প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত “দুর্নীতির প্রতি’কার হয় কী না- সেটাই মুখ্য বিষয়”

“দুর্নীতির প্রতি’কার হয় কী না- সেটাই মুখ্য বিষয়”

আশরাফুল আলম খোকন

25

*কমবেশি দুর্নী’তি সব দেশেই আছে। দুর্নী’তির প্রতি’কার হয় কী না- সেটাই মুখ্য বিষয়। কিছু দুর্নী’তি তৃণমূল পর্যায়ে হয়, কিছু দুর্নী’তি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ মহলে হয়। আমাদের দেশেও সিমেন্স কেলে’ঙ্কারি, নাইকো কেলে’ঙ্কারির বিষয়টি প্রমাণিত এবং সবার জানা। ইদানিং শুনছি বালিশ এবং হাসপাতালের পর্দা কেলে’ঙ্কারির কথা।

*তবে দুর্নীতির এই বিষয়গুলোর মধ্যে অনেক পার্থক্য আছে। যেমন সিমেন্স কেলেঙ্কা’রিতে তারেক রহমান- কোকো রহমানদের সম্পৃক্ততার বিষয়টি সিঙ্গাপুর- যুক্তরাষ্ট্রের আদালতে ইতিমধ্যে প্রমাণিত। দুর্নী’তি প্রমাণ করতে এফবিআইকেও সম্পৃ’ক্ত হতে হয়েছিল। নাইকোর কেলে’ঙ্কারিতে বেগম জিয়াকে দো’ষী সাব্য’স্ত করেছে কানাডার আদালত। সেখানে আপিল করেও তারা হেরে’ছেন।

*আর বালিশ কিংবা পর্দা কে’লেঙ্কারির বিষয়টি সংগঠিত হবার অপ’চেষ্টা হয়েছে নিচের দিকে অর্থাৎ প্রশাসনিক কর্মকর্তা লেভেলে। যখন শেখ হাসিনা সরকারের মন্ত্রী ও সচিবদের কাছে বিষয়টি ধ’রা খেয়ে’ছে, তখনই তারা আট’কে দিয়েছেন। তারা দুর্নী’তি সংগঠিত হতে দেননি। তারা চেয়েছেন বলেই জাতি এটা জানতে পেরেছেন। মন্ত্রী-সচিবরা দুর্নী’তিবাজ হলেই ভা’গ বা’টোয়ারা নিয়ে চুপ থাকতে পারতেন।

*যদি মন্ত্রী-সচিবরা না চাইতেন তাহলে দেশবাসী তা জানতেও পারতো না, সিমেন্স- নাইকো কেলে’ঙ্কারির মতো বিদেশের আদালতে গিয়ে দুর্নী’তি খুঁ’জতে হতো। আর এখন দেশের মাটিতেই তা ধ’রা পড়ছে। দুর্নী’তিবাজদের ধ’রা প’ড়ার বিষয়টিই প্রমাণ করে দুর্নী’তির বিরু’দ্ধে শেখ হাসিনা সরকার যে জি’রো টলা’রেন্স অবস্থান নিয়েছে। (ফেসবুক থেকে সংগৃহীত)