প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত “হাদিসে বর্ণিত খাঁটি ইসলামী চিকিৎসা”

“হাদিসে বর্ণিত খাঁটি ইসলামী চিকিৎসা”

কায়সার আহমেদ

44

*বকরী ঈদ-এর শুভেচ্ছা স্বরূপ চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত কয়েকটি মূল্যবান ‘সহীহ’ হাদিস মুমিনদের খেদমতে নিম্নে পেশ করা হলো;

*-আয়শা থেকে বর্ণিত, “নবীকরিম (স) বলেছেন, প্রতিদিন ৭টি করে আজোয়া খেজুর খেলে কখনো সাপে কাটা বিষের ক্রিয়া হবে না এবং জাদুর প্রভাব শরীরে পড়বে না।” (সহীহ বুখারী, ৬৩/৫৩৫৬)।
-আয়শা থেকে বর্ণিত, “রসূল (স) বলেছেন, কালোজিরা হচ্ছে একমাত্র মৃ’ত্যু ছাড়া সকল রোগের ওষুধ।” (সহীহ বুখারী, ৬৩/৫২৮৩)।

*-আনাজ থেকে বর্ণিত, “রসূল (স) বলেছেন, সূরা নাস এবং সূরা ফালাক পাঠ করে ঘর থেকে বেরুলে সাপের দংশন, বদনজর এবং জাদুটোনা কখনো ক্ষতি করতে পারবে না।” (ইবনে মাজা, ৭৫১৭)।
-আয়শা বর্ণিত, “রসূল (স) বলেছেন, সংক্রামক রোগ বলে কিছু নেই, আল্লাহ একজনের রোগ আরেকজনের শরীরে ছড়িয়ে দেন না।” (বুখারী, ৬৩/৫০৩০৭)।

*-আয়শা বর্ণিত, “নবীপাক (স) বলেছেন শরীরের জ্বর আসে জাহান্নামের আগুনের উত্তাপ থেকে।” (বুখারী, ৬৩/ ৫৩১২)।
-আবু হুরায়রা বর্ণিত, “নারীদের মা’সিক সময়মতো বন্ধ না হয়ে অতিরিক্ত কয়েকদিন চলতে থাকলে বুঝে নিতে হবে এরপিছনে রয়েছে শয়তানের ঘৃ’ণ্য ষ’ড়যন্ত্র।” (সুনান আবু দাউদ)।

*-আয়শা বর্ণিত, “রসূলপাকের (স) মৃত্যুর সময় তিনি সূরা নাস এবং ফালাক পড়ে নিজের দুইহাতে অনেকবার ফুঁ দিয়েছেন। পরে রোগ না কমাতে আমি নিজেও সূরা নাস এবং ফালাক পড়ে রসূলের দুইহাতে অনবরত ফুঁ দিয়েছি। এরপরেও রোগ কমেনি। তিনি মৃত্যুর দিকেই যেতে থাকেন।” (সহীহ বুখারী, ৬৩/৫৩২৪)।

*এইসব ‘গুপ্তধন’ সহীহ হাদিসগুলোর ‘কদর’ কয়েকশো বছর আগেও অনেক বেশি ছিল, যখন মেডিকেল সাইন্স এর যাত্রা শুরু হয়নি। আজ ইহুদি-নাসারাদের আবিষ্কৃত ওষুধ খেয়ে মুমিনরা এতটাই ‘কমিন’ হয়ে উঠেছে যে, এগুলোর কথা শুনলেই উল্টা চা’পাতি দিয়া দৌড়ায়। অথবা ঈমাম বোখারী, ঈমাম মুসলিমকে ‘মিথ্যাবাদী’ ইহুদীর দা’লাল বলে। আফসোস! মুমিনদের আজ এতো ন’গ্ন অধঃপতন।