প্রচ্ছদ আইন-আদালত “বিয়ের নামে টাকা হা’তিয়ে নিয়ে নারী পুলিশ সদস্য কা’রাগারে”

“বিয়ের নামে টাকা হা’তিয়ে নিয়ে নারী পুলিশ সদস্য কা’রাগারে”

222

*পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় প্রতা’রণার মাধ্যমে পাত্রপক্ষের কয়েক লাখ টাকা হা’তিয়ে নেওয়ার মা’মলায় মিমি আক্তার (২০) নামে এক নারী পুলিশ সদস্যকে কারা’গারে পাঠি’য়েছেন আ’দালত। এ সময় মিমি আক্তারের বাবা আব্দুল মান্নান সিকদারকেও কারা’গারে পা’ঠানো হয়।
গতকাল বৃহস্পতিবার মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আল-ফয়সাল তাদের জা’মিন আবেদন নামঞ্জুর করে কা’রাগারে পা’ঠানোর আ’দেশ দেন। মিমি আক্তার ঢাকা মিল ব্যারাক পুলিশ লাইনে কর্মরত।

*বিষয়টি নিশ্চিত করে বাদীপক্ষের আইনজীবী জামাল হোসেন জানান, বৃহস্পতিবার আসা’মিরা আদা’লতে হাজির হয়ে জা’মিন আ’বেদন করেন। কিন্তু আদালত মিমি ও তার বাবা মান্নান সিকদারকে জে’ল হা’জতে পা’ঠানোর আ’দেশ দেন। তবে মিমির মা খাদিজা বেগমের জামিন মঞ্জুর করেন।

*মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মঠবাড়িয়া উপজেলার বেতমোর গ্রামের নুরুল ইসলাম ফরাজীর ছেলে ফিরোজ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে সিঙ্গাপুর প্রবাসী। সিঙ্গাপুর থাকা অবস্থায় ফিরোজের বাবা-মা ছেলের বিয়ের জন্য পাত্রী দেখতে শুরু করেন। এরই সূত্র ধরে কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠী গ্রামের আব্দুল মান্নান সিকদারের মেয়ে মিমি আক্তারকে পছন্দ করে উভয়পক্ষ পারিবারিকভাবে বিয়ের সি’দ্ধান্ত চূ’ড়ান্ত করে।

*পরে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে স্বর্ণালংকার পরিয়ে তাদের এনগেজমেন্ট সম্পন্ন হয়। তবে মেয়ে প্রা’প্তবয়স্ক না হওয়ায় বয়স ১৮ বছর পূর্ণ হলে বিয়ের রেজিস্ট্রি সম্পন্ন হবে বলে কথা হয়।
এরপর উভয় পরিবারের মধ্যে ঘ’নিষ্ঠতা তৈরি হয়। ছেলে-মেয়ের মধ্যে মোবাইলে যোগাযোগ হয়। মেয়েকে নতুন মোবাইল ফোন কিনে দেন বরপক্ষের পরিবার। মেয়ের পড়াশোনার খরচ ছেলে বহন করে। এ ছাড়া চাকরির কথা বলে ছেলের কাছ থেকে টাকা ও বিভিন্ন মালামালসহ সর্বমোট চার লাখের বেশি টাকা নেয় মেয়ে ও তার বাবা।

*এদিকে মিমির পুলিশে চাকরি হয়। ফিরোজ দেশে এসে বিয়ে করতে চাইলে বিয়ে করতে অ’স্বীকার করে মিমি। পরে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে মোবাইল ফোন, স্বর্ণালংকার ও বিদেশ থেকে পা’ঠানো টাকা ফে’রত চাইলে তা দিতে অ’স্বীকার করে এবং মামলা দিয়ে হ’য়রানির হু’মকি দিয়ে তা’ড়িয়ে দেওয়া হয়।

*এ ঘটনায় ফিরোজের বাবা নুরুল ইসলাম ফরাজী বা’দী হয়ে মঠবাড়িয়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদাল’তে মিমি ও তার মা-বাবাকে আসামি করে মা’মলা দা’য়ের করেন।
এরপর আদালত মঠবাড়িয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে মাম’লাটি ত’দন্ত করে প্রতি’বেদন দা’খিলের আ’দেশ দেন। মা’মলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে ঘটনার সত্যতা পেয়ে আদালতে প্রতি’বেদন দা’খিল করেন।