প্রচ্ছদ রাজনীতি রিজভীপন্থীদের হাতে নাজেহালের শঙ্কায় ফখরুল

রিজভীপন্থীদের হাতে নাজেহালের শঙ্কায় ফখরুল

75
রিজভীপন্থীদের হাতে নাজেহালের শঙ্কায় ফখরুল

৩০ ডিসেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই বিএনপিতে মতবিরোধ বাড়ছে। বিএনপির অধিকাংশ নেতা-কর্মীরা মনে করছেন যে মির্জা ফখরুলের নেতৃত্বের ব্যর্থতার কারণেই বিএনপির এই ভরাডুবি হয়েছে।

তারা অনেকেই মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের এজেন্ট হিসেবে কাজ করছেন বলে অভিযোগ করছেন। বিএনপির কেউ কেউ মনে করছেন যে, এই সরকারকে বৈধতা দেয়ার জন্যই এই নির্বাচনের নাটক সাজানো হয়েছিল- যেখানে মির্জা ফখরুলও একজন অংশিদার। এরপর থেকেই নেতাকর্মীদের ক্ষোভ তার উপর।

এ কারণেই মির্জা ফখরুল নয়াপল্টন এড়িয়ে চলছেন। নির্বাচনের পর ৩১ ডিসেম্বর থেকে আজ অবধি তিনি মাত্র একদিন দলীয় কার্যালয়ে গিয়েছেন। এরমধ্যে দুইদিন তিনি দলীয় কার্যালয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেও মাঝপথ থেকে ফিরে আসেন। তার অনুসারীরা বলছেন যে, দলীয় কার্যালয় তার জন্য নিরাপদ নয়। সেখানে যে কোন অঘটন ঘটতে পারে।

একাধিক সূত্র নিশ্চিত করছে যে, দলীয় কার্যালয়ে যেসকল নেতাকর্মীরা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর সঙ্গে অবস্থান করে, যে কোন সময় মির্জা ফখরুলকে তারা নাজেহাল করতে পারে। নাজেহাল করার জন্য তারা ওঁৎ পেতে থাকে বলে মির্জা ফখরুলের ঘনিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন। এজন্যই তারা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে নয়াপল্টনের প্রধান কার্যালয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন।

সে পরামর্শ অনুযায়ী মির্জা ফখরুল নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয়ে যাচ্ছেন না। নয়াপল্টনের দলীয় কার্যালয় কার্যত দখল করে রেখেছেন রুহুল কবীর রিজভী। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন বক্তব্য নিয়ে তিনি সংবাদ সম্মেলন করছেন, কথাবার্তা বলছেন। সর্বশেষ গতকাল তিনি খালেদা জিয়ার মুক্তি এবং চিকিৎসা সংক্রান্ত বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন।

একই দিনে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর একটি বিবৃতি দিয়ে একজন নেতার মুক্তি দাবি করেন। সেখানে তিনি বর্তমান সরকারের সমালোচনা করেন। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দলীয় কার্যালয়ে না যাওয়াটা দলের প্রকাশ্য রূপ বলেই মনে করছে বিএনপির ঘনিষ্ঠরা।

সম্পাদক/এসটি