টাকা। যেটি এখন ১৫ টাকায় বাজারে পাওয়া যায়। প্রত্যেকটি মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং সরকারি দপ্তরে মাম পানি কেনা হয়েছিল ১২৫ টাকা দরে। যেই ঘ’টনা সে সময় আ’লোচিত ছিল।

*আজকে যখন পর্দা-বালিশ-মশার ওষুধ দুর্নী’তি নিয়ে তোল’পাড় চলছে, তখন এই বিষয়গুলো নিয়েও সরকারী অফিসগুলোতে আ’লোচনা হচ্ছে। পার্থক্য শুধু এটুকুই। তখন এগুলো হতো রাষ্ট্রীয় পৃষ্ট’পোষকতায়। এখন সরকার এই সমস্ত দুর্নী’তির বিরু’দ্ধে জিরো টলা’রেন্স নীতিতে ব্যব’স্থা গ্রহণ করছে।
১৯৯১ সালে বিএনপি ক্ষম’তায় এলে মোবাইল ফোন শুধুমাত্র একটি কোম্পানিকে দিয়ে লুট’পাটের সু’যোগ একচে’টিয়া করে দেয়া হয়েছিল। সে গ’ল্পও নিশ্চয়ই কেউ ভোলে’ননি।

*জিয়ার আমলে ১২ লক্ষ টাকার টেবিল কেনা হয়েছিল ১১ কোটিতে

আমরা আজকে পর্দা-বালিশ-মশার ওষুধ কেলেঙ্কা’রির মতো ঘট’নায় চ’মকে যাই। কিন্তু সচিবালয় সূত্রে জানা যায় এই দুর্নী’তির সূচ’না হয়েছে ৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর থেকে। সেসময় টেন্ডা’রের নামে দুর্নী’তির প্রবে’শদ্বার উন্মো’চিত হয়েছে। জিয়াউর রহমানের আমলে বঙ্গ’ভবনে মন্ত্রীপরিষদ বৈঠক করার জন্য যে কনফা’রেন্স টেবিল তার প্রাক্কলিত মূল্য ছিল তৎকালীন বাজারে ১২ লক্ষ টাকা। প্রাক্কলিত ১২ লক্ষ টাকার টেবিল ক্রয় করা হয়েছিল ১০ কোটি ৭০ লক্ষ টাকায়।

*এভাবে টেন্ডা’রের নামে লুট’পাটের যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান দুর্নী’তিগুলো হচ্ছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কার্যা’লয়ের একাধিক কর্ম’কর্তা মনে করেন। তবে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর অব’সান চান। এর অবসানের জন্যই তিনি ক’ঠোর ব্য’বস্থা গ্রহণ করেছেন তিনি। এ ব্যাপারে একটি টাস্ক’ফোর্স গঠন করার উ’দ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই টাস্কফো’র্সের মূল কাজ হবে যেসমস্ত অনিয়’মগুলো হয়েছে সেসমস্ত অনিয়ম’গুলোর পেছ’নে কারা হো’তা তাঁদেরকে খুঁ’জে বে’র করা এবং ভবিষ্যতে যেন এরকম অনি’য়ম না হয় তা ব’ন্ধের জন্য ব্য’বস্থা গ্রহণ করা।