প্রচ্ছদ মুক্ত মতামত এক ছবিতেই কি পাকিপ্রেমী যায় চেনা?

এক ছবিতেই কি পাকিপ্রেমী যায় চেনা?

103
এক ছবিতেই কি পাকিপ্রেমী যায় চেনা?

ফেসবুকে কবি সিদ্ধার্থ টিপু লিখেছেন, সাবধান কওমী জননী! আপনার আব্বার আমলের মোশতাকরে ভর করছিল পাকিস্তানী প্রেতাত্মা।

এখন আপনার আমলেও দেখা যাচ্ছে নব্য পাইক্ক্যাখাটাশদের আনাগোনা।মন্ত্রীপরিষদে এই রকম পাইক্কাখাটাশ নিয়া আপনি রাজাকারদের বিচারকার্য্য কদ্দূর আগায়া নিতে পারবেন? পাকিস্তানের কৃষ্ণগহ্বর মাড়িয়ে দুর্নিবার আলোর উদগীরণ ছড়িয়ে যে বাংলাদেশের সূচনা তা কোনভাবেই ম্লান হতে দেয়া যাবে না। আওয়ামী লীগ বিএনপি, জাতীয় পার্টি, কমিউনিস্ট পার্টি বুঝি না, কথা স্পষ্ট― ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ’ প্রশ্নে কোনো আপোষ চলবে না, সে যারাই হোক। মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে যাদের আত্মার বন্ধন যতো দৃঢ় আমরা তাদের হাতেই বাংলাদেশ দেখতে চাই।

এবং অবশ্যই রাজনীতির সঙ্গে খেলা সম্পৃক্ত। খেলা আন্তার্জাতিকভাবে ভূরাজনীতিরই অংশ।

মাহবুব রহমান দুর্জয় ফেসবুকে লিখেছেন, খেলার ছলে পুরো বাঙালি জাতিকে খেলে দিলেন! কামাল স্যার, আপনি গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থমন্ত্রী। আপনার এই দৃশ্য মুজিব আদর্শ ধারণকারী প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে।

কিভাবে পারেন? আপনার ও আপনার পরিবারের কি বাঙালি ও বাংলাদেশের ইতিহাস জানা নেই? যাকে জড়িয়ে আবেগ আর ভালোবাসায় গদগদ করছেন, সে একজন খেলোয়াড় সে কথা অস্বীকার করছি না। তবে আপনারও জানা দরকার, সে খেলোয়াড় হওয়ার আগে একজন পাকিস্তানি নাগরিক। আবার শুধু খেলোয়াড় নয়, পাকিস্তানি খেলোয়াড়।

মন্ত্রী মহোদয়, আপনি ও আপনার মেয়েকে তো কোন দেশী খেলোয়াড়দের সাথে ঘষাঘষি করতে দেখলাম না। কি ইজ্জত যায় তাতে তাই না? বাহানাবাজী করে আর যাই করেন অন্তত বাঙালাা জাতিকে অপমান করিয়েন না। এটা আপনার মত উচ্চশ্রেণির দায়িত্ববান লোকের কাছ থেকে এদেশের মানুষ প্রত্যাশা করে না।

আমরা বাঙালি এটা আমাদের অহংকার। এই অহংকার টাকা দিয়ে কেনা হয় নি! এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত হয়েছে এই অহংকার। যা আমাদের অলংকার হয়ে গলায় থাকে…

আপনার আমার পার্থক্য কোথায় জানেন? আপনি চিনেন পাকিস্তান, আমি বলি বাংলাদেশ।