প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত আইএস জেহাদির স্ত্রী শামীমা বেগম কেনো ভয়ংকর বিষাক্ত সাপ?

আইএস জেহাদির স্ত্রী শামীমা বেগম কেনো ভয়ংকর বিষাক্ত সাপ?

169
আইএস জেহাদির স্ত্রী শামীমা বেগম কেনো ভয়ংকর বিষাক্ত সাপ?

কায়সার আহমেদ

আইএস জেহাদির স্ত্রী শামীমা বেগম এখন লন্ডনে ফিরতে চায়। মাত্র ১৫ বছর বয়সে আরো দুইজন সমবয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে সে পালিয়ে গিয়েছিলো সিরিয়ায় জিহাদিদের ‘যৌনদাসী’ হতে।

আল্লাহ্পাক তার ইচ্ছাকে কবুল করে মাত্র চার বছরে দুই সন্তান দিয়েছেন। অপুষ্টিতে, অযত্নে দুইটাই মারা গেছে। তৃতীয় সন্তান এখন তার গর্ভে। তাই এটিকে বাঁচাতে সে আবার বেদ্বীনের দেশে ফেরত আসতে চায়। শামীমা বেগম যদিও পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ এবং সিভিলাইজড একটি দেশের জন্মগত নাগরিক।

তবুও তার পাপ, সে জন্ম নিয়েছে একটি মূর্খ, গোড়া, ধর্মান্ধ মুসলিম পরিবারে। ইংল্যান্ডে যারাই বাচ্চাদেরকে মাদ্রাসা আর দ্বীনি শিক্ষার তালিম দিয়ে গড়ে তুলে। আমার দেখামতে, এরাই সবচেয়ে বেশি অশিক্ষিত, মূর্খ আর গোড়া ব্যাকগ্রাউন্ডের হয় এবং এদের বাচ্চারাই মূলত আইসিস সহ বিভিন্ন জঙ্গী সংগঠনে যোগ দেয়।

শামীমা বেগমের সাথে সিরিয়াতে যাওয়া অন্য দুই বাঙালি মেয়ের মধ্যে একজন ইতোমধ্যে মারা গেছে বোমার আঘাতে। শামীমা এখন সিরিয়ার একটি রিফুজি ক্যাম্পে মানবেতর জীবন পার করছে। এরপরেও সে বলছে আইসিস-এ যোগ দেওয়া ছিল তার ‘সঠিক’ সিদ্ধান্ত। সে ডাস্টবিনের মধ্যে মানুষের কাটা মুন্ডু পড়ে থাকতে দেখেছে! তবুও তার মধ্যে অনুশোচনা নেই, কারণ ওগুলো ‘কাফের’ মানুষের মস্তক।

এই ভয়ংকর বিষাক্ত সাপকে লন্ডনে ফিরতে দেওয়া মোটেই নিরাপদ নয়। এই মেয়ে তার স্বার্থসিদ্ধি হয়ে গেলে (নিরাপদে সন্তান প্রসব) বোরখার ভিতরে বোমা বেঁধে লন্ডন আন্ডারগ্রাউন্ড উড়িয়ে দিতে চাইবে। সে চাইবে হাজার মানুষকে হত্যা করে সোজা বেহেস্থে চলে যেতে। কোনো মানুষ যখন ধর্মীয় ‘জেহাদ’ এর নামে ভয়ংকর খুনি হয়ে উঠে। তখন তাকে সভ্য সমাজে আশ্রয় নয়। তাকে সাপের গর্তে পুঁতে রাখা কিংবা আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করা আবশ্যিক।

 সম্পাদক/এসটি