প্রচ্ছদ বিনোদন জেমসকে নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছেন বিতর্কিত নোবেল

জেমসকে নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছেন বিতর্কিত নোবেল

223
জেমসকে নিয়ে যে মিথ্যাচার করেছেন বিতর্কিত নোবেল

*ভারতের জি বাংলার ‘সারেগামাপা’তে জেমসের গান দিয়ে দিয়ে নোবেলের প্রবেশ। ফাইনালের আগ পর্যন্ত জেমসের বেশ কয়েকটি গান করেছেন। যাঁর গান কাভার করে ভারত-বাংলাদেশ দুই দেশে সাড়া ফেলে দিয়েছেন, সেই জেমসকে নিয়ে নোবেলের মিথ্যাচারের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

*নোবেল বলেন, ‘জেমসের সঙ্গে আমার পার্সোনাল কোনো যোগাযোগ নেই। ব্যক্তিগতভাবে উনাকে আমি খুবই শ্রদ্ধা করি। উনার অনেক গানই গেয়েছি, আমার ওয়ান অব দ্য মোস্ট ফেভারিট সং ‘পাগলা হাওয়া’ এই গানটা গেয়েছিলাম ‘সারেগামাপা’য়। যে এপিসোডে ‘রূপালি গিটার’ প্রচারিত হয়েছিল, ওই এপিসোডেই গেয়েছিলাম ‘পাগলা হাওয়া’ কিন্তু গানটি টেলিকাস্ট হয়নি। কেন হয়নি, সেটা আজ আপনার মাধ্যমে জানাতে চাই।’

*তিনি তা নিয়ে বলেন, ‘জেমস ভাই তাঁর ম্যানেজারকে দিয়ে ফোন করান এবং বলেন, ‘পাগলা হাওয়া’ গানটা যেন টেলিকাস্ট না হয়। আমাকে জেলে পাঠানোর হুমকি পর্যন্ত দেওয়া হয়, এমন নানা রকমের আন-এক্সপেক্টেড কার্যকলাপ হয়েছে আর কি! একজন আইডলের কাছ থেকে এ ধরনের হুমকি-ধমকি সত্যিই অপ্রত্যাশিত। আমি উনার ছেলের বয়সী। এর পরও জেমস ভাইয়ের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা কখনোই কমবে না। বিষয়টা সংবাদমাধ্যমে জানাতে ইচ্ছা হলো, তাই জানালাম। কেননা গানটার অডিও ইউটিউবে দেওয়ার পর অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, গানটি কেন প্রচারিত হয়নি?’

*জেমসের ব্যবস্থাপক রুবাইয়াৎ ঠাকুর রবিন জানিয়েছেন, ‘এরকম কিছু হয়েছে বলে আমার জানা নেই। তাছাড়া বস এমন প্রতিযোগিতা তেমন দেখেনও না। তিনি এমনিতেই প্রচুর ব্যস্ত থাকে। কোথাকার কোন নোবেল কি বললো তানিয়ে আসলে বসের ভাববার তো সময় নেই। তবে নোবেল যদি মিথ্যে অভিযোগ করে তার সম্মান ক্ষুণ্ন করতে চায়, তাহলে সেটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে হবে। কারণ এটা তো সবারই জানা, বাংলাদেশের শিল্পীদের মধ্যে বসের ভক্ত সবচেয়ে বেশি। এই বিশাল ভক্ত নিশ্চয়ই কারো এমন অভিযোগ মেনে নিবে না। তাছাড়া তার গান কেউ অশুদ্ধ গাইবে সেটাও তো মানা যায় না। সেক্ষেত্রে তাকে নিষেধ করাটাও তো দোষের কিছু দেখি না।’