প্রচ্ছদ অর্থ-বাণিজ্য “রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যারা”

“রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যারা”

23
রূপপুর প্রকল্পের দুর্নীতিতে অভিযুক্ত যারা

আলোচিত রূপপুর গ্রিন সিটি প্রকল্পের আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী ক্রয় ও ভবনে উঠানোর কাজে অনিয়মের ঘটনায় প্রকল্প পরিচালকসহ ৩৪ জনকে দায়ী করেছে তদন্ত কমিটি। তাদের বিরুদ্ধে খুবই দ্রুত ব্যবস্থা নিতে সুপারিশ করেছে তদন্ত প্রতিবেদনে। অভিযুক্তদের মধ্যে গণপূর্তের ১৬ জনকে বরখাস্ত করে বিভাগীয় মামলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। একজনকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়েছে।

অভিযুক্ত ও বরখাস্ত ১৬ কর্মকর্তা: মোহাম্মদ মাসুদুল আলম (নির্বাহী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগ), তাহাজ্জুদ হোসেন, (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১), মোস্তফা কামাল (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২), আহম্মেদ সাজ্জাদ খান (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত ই/এম উপ-বিভাগ), মোহাম্মদ তারেক (উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ), রুবেল হোসাইন, (সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগ), আমিনুল ইসলাম (সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগ), ফজলে হক (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগ), সুমন কুমার নন্দী (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত বিভাগ), রফিকুজ্জামান (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ বিভাগ-১), জাহিদুল কবীর (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২), শাহীন উদ্দিন (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-২), আবু সাঈদ (উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত (ই/এম) উপ-বিভাগ, পাবনা), শফিকুল ইসলাম (উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম), গণপূর্ত (ই/এম) উপ-বিভাগ, পাবনা), রওশন আলী (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত উপ-বিভাগ-১) ও এ কে এম জিল্লুর রহমান (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, সিভিল)।

অর্থ লুটপাটের অভিযুক্ত ১০জন কর্মকর্তা: প্রাক্কলন পরীক্ষা নিরীক্ষা ও সুপারিশ, প্রাক্কলন যাচাই বাছাই ও অনুমোদন এবং বিল প্রদানের অভিযোগ তদন্তে প্রমানিত হওয়ায় ১০জন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারা হচ্ছেন- দেবাশীষ চন্দ্র সাহা (তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী, পাবনা গণপূর্ত সার্কেল), খন্দকার মোহাম্মদ আহসানুল হক (উপ-সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম), রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেল), মোসাম্মৎ খোরশেদা ইয়াছরিবা (উপ-সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), রাজশাহী গণপূর্ত সার্কেল), সুমন কুমার নন্দী (উপ-সহকারী প্রকৌশলী -সিভিল-অতিরিক্ত দায়িত্ব, পাবনা গণপূর্ত সার্কেল), নজিবর রহমান (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী, রাজশাহী গণপূর্ত জোন), আলমগীর হোসেন (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, রাজশাহী গণপূর্ত জোন), শাহনাজ আখতার (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, ই/এম পিএঅ্যান্ডডি বিভাগ, রাজশাহী গণপূর্ত জোন), তানজিলা শারমিন (নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজশাহী গণপূর্ত জোন), আশরাফুল ইসলাম (নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজশাহী গণপূর্ত জোন) ও শফিউজ্জামান (উপ-সহকারী প্রকৌশলী, গণপূর্ত, পাবনা)।

রাজশাহী গণপূর্তের চার কর্মকর্তা: শফিকুর রহমান (অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (বর্তমানে অবসরে), রাজশাহী গণপূর্ত জোন), মকলেছুর রহমান (সহকারী প্রকৌশলী (বর্তমানে পিআরএলে), রাজশাহী গণপূর্ত জোন), নূরুল ইসলাম (নির্বাহী প্রকৌশলী (বর্তমানে পিআরএলে), পিঅ্যান্ডডি বিভাগ, রাজশাহী গণপূর্ত জোন) ও মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম (প্রধান প্রকৌশলী, গণপূর্ত অধিদফতর, (বর্তমানে পিআরএলে )।

বিজ্ঞান প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের অভিযুক্ত চারজন: প্রকল্প পরিচালক ড. শওকত আকবর, হাসিনুর রহমান, মেহেদী হাসান ও মোহাম্মদ মাহাবুব।

সাড়ে ৩৬ কোটি টাকা অতিরিক্ত ব্যয়: উভয় প্রতিবেদনে ৯টি ভবনের জন্য মাঠপর্যায় থেকে প্রণীত ও অনুমোদিত ব্যয় প্রাক্কলন সমূহের মোট ব্যয় এবং তদন্ত কমিটি কর্তৃক প্রণীত ব্যয় প্রাক্কলনসমূহের মধ্যে ৬২ কোটি টাকার ওপরে তারতম্য পরিলক্ষিত হয়েছে। মন্ত্রণালয় কর্তৃক গঠিত কমিটির প্রতিবেদনে ৪টি ভবনে সরবরাহকৃত মালামালের মূল্য বাবদ ৩৬ কোটি ৪০ লাখ ৯ হাজার টাকা অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা হয়েছে মর্মে উল্লেখ করা হয়েছে।