প্রচ্ছদ বিজ্ঞান-প্রযুক্তি কারাবরণের পরিকল্পনা, খোকন-ফারুকের ফোনালাপ ফাঁস

কারাবরণের পরিকল্পনা, খোকন-ফারুকের ফোনালাপ ফাঁস

184
কারাবরণের পরিকল্পনা, খোকন-ফারুকের ফোনালাপ ফাঁস

নির্বাচনে হেরে গিয়ে ষড়যন্ত্রের কৌশল হিসেবে মামলাভূক্ত বিএনপির দলীয় প্রার্থী ও কর্মী-সমর্থকরা একযোগে দেশের নিন্ম আদালতে স্যারেন্ডারের পরিকল্পনা করছে।

বিএনপির চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নোয়াখালী-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী জয়নাল আবেদীন ফারুক এবং বিএনপির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও নোয়াখালী-১ আসনের বিএনপির দলীয় প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকনের মধ্যকার ফাঁসকৃত ফোনালাপে এমন চক্রান্তের তথ্য পাওয়া যায়।

ফোনালাপটি তুলে ধরা হলো:
জয়নাল আবেদিন ফারুক: ভাইজান, মামলা যে এতগুলো হইল, কি করব? মাহবুব উদ্দিন খোকন: মহাসচিবের সাথে কথা বলেন। সবাই স্বেচ্ছায় কারাবরণ করেন। সব মামলায় স্যারেন্ডার করেন লয়ার কোর্টে।

জয়নাল আবেদিন ফারুক: ৩০০? মাহবুব উদ্দিন খোকন: না না সব, যাদের মামলা হইছে, সব মামলায় লোকালি স্যারেন্ডার করা। জয়নাল আবেদিন ফারুক: আচ্ছা, তারপর।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: তারপর লোকদের ঢুকাক সব। কত লোক ঢুকাইব। সব মিথ্যা মামলায় স্বেচ্ছায় কারাবরণ।
জয়নাল আবেদিন ফারুক: আমরা স্যারেন্ডার কইরা ফেলাই নাকি?

মাহবুব উদ্দিন খোকন: এইটা পার্টির সিদ্ধান্ত, উপর থেকে সিদ্ধান্ত করান। জয়নাল আবেদিন ফারুক: নির্বাচন উপলক্ষ্যে এই পর্যন্ত যত মিথ্যা মামলা হইছে, অসত্য, মিথ্যা মামলা হইছে; এক সাথে স্যারেন্ডার কইরা ফেলাই।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: এক এক উপজেলায় ৫০০০ লোক ঢুকবো, ঠিক আছে। জয়নাল আবেদিন ফারুক: ৫০০০ এর বেশি আছে। মাহবুব উদ্দিন খোকন: আমার এলাকায় ২০০০-২৫০০ কি আছে, মনে করেন। জয়নাল আবেদিন ফারুক: আমার আছে প্রায় ১৭০০।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: সব জায়গায়। নোয়াখালীতে ১০০০০ হইব মনে হয়। জয়নাল আবেদিন ফারুক: না না। ১০০০০ লোক জায়গা হবে না। ভাল হবে এইটা, তাঁবু টাঙ্গাইয়া দিবে।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: যত মিথ্যা মামলা হইছে, স্বেচ্ছায় কারাবরণ হইলে ওটাই একটা প্রোগ্রাম হইয়া যাইব। জয়নাল আবেদিন ফারুক: ইয়েস, ইয়েস, ইয়েস। বেরি গুড। মাহবুব উদ্দিন খোকন: আমরা একটা কইরা জামিন নিব। জজকোর্ট, হাইকোর্ট সবাই আমাদের নিয়া ব্যস্ত থাকব।

জয়নাল আবেদিন ফারুক : আরও আরও। আমাদের অর্থনীতি আরও শেষ হয়ে যাবে। মাহবুব উদ্দিন খোকন: অর্থনীতি শেষ হলে। মানুষ হয়রানি হইব।

জয়নাল আবেদিন ফারুক: আচ্ছা, আচ্ছা। মাহবুব উদ্দিন খোকন: কথা বলেন, কথা বলেন। জয়নাল আবেদিন ফারুক: আমি জানাচ্ছি এখনই। মাহবুব উদ্দিন খোকন: আর স্বেচ্ছায় যত মিথ্যা মামলা হয়েছে সব মিথ্যা মামলায় আমরা স্বেচ্ছায় জেলে ঢুকি।

জয়নাল আবেদিন ফারুক: তুমি ঢাকায় একটু আসো না। মাহবুব উদ্দিন খোকন: ঢাকায় চলে আসছি আমি। জয়নাল আবেদিন ফারুক: ওদের বিকাল ৪টায় স্ট্যান্ডিং কমিটির মিটিং আছে। আমরা এটা বলে দিই।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: একদিনে ৫ হাজার লোক স্যারেন্ডার নিতে পারব ওরা। জয়নাল আবেদিন ফারুক: তুমি ৪টায় গুলশানে আসো। আমরা কথা বলি। আমার মনে হয় এই আইডিয়াটা ভাল। আমি এই আইডিয়াটা সবাইকে জানাচ্ছি। সবাই মির্জা আলমগীরকে ফোন দিক।

মাহবুব উদ্দিন খোকন: এক জেলে যদি ৫০০০ লোকেরে ঢুকায়, ঢুকাবে না শালারপুতেরা, কি করবি, এটা একটা প্রতিবাদ। কত হাজার মামলা হইছে, মানুষ দেখুক, জাতি দেখবে। জয়নাল আবেদিন ফারুক: ৪টার সময় গুলশানে আসো। মাহবুব উদ্দিন খোকন: এইটা বলেন, ভাই।