প্রচ্ছদ বাংলাদেশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে তারকাদের দৌড়ঝাঁপ

সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে তারকাদের দৌড়ঝাঁপ

108
সংরক্ষিত মহিলা আসনে মনোনয়ন পেতে তারকাদের দৌড়ঝাঁপ

সংরক্ষিত মহিলা সংসদীয় আসনে মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু করেছে ক্ষমতাসীন দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ।

সংসদ নির্বাচন শেষে সবার দৃষ্টি এখন সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের দিকে। কারা পাচ্ছেন মনোনয়ন সে নিয়ে চলছে জল্পনা-কল্পনা। বিশেষ করে একঝাঁক তারকা রয়েছেন আলোচনায়। আর এরই মধ্যে বেশ কয়েকজন তারকা কিনেছেন মনোনয়ন ফরম। তার মধ্যে রয়েছেন নায়িকা সুজাতা, জ্যোতিকা জ্যোতি ও কবরী।

তালিকায় আরও আছেন তারানা হালিম, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সার, নুজহাত চৌধুরী, নিপুণ, অপু বিশ্বাস, তারিনসহ আরও অনেকে। তবে বিভিন্ন মহল বলছে, এর মধ্যে অনেকটা নিশ্চিত সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ও অভিনেত্রী তারানা হালিম, অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী ও অভিনেত্রী শমী কায়সারের মনোনয়ন পাওয়া।

সূত্র জানিয়েছে, এই তিনজনকে দেখা যেতে পারে আওয়ামী লীগের মনোনয়নের তালিকায়। দলের সভাপতি শেখ হাসিনার পছন্দের প্রার্থী হিসেবে আলোচিত হচ্ছে এই তারকাদের নাম। কিন্তু শেষ মুহূর্তে থাকতে পারো আরও চমক।

এরমধ্যে তারানা হালিম আশির দশকের জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী। আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও জড়িত দীর্ঘদিন। গেল দুই মেয়াদে তিনি সরকারের দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি মনোনয়ন চেয়েছিলেন টাঙ্গাইল-৬ (দেলদুয়ার-নাগরপুর) আসন থেকে। কিন্তু তাকে দেওয়া হয়নি।

অন্যদিকে অভিনেত্রী রোকেয়া প্রাচী অভিনয়ের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গেও দীর্ঘদিন ধরে জড়িত। বাংলাদেশ মহিলা আওয়ামী লীগের সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে প্রার্থী ছিলেন। সংসদ নির্বাচনে তাকে মনোনয়ন না দেওয়া হলেও সংরক্ষিত আসনে তার নাম শোনা যাচ্ছে।

আরেক অভিনেত্রী শমী কায়সার আশির দশকের শেষের দিকে অভিনয়ে নাম লেখান। তার অসংখ্য নাটক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। অভিনয় করেছেন চলচ্চিত্রেও। শহীদ বুদ্ধিজীবী শহীদুল্লাহ কায়সারের মেয়ে শমী শৈশব থেকেই আওয়ামী লীগের রাজনীতির ভক্ত। সরাসরি রাজনীতিতে জড়িত তিনি দীর্ঘদিন ধরেই। একাদশ সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে মনোনয়ন চেয়েছিলেন আওয়ামী লীগের হয়ে। কিন্তু মনোনয়ন পাননি।

তারানা হালিম, রোকেয়া প্রাচী, শমী কায়সাররা মনোনয় বঞ্চিত হলেও নির্বাচনী প্রচারণায় জোর কদমে ছিলেন। যা হয়তো দলের সিনিয়র নেতাকর্মীদের মন ভরেছে বলেও অনেকে মনে করেন। তবে শেষ মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এই তিনজনের পাশাপাশি সাবেক এমপি নায়িকা কবরীর নাম শোনা যাচ্ছে। তিনিও দীর্ঘদিন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নেতাদের নজরে আসতে সংরক্ষিত মহিলা আসনের এমপি পদের প্রত্যাশীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন। রাজনৈতিক আমলনামা হাতে নিয়ে ঢুঁ মারছেন কখনো আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়, কখনো ধানমন্ডির দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয় আবার কখনো বা কেন্দ্রীয় নেতাদের বাসাবাড়িতে; বাদ যাচ্ছে না নেতাদের রাজনৈতিক চেম্বারও। দেখা যাক কি চমক থাকছে এই সংরক্ষিত মহিলা আসনে।

সম্পাদক/এসটি