প্রচ্ছদ বিশ্ব “এনআরসি’র চূড়ান্ত তা’লিকাতেও স্থান হয়নি ভারতীয় সে’না কর্মকর্তার”

“এনআরসি’র চূড়ান্ত তা’লিকাতেও স্থান হয়নি ভারতীয় সে’না কর্মকর্তার”

40

*গত বছরেই খবরের শিরোনামে এসেছিলেন সে’নাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত জুনিয়র কমিশন্ড অফিসার মহম্মদ সানাউল্লা। দীর্ঘদিন সে’নাবাহিনীতে কাজ করার পরেও তিনি বাদ পড়েছিলেন আসামের নাগরিক তা’লিকার খসড়া থেকে। তাকে বিদেশি বলে চিহ্নি’ত করে পাঠানো হয়েছিল ডিটে’নশন ক্যা’ম্পে। শনিবার আসামে যে চূ’ড়ান্ত নাগরিক তা’লিকা প্রকা’শিত হয়েছে, তাতেও মহম্মদ সানাউল্লার নাম নেই। তার দুই মেয়ে ও এক ছেলের নামও সেই তা’লিকায় নেই। কিন্তু সানাউল্লার স্ত্রীর নাম তা’লিকায় আছে।

*আজ শনিবার সকালে প্রকাশিত নাগরিক তা’লিকায় ১৯ লক্ষ লোকের নাম বাদ পড়েছে। তাদের এখন ফরেনার্স ট্রাইব্যুনালে আ’বেদন করতে হবে। মহম্মদ সানাউল্লা তার নাম বাদ পড়ার পরে গুয়াহাটি হাইকোর্টে আ’বেদন করেছিলেন। বিচারপতি তাকে ডি’টেনশন ক্যা’ম্প থেকে ছে’ড়ে দিতে বলেন। কিন্তু তাকে ভারতীয় নাগরিক বলে ঘো’ষণা করা হয় না। সানাউল্লা আ’র্জি জানিয়েছিলেন, তাকে যেন বিদেশি বলে গণ্য না করা হয়। এ সম্পর্কে এখনও শু’নানি চলছে।

*সানাউল্লা একসময় সে’নাবাহিনীর সুবেদার ছিলেন। এখন তার বয়স ৫২। ১৯৮৭ সালে তিনি সে’নাবাহিনীর চাকরিতে যোগ দেন। তিনি দু’বার জম্মু-কাশ্মীরে এবং একবার মণিপুরে কর্মরত ছিলেন। আসাম সরকারের অফিসার চন্দ্রমল দাস ত’দন্ত করে সানাউল্লাকে বিদেশি বলে ঘো’ষণা করেন। ২০০৮ সালে তাকে নোটিশ দিয়ে বলা হয়, আপনি যে ভারতীয় তা প্রমাণ করুন। ২০১৮ সালে তিনি ট্রা’ইব্যুনালের সামনে হাজির হন। ২৩ মে তাকে বিদেশি বলে ঘো’ষণা করা হয়। তারপর তাকে গোয়ালপাড়ায় ডি’টেনশন ক্যা’ম্পে পা’ঠানো হয়।
ভারতীয় সে’নাবাহিনীর এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী ডি’টেনশন ক্যা’ম্পে আ’টকে আছেন বলে খবর ছ’ড়িয়ে প’ড়ার পরে মু’খ খো’লেন চন্দ্রমল দাস। ততদিনে তিনি অবসর নিয়েছেন। সূত্র: দ্য ওয়াল।