প্রচ্ছদ খেলা ক্রিকেট “চূড়ান্ত হয়ে গেল টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ!”

“চূড়ান্ত হয়ে গেল টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ!”

617
চূড়ান্ত হয়ে গেল টিম ইন্ডিয়ার হেড কোচ!

ক্রিকেটের নতুন উপদেষ্টা কমিটি দায়িত্ব পেয়েছে ২৪ ঘণ্টাও হয়নি। প্রধান কোচসহ সমস্ত সাপোর্ট স্টাফদের বেছে নেবে ক্রিকেটের অ্যাডভাইসরি কমিটি। এর মধ্যেই খবর ফাঁ*স। রবি শাস্ত্রী পুনরায় থাকতে চলেছেন ভারতীয় কোচের পদে। উপদেষ্টা কমিটির অন্যতম সদস্য অংশুমান গায়কোয়াড় কম-বেশি নিশ্চিত শাস্ত্রীকেই রাখা হবে।

১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯- দু’বছর জাতীয় দলের কোচ ছিলেন গায়কোয়াড়। তিনি সরাসরি জানিয়ে দিয়েছেন, শাস্ত্রীকে সরানোর কোনও চিন্তাভাবনাই নেই। কারণ হিসেবে রবি শাস্ত্রী’র পারফরম্যান্সকেই তুলে ধরছেন তিনি। তবে হেড কোচ নিয়ে উপদেষ্টা কমিটির কোনও পৃথক চিন্তা-ভাবনা না থাকলেও ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং কোচ, স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং কোচ এবং একজন প্রশাসনিক ম্যানেজার বেছে নেওয়া হবে আবেদনকারীদের মধ্য থেকে। বোর্ড সূত্রের খবর, ভারতীয় দলের অধিকাংশ ক্রিকেটারই কোচ রবি শাস্ত্রীর কাজে খুশি। সেই কারণেই তিনিই প্রথম পছন্দ সকলের। বোলিং কোচ ভরত অরুণও পুনরায় আবেদন করেছেন। তবে ব্যাটিং কোচ সঞ্জয় বাঙ্গারের চাকরি সম্ভবত থাকছে না।

গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে গায়কোয়াড় জানিয়েছেন, “পারফরম্যান্স বিচার্য হলে, রবি শাস্ত্রী যথেষ্ট ভাল কাজ করেছেন। রবি শাস্ত্রীর বিষয় বাদ দিলে অন্য কোচিং পজিশনে বাছাই করা হবে। এটা নির্ভর করছে, কে আবেদন করছেন এবং বিসিসিআইয়ের নিজস্ব যোগ্যতামান তাদের রয়েছে কিনা, এই বিষয়ের উপরে।” কপিল দেব ছাড়াও নতুন ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটির বাকি দুই সদস্য হলেন অংশুমান গায়াকোয়াড় ও শান্তা রঙ্গস্বামী। এই কমিটি-ই গত ডিসেম্বরে জাতীয় মহিলা দলের কোচের পদে ডব্লু ভি রামনকে বেছে নিয়েছিল। সেই সময়ে যদিও বেশ বিতর্ক হয়েছিল।

যাইহোক, জানা গেছে, ভারতের কোচ হতে বিশ্ব ক্রিকেটের একাধিক বড় বড় নাম আগ্রহী হয়েছেন। সেই তালিকায় মাইক হেসন থেকে মাহেলা জয়বর্ধনেও রয়েছেন! তবে রবি শাস্ত্রী কোচ হলেও নিজের সহকারীদের নিজে বাছাই করতে পারবেন না। সেই তালিকাও বেছে নেবে বোর্ডের অ্যাডভাইসরি কমিটি।

সেই প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে গায়কোয়াড় জানিয়ে দিয়েছেন, “নিজে কোচ থাকাকালীন নিজের চিকিৎসা আমাকেই করতে হত। স্বাচ্ছন্দের পরিস্থিতিতে পারদর্শিতার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন কিনা, সেই বিষয়টিও দেখার। দলকে কোনও আবেদনকারী কীভাবে সাহায্য করতে পারবে, তার ভিত্তিতেই চূড়ান্ত নির্বাচন।” ভারতের কোচ ও সহকারী পদের জন্য আবেদনপত্র জমা নেওয়া হবে ৩০ জুলাই পর্যন্ত। সেই ডেডলাইন পেরোনোর আগেই শাস্ত্রী যে প্রায় চূড়ান্ত তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস