প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় “মাটিতে পুঁ’তে ফেলা হলো কোরবানির পশুর চামড়া”

“মাটিতে পুঁ’তে ফেলা হলো কোরবানির পশুর চামড়া”

52

*কোরবানির পশুর চামড়া মাটিতে পুঁ’তে ফেলেছেন কোরবানিদাতারা। এমন ঘটনা ঘটেছে গোটা নীলফামারীতে। চামড়া কেনার লোক না পাওয়া যাওয়ায় সারাদিন অপেক্ষার পর বাধ্য হয়েই কোরবানিদাতারা চামড়া মাটিতে পুঁ’তে ফেলেন।
জেলা শহর ছাড়াও সৈয়দপুর, ডোমার, ডিমলা, জলঢাকা ও কিশোরগঞ্জ উপজেলাতেও একই চিত্র দেখা গেছে। জানা যায়, সারাদিনেও এসব এলাকায় কোনো চামড়া কেনার লোক মিলেনি। ফলে বাধ্য হয়ে অনেকেই মাটিতে গর্ত করে পুঁ’তে ফেলেছেন গরু ও খাসির চামড়া।

*জেলার সৈয়দপুরের কামারপুকুর ইউনিয়নের হাসান ৫০ হাজার টাকা দামের গরুর চামড়া সৈয়দপুর আড়তে নিয়ে যান। সেখানে ৮০ টাকা দাম বলা হয়। আর বলা হয় দিলে দেন, নাহলে বাড়ি নিয়ে যান। বাধ্য হয়ে রা’গে-ক্ষো’ভে চামড়াটি বাড়িতে নিয়ে এসে মাটিতে পুঁতে ফেলেন।

*সিলেটে ৮০০ চামড়া রাস্তায় ফেলে মাদ্রাসার প্রতিবাদ

*প্রতিবারের মতো এবারও ঈদুল আজহায় সিলেটে নগরীর বিভিন্ন বাসা থেকে প্রায় ৮০০ পশুর চামড়া সংগ্রহ করেছিল খাসদবির দারুস সালাম মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা। এ চামড়া বিক্রি করে যে টাকা আয় হতো তা দিয়ে মাদ্রাসার কিছুটা খরচ চলত। কিন্তু অন্যান্যবারের মতো এবারো চামড়াগুলো সংগ্রহ করলেও ন্যায্য দাম না পাওয়ায় সেগুলো রাস্তায় ফেলে এসেছেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।

*জানা গেছে, সারাদিনে সংগ্রহ করা ৮০০টি পশুর চামড়া নিয়ে রাতে আম্বরখানায় বিক্রি করতে নিয়ে গিয়েছিলেন মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। কিন্তু ক্রেতারা মাত্র ২৫-৩০ টাকা দাম করছিলেন প্রতিপিস চামড়ার। এসময় চামড়া সিলেটের ব্যবসায়ীরা অজুহাত দেখান তারা গতবারের দেয়া চামড়ার টাকাই এখনো ঢাকা থেকে পাননি। সেগুলো বকেয়া থাকায় এবার তারা দাম দিয়ে চামড়া কিনতে পারছেন না। এমনকি এই টাকায় তারা যে চামড়াগুলো কিনছেন সেগুলোও বিক্রি করা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা।

*একপর্যায়ে মাদ্রাসার পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের ন্যায্য দাম দেয়ার দাবি জানিয়ে বলা হয় প্রয়োজনে বাকিতে চামড়াগুলো কিনে নিতে। ছয়মাস পরে টাকা দিলেও হবে। কিন্তু ব্যবসায়ীরা সেটিও মানেন নি।ফলে চামড়া ব্যবসায়ীদের গঠিত সিন্ডিকেটের প্রতিবাদ স্বরুপ ৮০০ চামড়া আম্বরখানায় ফেলে চলে যান তারা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ।