প্রচ্ছদ রাজনীতি নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শমীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সান্তনা

নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শমীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সান্তনা

334
নারী আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী শমীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর সান্তনা

ফেসবুকে জনৈক লিখেছেন, খবর সমূহ:
🔘 গোলাম আযমের নিকট আত্মীয় পেলেন আওয়ামী লীগের মনোনয়ন। 🔘 সুনামগঞ্জে চেয়ারম্যান পদে হাওড় দুর্নীতি মামলার আসামীকে আ.লীগের মনোনয়ন। 🔘 কাদের মোল্লার আইনজীবী, বিএনপি নেতার স্ত্রী লিপি আ.লীগের এমপি। (চূড়ান্ত তালিকায় ঝর্ণা সরকারকে স্থান দেয়া হয়েছে।)

জী এটাই বাস্তবতা, কওমীবাজদের জননীর আওয়ামী লীগে শহীদদের সন্তানদের স্থান হয় না। ডা. নুজহাত চৌধুরী, শমী কায়সার তারানা হালিমদের জন্যে সমবেদনা থাকলো! রাজপথের নেত্রী জেসমীন শামীমা নিঝুম, শারমীন সুলতানা লিলি, রোজিনা নাছরীন রোজী আপনাদেরকে সমদেনা জানানোরও ভাষা নেই। রাজপথের মিছিলে স্লোগানে পুলিশি নির্যাতনে কারাবরণে আপনারা দমে যান নি কখনও। আপনারাই আওয়ামী লীগের অদম্য শক্তি। আজ আপনাদের শক্তিকে পুঁজি করেই কওমী জননীর মন্ত্রীপরিষদের পাকিগেলমানরা প্রকাশ্যে পাকিপ্রেমের নহর বইয়ে দিচ্ছে!

শমীর এখনও সময় আছে: প্রধানমন্ত্রী

একাদশ জাতীয় সংসদের নারী সংরক্ষিত আসনের মনোনয়নের দৌড়ে ছিলেন শমী কায়সার। অনেকে ধরেই নিয়েছিল, এবার শমী কায়সার মনোনয়ন পাবেন। শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের কন্যা শমী কায়সার দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামী লীগের হয়ে কাজ করে যাচ্ছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী থেকে তিনি মনোনয়ন চেয়েছিলেন। কিন্তু মনোনয়ন পাননি। নির্বাচনের সময় তিনি প্রচুর কাজ করেছেন। আওয়ামী লীগের হয়ে প্রচার প্রচারণা চালিয়েছেন। তার মা পান্না কায়সারও নারী সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। ধারণা করা হয়েছিল, তিনি এবার মনোনয়ন পাবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা হয়নি।

তাকে বাদ দিয়ে সুবর্ণা মুস্তাফাকে মনোনয়ন দেয়ায় বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। আওয়ামী লীগের দু’একজন বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার কানেও তুলেছেন বলে আওয়ামী লীগের একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে। এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, ‘শমীর তো এখনও সময় আছে। ও তো কাজ করছে।’

এখান থেকে বোঝা যায় যে, প্রধানমন্ত্রী তার নিজস্ব বিবেচনাবোধ, মান অভিমান কিংবা অন্য কোন ব্যাপার না, শুধুমাত্র কৌশলগত কারণেই শমী কায়সার এবার মনোনয়ন পেলেন না।