প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত হাদিসের বর্ণনায় সূর্যের আয়তন, দূরত্ব ও তাপমাত্রা

হাদিসের বর্ণনায় সূর্যের আয়তন, দূরত্ব ও তাপমাত্রা

199
হাদিসের বর্ণনায় সূর্যের আয়তন, দূরত্ব ও তাপমাত্রা

কায়সার আহমেদ

মহানবী (স) ইরশাদ করেছেন, বিচার দিবসে (হাসরে) সূর্যকে মানুষের খুব নিকটে নিয়ে আসা হবে এবং তা হবে এক ফরসাখ (তিন মাইল) দূরে। সূর্যের উত্তাপে মানুষের নির্গত ঘাম থেকে সত্তুর হাত গভীর ঘামের জলাশয় তৈরী হবে। ব্যক্তির আমল অনুযায়ী এই ঘামের মধ্যে সবাই অবস্থান করবে। কারো ঘাম হবে টাখনু সমান, কারো হাঁটু সমান, কারো কোমর সমান, কারো মুখ সমান। (মিশকাত, পৃষ্ঠা ৪৮৩)।

উপরের হাদিসের আলোচনায় যে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়া জরুরি মুমিনগণের ঈমানকে মজবুত করতে- তা হলো, সূর্যের কেন্দ্রের টেম্পারেচার প্রায় ১৫ মিলিয়ন ডিগ্রি বা দেড়কোটি ডিগ্রি সেলসিয়াস। দেড়কোটি ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রার সূর্য যদি মাত্র তিন মাইল (এক ফরসাখ) দূরত্বে চলে আসে, তখন কি আদমের শরীর থেকে ঘাম নির্গত হবে? নাকি পুরো হাশরের ময়দান একটুকরো আগুনের লাল কয়লায় পরিণত হবে?

বিষয়টির সুস্পষ্ট মুমিনীয় ব্যাখ্যা জরুরি। আসলে নবীপাকের সূর্য সম্পর্কিত ধারণায়, সম্ভবত সূর্য বড়োজোর একটা ফুটবল মাঠের সমান ছিল, যার দূরত্ব সর্বোচ্চ পাঁচশো মাইলের বেশি নয়।

অথচ নাস্তিক বিজ্ঞানীরা সূর্যকে পৃথিবী থেকে তেরো লক্ষ গুণ বড়ো বানাইয়া ইহাকে আবার নয় কোটি তিরিশ লাখ মাইল দূরে পাঠাইছে। নবীজির বক্তব্য অনুযায়ী, হাশরের ময়দানের সূর্যের তথ্যটি নিশ্চই ইহুদীর ‘ষড়যন্ত্র’ অথবা নবীকে দেওয়া জিব্রাইলের ‘মিস্টেক’ ইনফরমেশন ছিল।