প্রচ্ছদ বাংলাদেশ একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন গয়েশ্বরের পুত্রবধূ নয়াপল্টনে বিএনপির সংঘর্ষে লাঠি হাতে

গয়েশ্বরের পুত্রবধূ নয়াপল্টনে বিএনপির সংঘর্ষে লাঠি হাতে

2404
গয়েশ্বরের পুত্রবধূ নয়াপল্টনে বিএনপির সংঘর্ষে লাঠি হাতে

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে পুলিশ ও বিএনপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার দুপুর একটার দিকে এই সংঘর্ষের জের ধরে পুরো নয়াপল্টন এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়।

সংঘর্ষ চলাকালে বিএনপি কর্মীরা পুলিশের একাধিক গাড়ি পুড়িয়ে দেয়। পুলিশও বিএনপি কর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করে ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। তবে সব কিছু ছাপিয়ে আজকের সংঘর্ষের ঘটনায় লাঠি হাতে এক মারমুখী নারী সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই নারী আর কেউ নন। তিনি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের পুত্রবধূ অ্যাডভোকেট নিপুন রায় চৌধুরী।

নিপুন রায় চৌধুরী বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং বিএনপির দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ শাখা সমিতির সভাপতি। এছাড়া তাঁর আরেকটি পরিচয় আছে। বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরীর কন্যা তিনি। অতীতেও বিএনপির বিভিন্ন আন্দোলনে তাঁকে উপস্থিত থাকতে দেখা গেছে।

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা যায়, কোনো দাবি আদায় ছাড়াই বিএনপির নির্বাচনে যাবার সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী দলটির একাধিক নেতা। এই নেতাদের মধ্যে অন্যতম হচ্ছেন গয়েশ্বর রায় চৌধুরী। গয়েশ্বরের পুত্রবধূর সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়া এবার এই ঘটনায় ভিন্ন মাত্রা যোগ করল।

‘বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে রাখতেই হামলা’

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘বিএনপিকে নির্বাচন থেকে দূরে সরাতেই নয়াপল্টনে পুলিশি হামলা হয়েছে।’ নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে দুপুর একটা থেকে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। এই ঘটনার পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় বিএনপি মহাসচিব ঐ মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যেন নির্বাচনে না আসতে পারে সেজন্য সরকার সবকিছুই করছে। সরকার ৫ জানুয়ারির মতো একতরফা নির্বাচন করতে চায়। আমরা যখন নির্বাচনের পরিবেশ না থাকা সত্ত্বেও গণতন্ত্রের স্বার্থে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তখন এই ঘটনা সরকারের অভিপ্রায় পরিষ্কার করে দিয়েছে।’

কিন্তু পুলিশের গাড়িতে বিএনপি নেতাকর্মীদের আগুন লাগানোর প্রসঙ্গে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না, তাই জানি না।’

বিএনপির একটি অংশ নির্বাচন চায় না, তারাই এ ঘটনা ঘটিয়েছে কিনা জানতে চাওয়া হলে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এমন তথ্য আমার কাছে নেই।’