প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত “৭ বছরের একটা বাচ্চা ছেলেকেও মাদ্রাসার হুজুররা জ’বাই করে”

“৭ বছরের একটা বাচ্চা ছেলেকেও মাদ্রাসার হুজুররা জ’বাই করে”

সুষুপ্ত পাঠক

1634
৭ বছরের একটা বাচ্চা ছেলেকেও মাদ্রাসার হুজুররা জবাই করে

*নুসরাত ফারিয়া মেয়েটি কি মা’রা গেছে? আমি নিশ্চিত হতে পারিনি। ৭ বছরের একটা বাচ্চা ছেলেকেও মাদ্রাসার হুজুররা জ’বাই করে মে’রে ফেলেছে।
ছবির লোকটিকে দেখুন, কি রকম সুন্নতী আল্লাঅলা লোক। এরকম লোকজনকে মানুষ বিশ্বাস করে। এরা অন্যা’য় করে না, কারণ এরা আল্লাহকে ভ’য় করে। এদের কাছে তাই মেয়েদের পাঠায় পড়তে। স্কুলে পাঠালে হুজুর বলেছে, কোটম্যারেজ করে চলে যাবে। স্কুলে তো কুরআন শিক্ষা দেয়া হয় না। স্কুলে তাই জিনার কারবার। বাপ-মা মহিলা মাদ্রাসায় পাঠায় জিনার ভ’য়ে। সেখানেই হুজুরের লাল’সার শি’কার হয়।

*ছোট ছোট বাচ্চাগুলি বলৎ’কারের শি’কার হয়। আহমদ শফি কয়েকদিন আগেই বলে গেছে, প্রত্যেক পরিবারে একজন করে আলেম বানাতে হবে। কারণ একজন আলেম পরিবারের ৫ জন করে মানুষকে জান্নাতের সুপা’রিশ করতে পারবে। এজন্য ধনী স্বচ্ছল পরিবারের লোকজনও এখন মাদ্রাসায় পড়ায়। মহিলা মাদ্রাসায় গরীব ঘরের মেয়েরাই কেবল পড়ে না। প্রতিটি মাদ্রাসা হয়ে উঠেছে হেরেমখা’না।

*রাত গভীর হলে মাদ্রাসাগুলিতে চলে শিশুকা’মীতা। এসব ঘটনা একের পর এক প্রাকশ্যে এলেও সরকার থেকে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয় না। তারা দেশের শিক্ষা ব্যবস্থাকে মানে না। সরকারী সিলেবাসকে গ্রাহ্য করে না। তারা কোন আইন কানুনকে তোয়া’ক্কা করে না।

*শরীয়া চাই বলে ফেইসবুকে মাঝে মাঝে মুমিনদের আহাজা’রি শুনি। দেশের একটা বড় অংশ নাকি শরীয়া তথা আল্লার আইনে পরিচালিত হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছে। তাহলে তো এইসব হুজুরদের শরীয়া অনুযায়ী এখন পাথর ছু’ড়ে হ’ত্যার দাবী উঠার কথা? নুসরাতের পর ৭ বছরের একটা বাচ্চাকে খু’ন করে ফেলার মত ব’র্বরতার প্রতি’ক্রিয়ায় কি মাদ্রাসাগুলিতে নিরা’পত্তা জো’রদার করা হবে? হুজু্র দেখলেই মানুষ মার’মুখি হয়ে উঠবে?

*কারণ বার্মাতে গু’লি চললে বাংলাদেশের মঠগুলিতে পুলিশ পাহারা বসে। ভারতে সমস্যা হলে বাংলাদেশে মন্দির পোড়ে। ব্রাহ্মণবাড়ীয়ার মাদ্রাসার ছাত্রদের হাতে আলাউদ্দিন খাঁ সংগীতালয় ত’ছনছ হয়ে গিয়েছিলো। উত্তে’জিত জনতাকে ঠান্ডা রাখতে নির্দোষ রসরাজকে জেলের ঘা’নি টা’নাতে হয়েছিলো। কিন্তু নুসরাতের প্রতি এতখানি নি’র্মমতা হওয়ার পর দেশের ইসলামপ্রেমি জনগণ আ’শ্চর্য রকমের নিরব।

*৭ বছরের একটা বাচ্চাকে হ’ত্যার পর কেউ সেই মাদ্রাসা ঘো’রাও করতে যায়নি কেন? রাজকুমার সেন নামে কে একজন মুহাম্মদকে নিয়ে ক’টুক্তি করেছে, তাই গোটা হিন্দু পাড়া জ্বা’লিয়ে দেয়ার কথা এরাই বলে! এই হ’ত্যাগুলো নিয়ে ফেইসবুকে হৃদয়গ্রাহী কোন পোস্টার এখন পর্যন্ত দেখিনি। ভারতের কোন মন্দিরে আ’টকে রেখে যদি নুসরাতের মত কোন মেয়েকে রে’ইপ করা হতো কিংবা বার্মায় কোন রোহিঙ্গা মুসলিম বাচ্চার মৃ’তদেহ হলে পোস্টার হি’ট হ’ত খুব। তখন পোস্টারে ছেয়ে যেতো ফেইসবুক। ফালানীর ভাই-বেরাদারদেরও তাই কোন প্রতি’ক্রিয়া দেখা যাচ্ছে না। কারণ এখানে ভারত নেই।

*বিষয়টাতে মাদ্রাসা শিক্ষা এসে পড়াতে সবাই খুব বি’ব্রত! প্রধানমন্ত্রী নুসরাতের দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি হুজুরদের দায়িত্ব আরো আগে নিয়ে রেখেছেন। দুই নৌকায় পা দিয়ে তিনি এখন কার পক্ষে কার বিপক্ষে কথা বলবেন?
ধার্মীক মাত্রই এই দুই নৌকার ছওয়ারি। মর’ণের সময় এই হুজুররা এসে জা’নাজা দিবে। হুজুর পুরোহিত সম্পর্কে মানুষ কয়েক হাজার বছরের জিনগত ভক্তি বহন করে চলেছে। ধর্ম ব্যবসা তাই কোন কালেই ভাটা পড়ে না। নুসরাত কিংবা এই ছোট্ট ছোট্ট শিশুদের খু’নিদের প্রতি তাই পাবলিকের ক্ষো’ভটা কখনই জ্ব’লে ওঠে না। তাদের দরকার রসরাজের র’ক্ত! শ্যামলকান্দি, রাজকুমার সেন…। না হলে খেলা জ’মে না!

সুষুপ্ত পাঠক: ব্লগার।