প্রচ্ছদ বিনোদন “অসংখ্য নারীর সাথে নোবেলের দৈহিক সম্পর্ক ফাঁ’স”

“অসংখ্য নারীর সাথে নোবেলের দৈহিক সম্পর্ক ফাঁ’স”

719

*নোবেল, বাংলাদেশের লাখো মেয়ের ভালোবাসা। লাখো ছেলের আইডল। কিন্তু একমাত্র গোপালগঞ্জবাসীরাই চিনে ওর আসল রূপ। আজ আমি আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিবো ভোলাভালা চেহারার পিছে লুকিয়ে থাকা এক হিং’স্র জানো’য়ারের সাথে যাকে আপনারা সবাই নোবেলম্যান নামে চিনেন।

*অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের মিথ্যা প্রেমের জালে ফাঁ’সিয়ে ইজ্জত নিয়ে ছেড়ে দেওয়ার উপর যদি নোবেল থাকতো, তাহলে তা এই সারেগামাপা খ্যাত মা’দকাসক্ত নোবেল-ই পেতো।  মা’দক আর নারীর নে’শায় আ’সক্ত নোবেলকে আজ যখন কোটি মানুষ আইডল মানে, তা দেখে আসলেই দেশের ফিউচার জেনারেশান নিয়ে খুব ভয় হয়। মা’দকাসক্ততার কারণে দুইবার রিহ্যাবে গিয়ে মা’দকের নে’শা থেকে কয়েকদিন দূরে ছিল। কিন্ত নারীর নে’শার জন্য তো রিহ্যাব নেই। আর এটি কাল হয়ে দাঁড়িয়েছে শত শত মেয়ের জন্য।

*নোবেলের প্রতারণার শিকার এক মেয়ের বক্তব্য তুলে ধরা হলো: নোবেলের সাথে আমার পরিচয় হয় গতবছরে, যখন আমার বয়স মাত্র ১৫। প্রেম-ভালোবাসা এগুলো তত বুঝতাম না। নোবেল আমাকে বুঝতে শিখায় ভালোবাসা কি। বয়স কম থাকার কারণে ওর প্রতিটা ফাঁদে খুব সহজেই পড়ে যাই। এই ফাঁ’দে শুধু আমি পড়িনি। আমার মত আরো অনেক মেয়েই পড়েছে। মেয়েগুলো বেশিরভাগই অপ্রাপ্তবয়স্ক ছিল। কিন্ত নোবেলের বিরুদ্ধে মুখ খুলার সাহস সব মেয়েগুলোর দিন দিন নোবেলের জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ক্রমশ কমতে থাকে। আজ আমি কিছুটা সাহস নিয়ে আসলাম। আমি ডিপ্রেশানে চলে গিয়েছি। মাঝে মাঝে নিজের জীবনটা দিয়ে দিতে মন চায়। কিন্ত আত্মহ’ত্যা মহাপাপ বলে তা পারি না। যদিও আমার আত্মাটা নোবেল আরো আগেই মে’রে ফেলেছে।

*আপনারা সবাই ভাবছেন নোবেল এগুলো কেমনে করে? আমি যদি বলি ওর এই সকল কুকর্ম ওর বাবা-মাও জানেন, তাহলে বিশ্বাস করবেন? প্রত্যেকটা মেয়েকে ও ওর বাসায় নিয়ে যায় ফিজিক্যালি ইনভল্ব হওয়ার জন্য। ওর বাবা-মার সাথেও পরিচয় করায় বন্ধু হিসেবে। অন্যদিকে মেয়েটাকে আশ্বাস দেয় যে বাবা-মার সাথেতো পরিচয় হয়েছেই বিয়েও করবে মেয়েটাকে। এখনতো সব করা যায়। আমিও এই ফাঁদে পা দিয়েছি। ওর পিপাসা মিটলে ওর ওই বাবা-মার সামনেই মেয়েটাকে অ’পমান করে বের করে দেয়। আর ওর বাবা-মা কিছুই বলে না। তাই ওর এমন হওয়ার পিছনে ওর পরিবারও দায়ী। নোবেলের নিজের একটা বোন আছে। কিভাবে সে অন্যের বোনের জীবন এভাবে ধ্বংস করে আমার জানা নেই। অনেকেই বলবেন ওর নামে কেস করতে। ওর নামে কেস করেও লাভ নেই।

*সবশেষে বলবো যে আমি জানি এই সমাজ আমাকেই খারাপ বলবে। আমি-ই গা’লি খাবো নোবেলের ফ্যানদের থেকে। কারণ আমাদের সমাজে সব দোষ মেয়েদেরই হয়। এই পোস্ট দিয়ে নোবেলের কিছুই হবে না এটাও আমি জানি। কিন্তু যাই হোক না হোক, আমার ভিতরের মৃত আত্মাটার কিছুটা শান্তি হবে এই জানো’য়ারটাকে সবার সামনে তুলে ধরতে পারলে। ওর আসল চেহারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষের দেখা উচিৎ। ওর মত ছেলে লাখো ছেলের আইডল হোক, এটি মেনে নেওয়া যায় না। শত মেয়ের জীবন নষ্টের কারণ কোন মেয়ের ক্রাশ হতে পারে না।

*ওর ব্যাপারে সর্বশেষ জানলাম যে, ঈদের আগের দিনও মা’তাল হয়ে গোপালগঞ্জের একজনের উপরে মোটরসাইকেল উঠিয়ে দেয়। তার মানে রিহ্যাবে গিয়েও লাভ হয়নি। ও এখনো মা’দক সেবন করে। আর নারীর নে’শা কাটানোর জন্যতো রিহ্যাব ও নেই। এই নে’শা ওর কাটবে না।