প্রচ্ছদ আইন-আদালত “পিতার লা’লসার শি’কার মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকন্যা”

“পিতার লা’লসার শি’কার মাদ্রাসা পড়ুয়া শিশুকন্যা”

44

*সিলেটের ওসমানীনগরে দীর্ঘদিন ধরে পিতার লা’লসার শি’কার হয়ে আসছে মাদ্রাসায় পড়ুয়া এক শিশুকন্যা (১৪)। উপজেলার দয়ামীর ইউনিয়নের রাইকারা (নোয়াগাঁও) গ্রামে এ ঘ’টনা ঘ’টে। বিষয়টি জানাজা’নি হওয়ায় পলা’তক রয়েছেন পিতা। এ ঘট’নায় রবিবার ওসমানীনগর থানায় মাম’লা দায়ের করেছেন শিশুটির চাচী।

*জানা যায়, নির্যা’তনের শি’কার শিশুটি স্থানীয় একটি মাদ্রাসার চতুর্থ শ্রেণির আবাসিক শিক্ষার্থী। গত রমজানের ছুটিতে বাড়ি এসে প্রায় দেড়মাস অব’স্থান করে। এ সময় তার পিতা নিয়মিত তাকে জো’রপূর্বক নি’র্যাতন করতেন। ভ’য়ে বিষয়টি গোপ’ন রেখে মেয়েটি আবারো মাদ্রাসায় ফিরে যায়। পরবর্তীতে গত ঈদুল আযহার ছুটিতে বাড়ি এলে আবারো তার ওপর যৌ’ন নির্যা’তন চালান পিতা। এতদিন ভ’য়ে বিষয়টি গো’পন রাখলেও গত বৃহস্পতিবার শিশুটি বাড়িতে ফিরে ঘ’টনাটি তার বড় চাচীকে জানায়। রবিবার শিশুটির চাচী শিশুটিকে নিয়ে থানায় হাজির হয়ে একটি ধর্ষ’ণ মা’মলা দা’য়ের করেছেন।

*ভিকটিমের চাচী জানান, প্রায় ৬ বছর পূর্বে মাসুক মিয়ার প্রথম স্ত্রী ৪ কন্যা সন্তান রেখে মা’রা গেলে তিনি আরো দুটি বিয়ে করেন। কিন্তু বনিব’না না হওয়ায় পরের বিয়েগুলো ভে’ঙে যায়। নির্যা’তিত শিশুসহ তারা তিন বোন মাদ্রাসায় থেকে লেখাপড়া করছে এবং ছোটটি আমার কাছে রয়েছে। গত বৃহস্পতিবার মাদ্রাসা থেকে ফিরে শিশুটি (নির্যা’তিতা) এই ঘটনাটি খু’লে বললে আমি স্থানীয় মেম্বারকে অ’বগত করে পুলিশের কাছে যাই।

*নির্যাত’নের শি’কার শিশু বলে, আমার বাবা রমজান মাসের আগ থেকে জো’র করে আমার সাথে খারা’প কাজ করছেন। ভ’য়ে কাউকে কিছু বলিনি। শেষ পর্যন্ত ছোটবোনের টানে গত বৃহস্পতিবার বাড়ি এসে রাতে চাচীর ঘরে অবস্থান করে চাচীকে ঘ’টনাটি খু’লে বলি।

*ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসমানীনগর থানার ওসি এসএম আল মামুন ঘট’নার সত্যতা নি’শ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি নিজেই ত’দন্ত করে দেখছি। নির্যা’তনের শি’কার শিশুর ডাক্তারী পরী’ক্ষার জন্য তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) প্রেরণ করা হয়েছে।