প্রচ্ছদ রাজনীতি বিএনপিতে ফিরেই মহাসচিব হচ্ছেন অলি আহমেদ

বিএনপিতে ফিরেই মহাসচিব হচ্ছেন অলি আহমেদ

201
বিএনপিতে ফিরেই মহাসচিব হচ্ছেন অলি আহমেদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সাবেক সেনা কর্মকর্তা কর্ণেল (অব.) অলি আহমেদ পুনরায় বিএনপিতে ফিরতে পারেন। ইতিমধ্যে তাঁকে দলে ফেরার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া কারাগার থেকে বিশেষ দুত মারফত এমন সংবাদ কর্ণেল অলির কাছে পৌছেঁ দেন। যদিও আপাতত বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে রাজি নন অলি আহমেদ। একাধিক সূত্র জানায়, বেগম খালেদা জিয়ার সবুজ সংকেতের পর পরই নড়েচড়ে বসেছেন সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।

এদিকে, কর্নেল (অব.) অলি আহমেদের নতুন উদ্যোগ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে বিএনপির অভ্যন্তরে। কর্ণেল অলির নিজ দল এলডিপি বর্তমানে ২০ দলীয় জোটের অন্যতম শরীক। তাছাড়া অলিও ২০ দলের অন্যতম মুখপাত্র। ২০ দলকে পাশ কাটিয়ে সম্প্রতি অলি আহমেদ খালেদা জিয়ার মুক্তির লক্ষে ভিন্ন প্লাটফর্ম গঠন করছেন। তাঁর এমন তৎপরতা নিয়ে খোদ বিএনপি এবং ২০ দলে বির্তক তৈরী হয়েছে। আচমকা অলি আহমেদের নতুন উদ্যোগ নিয়ে বিএনপি নেতারা দফায়-দফায় বৈঠক করেছেন। আসল রহস্য অনুসন্ধানে ব্যস্ত বিএনপি নেতারা কিন্তু রহস্য উদঘাটনে কোন কুলকিনারা পাচ্ছেন না বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব।

সূত্র জানায়, সৎ ও সজ্জন নেতা হিসেবে বেগম খালেদা জিয়ার কাছে অন্যরকম মূল্যায়ন আছে কর্ণেল অলির। বরাবরই কর্ণেল অলি আহমেদকে পছন্দ করতেন খালেদা জিয়া। জিয়া-খালেদা পুত্র তারেক রহমানের সাথে বনিবনা না হওয়ায় কর্ণেল অলি বিএনপি ছেড়ে গঠন করেন লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এলডিপি)। বর্তমানে তিনি এলডিপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

এলডিপির একটি সূত্র জানায়, বিএনপিতে ফেরার ব্যাপারে কর্ণেল (অব.) অলি আহমেদের কাছে প্রস্তাব আছে এমন স্বীকার করেছেন বেশ কয়েকজন নেতা। তবে তারা জানান, যদিও বেগম খালেদা জিয়া চান আমাদের নেতা বিএনপিতে ফিরুক কিন্তু বিষয়টি মানতে নারাজ তারেক রহমান। তারা বলেন, মা এবং পুত্রের বিরোধের কারণে এটি মাঝ পথে আটকে আছে বহুদিন। এবার আবার নতুন করে সে তৎপরতা শুরু হয়েছে। এলডিপির পক্ষ থেকে একটি উদ্যোগ নেয়া হয়েছে হয়তোবা সে উদ্যোগের মধ্য দিয়ে নতুন মেরুকরণ হতে পারে।

সূত্র জানায়, এলডিপি বিলুপ্ত করে কর্নেল অলি আহমেদ বিএনপিতে ফিরলে হয়তোবা তাঁকে দলের মহাসচিব পদে দেখা যেতে পারে। এব্যাপারে এলডিপির এক প্রেসিডিয়াম সদস্য বলেন, রাজনীতিতে শেষ কথা বলতে কিছু নেই।তবে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। আর এবিষয়ে বিএনপির কেউ কথা বলতে রাজি হননি।

সম্পাদক/এসএ