প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় “প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে গিয়ে বিতা’ড়িত হলেন শোভন-রাব্বানী”

“প্রধানমন্ত্রীর সাথে কথা বলতে গিয়ে বিতা’ড়িত হলেন শোভন-রাব্বানী”

752

*গতকাল শনিবার রাতে ছাত্রলীগের কমিটি ভে’ঙে দেও’য়ার নি’র্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগের নেতারা জানিয়েছেন, ছাত্রলীগের সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ওপর অত্য’ন্ত ক্ষু’ব্ধ হয়ে’ছেন প্রধানমন্ত্রী। বিষয়টি জানতে পেরে গতকাল রাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ক্ষমা’প্রার্থনা করতে গণভবনে গিয়েছিলেন শোভন-রাব্বানী।

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ছাত্রলীগের ওপর প্রধানমন্ত্রীর ক্ষো’ভের মাত্রা এমন পর্যা’য়ে পৌঁ’ছেছে যে, শোভন-রাব্বানী অনেকক্ষণ ধরে গণভবনে অ’পেক্ষা করলেও প্রধানমন্ত্রী তাদের সঙ্গে দেখা করেননি। সেখানে উপস্থিত আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা তখন দুজনকে গণভবন থেকে চ’লে যেতে বলেন। আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গণভবন থেকে বে’রিয়ে যাওয়ার সময় শোভন-রাব্বানীকে সামনে পেয়ে সবার সামনেই ‘বকা’ঝকা’ করেন। তিনি বলেন, ‘চ’লে যা’ও এখান থেকে।’ পরে তারা দুজনই সেখান থেকে চ’লে যান।

*ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ভে’ঙে দেওয়ার নি’র্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

*যৌথসভার কয়েকটি সূত্র জানিয়েছে, প্রায় ১০ মিনিট ধরে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আ’লোচনা হয়। বিভিন্ন অভি’যোগ ওঠার পর আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা কমিটি ভে’ঙে দেও’য়ার নি’র্দেশ দেন।
আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান জিজ্ঞাসায় বলেন, ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী উদ্বে’গ প্র’কাশ করছেন।

*বছরের শুরুতে ডাকসু নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আবদুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম ও বিএম মোজাম্মেলকে ছাত্রলীগ দেখ’ভালের দা’য়িত্ব দে’ওয়া হয়।
ছাত্রলীগের ২৯তম জাতীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছিল গত বছরের ১১ ও ১২ মে। নতুন নে’তৃত্ব নির্বাচন ছাড়াই শেষ হয় সম্মেলন। তার আড়াই মাস পর গত বছরের ৩১ জুলাই রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভনকে সভাপতি ও গোলাম রাব্বানীকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছর মেয়াদী আংশিক কমিটি ঘো’ষণা করা হয়।

*তার এক বছর পর গত ১৩ মে ছাত্রলীগের ৩০১ সদস্যের পূর্ণা’ঙ্গ কমিটি ঘো’ষণা করা হলে তা পুনর্গঠনের দা’বিতে আন্দো’লন শুরু করেন এতে স্থান না পাওয়া কিংবা প্রত্যা’শিত পদ না পাওয়া নেতারা।
তারা অভি’যোগ করেন, বিবাহিত, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবি’রোধী, চাকরিজীবী ও বিভিন্ন মামলার আসামিসহ নানা অভিযো’গবিদ্ধ অনেককে পদ দেওয়া হয়েছে, অন্যদিকে বঞ্চি’ত করা হয়েছে অনেক ত্যা’গী নেতাকে।

*এনিয়ে বিক্ষু’ব্ধদের সঙ্গে মারামা’রিও বাঁ’ধে কমিটিতে পদ পাওয়া নেতাদের। এরপর কর্মসূ’চি চালিয়ে যাওয়ার এক পর্যা’য়ে আশ্বাসে পিছু হ’টে বিক্ষু’ব্ধরা।
পদব’ঞ্চিত অনেকের অভিযোগ- বিত’র্কিত এই কমিটিতে স্থান পেয়েছেন হ’ত্যা-চেষ্টা মাম’লার আ’সামি, মাদ’কসেবী, বিএনপি-জামায়াত ও রা’জাকার পরিবারের সন্তান, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহি’ষ্কৃত, সন্ত্রা’স-চাঁ’দাবাজিতে যু’ক্ত, বিবাহিত, সংগঠনে নি’ষ্ক্রিয় এবং অ-ছাত্ররাও। তাছাড়া, সংগঠনের সভাপতি শোভন ও সাধারণ সম্পাদক রাব্বানীর বি’রুদ্ধে উঠেছে স্বজনপ্রী’তির অভি’যোগ।