প্রচ্ছদ আইন-আদালত আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর মামলা

আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর মামলা

110
আপন জুয়েলার্সের মালিকের বিরুদ্ধে পুত্রবধূর মামলা

আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদার আহমেদ সেলিমসহ দুইজনের বিরুদ্ধে গর্ভপাতের চেষ্টা, নির্যাতন, হত্যার হুমকির অভিযোগে মামলা করেছে তার পুত্রবধূ ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা।

সোমবার ঢাকা মহানগর হাকিম মো. তোফাজ্জাল হোসেনের আদালতে তিনি মামলাটি দায়ের করেন। মামলার অপর আসামি আপন রিয়েল এস্টেটের উপদেষ্টা মোখলেছুর রহমান।

ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের মামলার প্রধান আসামি ও আপন জুয়েলার্সের মালিক দিলদারের ছেলে সাফাত আহমদের স্ত্রী।

এদিকে, বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে ঢাকা মহানগর হাকিম মো. তোফাজ্জাল হোসেন অভিযোগের বিষয় পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)’কে তদন্তের নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৯ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, ২০১৫ সালে আসামি দিলদারের ছেলে সাফাতের সঙ্গে বাদিনীর বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তিনি শ্বশুর বাড়িতেই থাকেন। বর্তমানে বাদী অন্তঃসত্ত্বা। গত ৫ মার্চ রাত আটটার দিকে ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা প্রয়োজনীয় ওষুধ ও স্বামীর কিছু জিনিসপত্র কেনার জন্য নিকটস্থ মার্কেটে যান। বাদী বাসায় ফেরার পর আসামি দিলদার আহমেদ ও মোখলেছুর রহমান মাথায় পিস্তল ঠেকান, থাপ্পড় মারেন ও গর্ভের সন্তান নষ্ট করার উদ্দেশ্যে তলপেটে লাথি মারার চেষ্টা করেন। পরে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা রেখে এক কাপড়ে বাসা থেকে বের করে দেন।

এছাড়া বিয়ের পর থেকেই শ্বশুর দিলদার তার উপর নির্যাতন করে আসছিলেন। স্বামীর অনেক অনৈতিক কাজে বাদী বাধা দিলেও শ্বশুর উল্টো উৎসাহিত করতেন এবং সহযোগিতা করতেন। বনানীর ‘দ্য রেইন ট্রি’ হোটেলে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া দুই তরুণী ধর্ষণ মামলায় কয়েক মাস কারাভোগের পর গত নভেম্বরে সাফাত জামিনে মুক্ত হলে বিষয়টি তাকে অবহিত করেন বাদী ফারিয়া। পরে গত ১৩ ফেব্রুয়ারি রেইনট্রি হোটেলের ধর্ষণ মামলায় জামিন বাতিল করিয়ে সাফাতকে কারাগারে পাঠান আদালত। সাফাত কারাগারে যাওয়ার পর শ্বশুর ও তার সহযোগী মোখলেছুর রহমান বাদীকে নির্যাতন করতে থাকেন।