প্রচ্ছদ আইন-আদালত এবার তারেকের নীল নকশায় আসছে টার্গেট কিলিং

এবার তারেকের নীল নকশায় আসছে টার্গেট কিলিং

265
এবার তারেকের নীল নকশায় আসছে টার্গেট কিলিং

নির্বাচনের মাঠ শুরু থেকেই সহিংস হয়ে উঠেছে। পরিকল্পিতভাবেই এই সহিংসতার ঘটনা ঘটানো হচ্ছে বলে একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে। ঐ রিপোর্টে, সামনে বড় ধরেনের টার্গেট কিলিং এর আশংকাও করা হয়েছে।

গোয়েন্দা সংস্থার রিপোর্টে বলা হয়েছে লন্ডন থেকে তারেক জিয়া এই নীল নকশা প্রণয়ন এবং বাস্তবায়নের কাজ করছেন। নির্বাচনের মাঠে আওয়ামী লীগের মনোবল নষ্টে এবং ভীতি ঢুকিয়ে দিতেই এসব পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

গত ১১ ডিসেম্বর থেকে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু হয়েছে। প্রচারণার শুরুতেই দেশের বিভিন্ন স্থানে সহিংস ঘটনা ঘটেছে। নোয়াখালীতে নির্বাচনী সহিংসতায় দু’জন মারা গেছে। এরা দু’জনই আওয়ামী লীগের কর্মী। গোয়েন্দা সূত্রে বলা হয়েছে, আওয়ামী লীগ কর্মীদের ভয় ঢুকিয়ে দিতেই এসব করা হচ্ছে। যেন আওয়ামী লীগ মাঠে নামতে ভয় পায়। অনেক স্থানে বিএনপির গাড়িবহরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, এটাও পরিকল্পিত। জনমত আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে নিতেই এই পরিকল্পনা সাজানো হয়েছে বলে গোয়েন্দা তদন্তে জানা গেছে।

লন্ডনে অবস্থানরত তারেক জিয়ার ব্লু প্রিন্ট অনুযায়ী নির্বাচনের আগে আরো বড় ধরনের নাশকতার ঘটনা ঘটতে পারে। বিভিন্ন স্থানে প্রার্থী, গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির উপর আক্রমণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একটি গোয়েন্দা সংস্থা বলছে, নির্বাচনের আগে টার্গেট কিলিং করার পরিকল্পনা রয়েছে তারেকের। এজন্যই সারা দেশে তারেক জিয়ার সশস্ত্র ক্যাডাররা ছড়িয়ে পড়েছে বলে গোয়েন্দা তথ্যে জানা গেছে। বাংলাদেশে বিক্ষিপ্তভাবে থাকা সশস্ত্র জঙ্গী সংগঠনগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে স্থানীয় বিএনপির নেতারা। জঙ্গীদের সঙ্গে সন্ত্রাসী তৎপরতা দিয়ে যোগশাজসের সুস্পষ্ট তথ্য প্রমাণ নিয়ে আজ আইন প্রয়োগকারী সংস্থা বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলুকে গ্রেপ্তার করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, তারেক জিয়ার ঘনিষ্ঠ এরকম বেশ কয়েকজন সারাদেশে তাণ্ডব সৃষ্টির জন্য সন্ত্রাসী ও জঙ্গীদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক স্থাপন করেছে বলে জানা গেছে।

প্রশ্ন উঠতেই পারে, বিএনপি যখন নির্বাচন করছে তখন এরকম ঘটনার পরিকল্পনা কেন করছে তারেক? এর উত্তরে গোয়েন্দারা চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে। বিএনপি জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক চাপে এই নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছে। নির্বাচনে থাকেলেও এখনও নির্বাচন বানচাল করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। নির্বাচন বানচালের জন্য তারা একটি সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চায়। তারা এমন একটা অবস্থা সৃষ্টি করতে চায় যেন শেষপর্যন্ত নির্বাচন না হয়।

অবশ্য একাধিক গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে যে, এই নীল নকশা নিয়ে মোটেও উদ্বিগ্ন নয় আইন প্রয়োগকারী সংস্থা। গোয়েন্দা বিভাগের দায়িত্বশীল একজন কর্মকর্তা বলেছেন, ‘আমরা বাংলাদেশে জঙ্গিবাদের আস্তানা এবং নেটওয়ার্ক ভেঙেছি। কাজেই এসব ষড়যন্ত্রও আমরা বাস্তবায়ন হতে দেবো না।’

 সম্পাদক/এসটি