প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় ডেঙ্গু নিধনে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগে মেয়রদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ডেঙ্গু নিধনে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগে মেয়রদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

24
ডেঙ্গু নিধনে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগে মেয়রদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

ঢাকাসহ সাড়াদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় তা নিধনে কার্যকরী ওষুধ প্রয়োগ করতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র সাঈদ খোকন ও উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
আজ রবিবার এ কথা জানান আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেন, ডেঙ্গুকে সহজভাবে নিচ্ছে না সরকার।

ক্ষমা নয়, ভিন্ন কারণে বিদ্রোহী ও বিরোধিতাকারীদের শাস্তিতে দেরি

উপজেলা নির্বাচনে নৌকার বিরোধিতাকারী মন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও দলের প্রভাবশালী নেতাদের শাস্তির আওতায় আনার সিদ্ধান্ত থেকে কী আওয়ামী লীগ সরে এসেছে? এমন প্রশ্ন অনেকের মনে ঘুরছে। সরে আসেনি ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ। আপাতত বন্যা ও ত্রাণ কার্যক্রমের কারণে চিঠি ইস্যুতে বিলম্বিত হলেও আগামী ২৯ জুলাই সকাল ১১টায় পুনরায় সম্পাদকমন্ডলীর সভায় সিদ্ধান্ত কার্যকর করতে বৈঠকে বসবে আওয়ামী লীগ। এমন তথ্য কয়েকটি সূত্রে পাওয়া গেছে।

আপাতত বন্যা ও ত্রাণ কার্যক্রমের চিঠি ইস্যু করা হচ্ছে না। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেশে ফেরার পূর্ব পর্যন্ত অভিযোগকারীদের অভিযোগ জমা নেওয়া হবে। তার আগে আগামী ২৯ জুলাই দলীয় সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সকাল ১১টায় সম্পাদকমন্ডলীর এক সভা অনুষ্ঠিত হবে। সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে চিঠি ইস্যুর বিষয়টি কার্যকর করা হবে। শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগ সভাপতির কার্যালয়ে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের এই সিদ্ধান্তের কথা দপ্তর সংশ্লিষ্টদের অবহিত করেন।

এব্যাপারে ২০ জুলাই আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সম্পাদকমন্ডলীর সাথে সহযোগী সংগঠনগুলোর এক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের উপজেলা নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিদ্রোহী প্রার্থী ও বিদ্রোহী প্রার্থীদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুসারে অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই-বাছাই শেষে ২৮ জুলাই থেকে সাংগঠনিক শাস্তি ইমপ্লিমেন্টেশন শুরু করা হবে বলে জানান। সেদিন তিনি বলেন, যারা উপজেলা নির্বাচনে বিদ্রোহ করেছে এবং যারা মদদ দিয়েছে তাদের ব্যাপারে আমরা সুনির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত নিয়েছি, সেই সিদ্ধান্তের ইমপ্লিমেন্টেশন করবো। এনিয়ে আজকে আমরা আলাপ আলোচনা করেছি। আমাদের বিভাগীয় পর্যায়ের দায়িত্বরত যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদকদের নেতৃত্বে টিম আছে, এই দায়িত্বপ্রাপ্ত টিমগুলো এই কমপ্লেইনগুলো দেখবে।’

এ পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অফিসে ২০০টির মতো অভিযোগ জমা পড়েছে জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘এই অভিযোগগুলো স্ব স্ব বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতৃবৃন্দকে দিয়ে দিচ্ছি। কারণ কোন অভিযোগ ব্যক্তিগত শত্রুতায় অনেক সময় দিয়ে থাকতে পারে। কাজেই বিষয়গুলো দেখার জন্য তারা দায়িত্ব পালন করবেন ২৭ জুলাই পর্যন্ত। ২৮ তারিখ থেকে আমরা বিভাগীয় টিমের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ইমপ্লিমেন্টেশন প্রসেসিংয়ে যাবো। কাউকে শোকজ এবং কাউকে সাসপেন্ড করে শোকজ। আবার কাউকে কারণ দর্শাতে বলা হবে। সেটা কার্যকর বাস্তবায়নের কার্যকারিতা শুরু হবে ২৮ জুলাই থেকে।’

এদিকে গত ১২জুলাই প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে ১২ জুলাই অনুষ্ঠিত আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদ ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সভায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের সাময়িক বহিষ্কার ও শোকজের সিদ্ধান্ত হয়। বলা হয়, নৌকার প্রার্থীর বিপক্ষে যেসব মন্ত্রী-এমপি ও প্রভাবশালী নেতা কাজ করেছেন, তাদেরও কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠাবে আওয়ামী লীগ।

এদিকে উপজেলা নির্বাচন নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী ও নৌকার বিরোধীতাকারীদের বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০০ অভিযোগ আওয়ামী লীগ সভাপতির রাজনৈতিক কার্যালয়ে জমা পড়েছে। এসব অভিযোগ বিভাগওয়ারী করে ফাইলিং করা হয়েছে বলেও জানান সূত্রটি।

উপজেলা নির্বাচন নিয়ে এসব অভিযোগে তৃণমূলে দলীয় কোন্দল ও বিরোধীতার বিষয়টি কোনো উপজেলায় ত্রিমুখী, কোথাও দলীয় সংসদ সদস্য ও স্থানীয় নেতাদের মধ্যে গ্রুপিং দ্বন্দ্বের বিষয়টি স্পষ্টভাবে ফুঠে উঠেছে।