প্রচ্ছদ Uncategorized “তারেক জিয়ার গুজব ষড়যন্ত্রের রিপোর্ট শেখ হাসিনার হাতে”

“তারেক জিয়ার গুজব ষড়যন্ত্রের রিপোর্ট শেখ হাসিনার হাতে”

147

*বাংলাদেশের পরিস্থিতি ঘোলাটে করা, সামাজিক অস্থিরতা তৈরী করা এবং জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য গুজব স’ন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে। ৩টি গোয়েন্দা সংস্থা তাদের সম্মিলিত রিপোর্টে উল্লেখ করেছে যে, চারটি দেশ থেকে এই গুজবগুলো পরিকল্পিতভাবে বাংলাদেশে ছড়ানো হচ্ছে। গুজব ছড়ানোর উদ্দেশ্য জনগণকে বিভ্রান্ত করা এবং সরকারকে অস্থস্তিকর অবস্থায় ফেলে ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো আজ এই রিপোর্ট লন্ডনে অবস্থানরত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করেছে বলে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেছে।

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, দেশের পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে তোলা, মানুষকে অস্থির এবং মানুষের মধ্যে উদ্বেগ আতঙ্ক গড়ে তোলার জন্য পরিকল্পিতভাবে গুজব স’ন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে। গোয়েন্দা সংস্থার তদন্তে দেখা যাচ্ছে যে, পদ্মা সেতুতে মাথা লাগবে এরকম গুজবটি প্রথম ছড়ানো হয়েছিল দুবাই থেকে। উল্লেখ্য যে, দুবাইতে একটি টেলিভিশনের মালিক এবং বেগম খালেদা জিয়ার ঘনিষ্ঠ সাবেক বিএনপি নেতা দীর্ঘদিন ধরে অবস্থান করছেন। দুর্নীতির দায় এড়ানোর জন্য তিনি দুবাই অবস্থান করছেন। তার তত্বাবধানে দুবাই থেকে বিএনপি নেতৃবৃন্দর অন্তত ১০০টি ফেসবুক খোলা হয়েছে, যেগুলোতে বাংলাদেশ এবং সরকার এবং প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে নানা রকম কল্পিত মিথ্যাচার এবং গুজব ছড়ানো হচ্ছে।

*গোয়েন্দা তদন্তে আরো দেখা গেছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জামাত এবং বিএনপির তত্বাবধানে শতাধিক ফেসবুক পাতা খোলা হয়েছে যেগুলোর একমাত্র কাজ হলো বাংলাদেশ সম্বন্ধে বিভ্রান্তিকর মিথ্যা এবং অসত্য ভিত্তিহীন গুজব ছড়ানো। এগুলো গত একমাসে অত্যন্ত সক্রিয়ভাবে পরিকল্পিত গুজব সন্ত্রাস চালাচ্ছে। তদন্তে আরো দেখা গেছে যে, সৌদি আরব থেকেও কয়েকটি ফেইসবুক পাতা এবং ওয়েব সাইটের মাধ্যমে গুজব সন্ত্রাস ছড়ানো হচ্ছে।

*গোয়েন্দা তদন্তে দেখা যাচ্ছে যে, লন্ডন থেকে এই গুজব স’ন্ত্রাসগুলো পরিকল্পনা করা হচ্ছে। লন্ডনে একটি মিনি হাওয়া ভবন তৈরি করা হয়েছে লন্ডনে পলাতক বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক জিয়ার তত্বাবধানে। তারেক জিয়া এই গুজব সন্ত্রাস ছড়ানোর জন্য একাধিক ব্যক্তিকে নিয়োগ দিয়েছেন যারা নানারকম গুজব ছড়াচ্ছে এবং এই গুজবগুলো বিভিন্ন দেশে বিএনপির এজেন্টদের মাধ্যমে ফেসবুকসহ বিভিন্ন সোশাল মাধ্যমে ছড়ানো হচ্ছে। সূত্রমতে, এই গুজব সন্ত্রাসের মূল উদ্দেশ্য হলো জনগণের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করা, জনগণকে অস্থির করে তোলা, তাদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে তোলা। ধারণা করা হচ্ছে, এরফলে সরকারের উপর জনগণের আস্থা কমে যাবে, জনগণ অসহিষ্ণু হয়ে উঠবে এবং পরিস্থিতি ঘোলাটে হয়ে যাবে।

*দ্বিতীয় লক্ষ্য হলো, সরকারের লোকজনকে বিভ্রান্ত করা, তাঁদেরকে ব্যতিব্যস্ত রাখা যেন তাঁরা বন্যা, ডেঙ্গুর মত দুর্যোগগুলোর দিকে নজর দিতে না পারে। বরং তাঁরা যেন নানারকম গুজবের পিছনে ছোটে।
গুজব সন্ত্রাসের তৃতীয় উদ্দেশ্য হলো যে, গুজব ছড়িয়ে এমন একটি পরিবেশ তৈরি করা যেন সেখান থেকে স্বাধীনতা বিরোধী জামাত-বিএনপি ফায়দা লুটতে পারে।

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, রাজনৈতিকভাবে সরকারকে পরাস্ত করতে ব্যর্থ বিনেপি জামাত ৩০ শে ডিসেম্বর এর নির্বাচনের পর থেকেই গুজবের নীল নকশা করছে এবং এখন তাঁর বাস্তবায়ন চলছে। তবে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বলছে, তাঁরা গুজবের উৎসগুলোকে চিহ্নিত করতে পেরেছে কারা গুজব ছড়িয়েছে তাদেরকেও চিহ্নিত করেছে এবং বাংলাদেশেও এই গুজবগুলো নিয়ে যারা রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করছে তাদেরকেও চিহ্নিত করতে পেরেছে। গুজব ও মিথ্যাচার যেন বন্ধ হয় সেজন্য ওই ফেসবুক আইডিগুলোকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং সেগুলোর কার্যক্রম বাংলাদেশে বন্ধের জন্য ইতিমধ্যেই বিটিআরসিকে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে পুলিশের আইজি বেশকিছু ফেসবুক পেজ এবং ওয়েব পোর্টাল বন্ধ করেছে এবং আরও কিছু ফেসবুক পেজ এবং ওয়েবপোর্টাল বন্ধের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।