প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় “ওবায়দুল কাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ নির্দেশনা”

“ওবায়দুল কাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ নির্দেশনা”

185
ওবায়দুল কাদেরকে প্রধানমন্ত্রীর ৫ নির্দেশনা

*প্রধানমন্ত্রী দেশে ফেরা পর্যন্ত মন্ত্রীদের সার্বিক কাজের তদারকির দায়িত্ব পেয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। প্রধানমন্ত্রী আজ ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে বর্তমান উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সুষ্ঠুভাবে সরকার পরিচালনার জন্য কিছু নির্দেশনা দেন। এই নির্দেশনাগুলোর অন্যতম প্রধান কাজ হলো মন্ত্রীদের কাজের সমন্বয় সাধন করা। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে ওবায়দুল কাদেরকে প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি নির্দেশনা দিয়েছেন। এই নির্দেশনাগুলোর মধ্যে রয়েছে:

*প্রথমত; বর্তমান সামগ্রিক পরিস্থিতিতে মন্ত্রীদের কাজের যেন সমন্বয় ঘটে সেই সমন্বয় সাধনের জন্য ওবায়দুল কাদের সার্বক্ষণিকভাবে স্থানীয় সরকার, স্বাস্থ্য এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন।
দ্বিতীয়ত; কোনো মন্ত্রী কোনো বিষয়ে বক্তব্য রাখার আগে ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে পরামর্শ করে নিবেন। ওবায়দুল কাদেরের কাছে বক্তব্যের বিষয়বস্তু আগে জেনে নিবেন।

*তৃতীয়ত; এক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীরা অন্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের দোষারোপ করবেন না এবং এব্যাপারে কোনোরকম কথা বলা হবে না।
চতুর্থত; সাম্প্রতিক সময়ে ইস্যুগুলো নিয়ে এখন যেসমস্ত মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ সেই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখবেন এবং তাঁদেরকে নিয়মিত পরামর্শ দিবেন। প্রধানমন্ত্রীর আকাঙ্ক্ষা এবং নির্দেশনাগুলোকে নিয়মিত জানিয়ে দিবেন।

*পঞ্চমত; বিরোধী দলগুলো যে পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে গুজব রটনা করবে এবং মিথ্যা অপপ্রচার করবে সেগুলো নিয়ে ওবায়দুল কাদের আওয়ামী লীগের একটি টীম তৈরি করবেন যারা বিরোধী দলের সমালোচনার জবাব দিবে।

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, যেহেতু প্রধানমন্ত্রীর সফর বিলম্বিত হচ্ছে, তিনি ৮ অথবা ৯ তারিখ দেশে ফিরবেন এই পরিস্থিতিতে তাঁর অনুপস্থিতিতে কেউ যেন সুযোগ নিতে না পারে এইজন্যই এরকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে। তৃতীয় মেয়াদে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরে ওবায়দুল কাদেরই দলের দ্বিতীয় ব্যক্তি হিসেবে পরিণত হয়েছিলেন। মাঝখানে শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি বেশ কিছুদিন সিঙ্গাপুরে চিকিৎসা গ্রহণ করার সময় তার শূন্যতা দল এবং সরকার অনুভব করেছিল। এখন প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে তিনি দল এবং সরকারের হাল ধরেছেন।

*সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা পাওয়ার পর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিনিয়র মন্ত্রীদের সঙ্গে কথা বলছেন, বিভিন্ন বিষয়ে কোন ধরনের বক্তব্য দিতে হবে, বিশেষ করে ডেঙ্গু ও বন্যা পরিস্থিতি মোকাবেলা, গুজব সন্ত্রাস মোকাবেলার ক্ষেত্রে কাকে কোন অবস্থান গ্রহণ করতে হবে, কোথায় কোন ধরনের বক্তব্য দিতে হবে, কোন ধরনের কর্মকাণ্ড পরিচালনা করতে হবে সে বিষয়ে সুস্পষ্ট নির্দেশনা ও পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি।

*সূত্রমতে, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওবায়দুল কাদেরের সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রয়েছে। যেকোনো বিষয়ে বা সমস্যায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পরামর্শ করছেন। সেই পরামর্শ অনুযায়ীই তিনি অন্যান্য মন্ত্রীদের নির্দেশনা প্রদান করছেন।