প্রচ্ছদ জীবন-যাপন “ডিসি’র অ’শ্লীল ভিডিও ভাইরাল, তদ’ন্ত করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ”

“ডিসি’র অ’শ্লীল ভিডিও ভাইরাল, তদ’ন্ত করবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ”

408

*সম্প্রতি জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীরের একটি অ’শ্লীল ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ভিডিওটিতে এক নারী অফিস সহকারীর সঙ্গে তাকে আ’পত্তিকর অবস্থায় দেখা গেছে। ভিডিওটি প্রকাশের পর থেকেই বিভিন্ন স্তরের মানুষ এর সমালোচনা করছেন। এর প্রেক্ষিতে আজ শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তারা বিষয়টি সম্পর্কে জানতে পেরেছে। অফিস খুললে বিষয়টি ত’দন্তের জন্য কমিটি গঠন করা হবে।

*নারীর সঙ্গে জামালপুরের ডিসির অনৈ’তিক ভিডিও নিয়ে তো’লপাড়

*জামালপুরের জেলা প্রশাসক (ডিসি) আহমেদ কবীর ও একজন নারীর ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিও নিয়ে সর্বমহলে তোলপাড় চলছে। নি’ন্দা ও ধি’ক্কারের ঝ’ড় উঠেছে সর্বত্র। তবে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর দাবি করেছেন, ভিডিওটি বানানো।
খন্দকার সোহেল আহমেদ নামের একটি আইডি থেকে ওই ভিডিও পোস্ট হওয়ার পর প্রশাসনিক, রাজনৈতিক, সামাজিকসহ নানা মহলে আলোচনা-সমালোচনার ঝ’ড় বইছে। বিষয়টি টক অব দ্য জামালপুরে পরিণত হয়েছে।

*৪ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ভিডিওটিতে দেখা যায়, জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর তার অফিসের গো’পনীয় কক্ষের বেডরুমে তার অফিসের এক নারী কর্মচারীকে জ’ড়িয়ে ধ’রে চু’মু খাচ্ছেন। ব্যাপক আলোকিত ওই কক্ষের ইলেকট্রিক লাইটের সুইচ অফ করছেন তিনি। ওই নারীর শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিচ্ছেন। একজন নারীর সাথে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর তার অফিসকক্ষের পাশের একটি বেডরুমে অ’ন্তরঙ্গ মুহূর্তে রয়েছেন। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরা টু থেকে ভিডিওটি ধারণ করা।

*ওই জেলা প্রশাসকের নারী কে’লেঙ্কারি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে জামালপুরের নানা মহলে গু’ঞ্জন, কা’নাঘুষা চলছিল।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জেলা প্রশাসকের অধীন এক কর্মচারী জানান, বৃহস্পতিবার (২২ আগস্ট) রাত ১২টায় ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর নিজেকে বাঁচাতে তার সাথে ঘ’নিষ্ঠ স’ম্পর্কিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ এক সাংবাদিক নেতাকে নিয়ে রাত’ভর মিটিং করেন। ভোর ৬টায় মিটিং শেষে তারা জেলা প্রশাসকের বাসভবন থেকে বেরিয়ে যান।

*এ ব্যাপারে শুক্রবার (২৩ আগস্ট) দুপুর আড়াইটায় জামালপুর সার্কিট হাউস মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিং করেন জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর। প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি দাবি করেন, তার ভাব’মূর্তি ক্ষু’ণ্ন করার জন্য ফে’ক আইডি থেকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ও মেসেঞ্জারে ওই ভিডিও ভাইরাল করা হয়েছে।

*ফেসবুক মেসেঞ্জারে ভাইরাল হওয়া ভিডিও প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যে আইডি থেকে এই ভিডিও আপ’লোড করা হয়েছে, সেটা ফেক আইডি। ভিডিওটি এডিট করা বলে তিনি দাবি করেন। তখন সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন, আপনার খাসকামরার ব্যাকগ্রাউন্ড, বেডকভার, কাপড়চোপড় হু’বহু আপনার, এটা কীভাবে সাজানো হয়? এ প্রসঙ্গে তিনি কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি।

*জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিসি ক্যামেরা টু থেকে ধারণ করা ভিডিওতে আপনার চেহারা স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলেও তিনি কিছুক্ষণ নীরব থেকে বলেন, এ বিষয়ে ত’দন্ত চলছে। সাংবাদিকরা জানতে চান, অভি’যোগটি আপনার বিরুদ্ধে, তাহলে কে ত’দন্ত করবে? উত্তরে তিনি জানান, এটি ইন্টারনাল বিষয়। অফিশিয়ালি এ বিষয়ে ত’দন্ত করা হবে।

*একাধিক সূত্রে জানা গেছে, জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীর জামালপুরে যোগদান করেন ২০১৭ সালের ২৭ মে। যোগদানের কিছুদিন পর থেকেই তিনি তার অফিসকক্ষের পাশে ছোট্ট একটি কক্ষে ধূ’মপান ও ব্যক্তিগত সরকারি গোপনীয় বৈঠকের জন্য কক্ষটি ব্যবহার করে আসছেন। সম্প্রতি ওই কক্ষে বিশ্রাম নেওয়ার জন্য একটি খাট বসানো হয়েছে। তাতে বিশ্রাম নেয়ার মতো বালিশ, চাদর সবকিছুই আছে। সম্প্রতি ওই কক্ষে একাধিক নারীর যাতায়াতকে কেন্দ্র করে গোটা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মাঝে দীর্ঘদিন ধরে নানা গুঞ্জ’ন শোনা যাচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত সেখানে একজন নারীর সাথে জেলা প্রশাসক আহমেদ কবীরের অবৈ’ধ মেলা’মেশার ভিডিওটি ফেসবুকে, ফেসবুক থেকে ডাউনলোড করে মেসেঞ্জারে, মোবাইল থেকে মোবাইলে এবং ইমেইেলে ছ’ড়িয়ে পড়ায় আগে শোনা সেই গু’ঞ্জন শেষপর্যন্ত বাস্তবে রূপ নিয়েছে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।