প্রচ্ছদ খেলা ক্রিকেট ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশর ৯টি ম্যাচের চূড়ান্ত সময়সূচি

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশর ৯টি ম্যাচের চূড়ান্ত সময়সূচি

142
২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশর ৯টি ম্যাচের চূড়ান্ত সময়সূচি

আসন্ন ২০১৯ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে ক্রিকেট বিশ্বকাপ। বিশ্বকাপের ১২তম আসরটি আগামী ৩০ শে মে স্বাগতিক ইংল্যান্ড এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে পর্দা উঠবে।

২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপে বাংলাদেশও তাদের প্রথম ম্যাচ খেলবে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, ম্যাচটি হবে জুনের ২ তারিখে। বিশ্বকাপ শুরুর চতুর্থ দিন। ১৯৯২ সালের বিশ্বকাপের ফরমেটে হতে যাওয়া এই টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি দলের সাথে একটি করে ম্যাচ খেলবে টাইগাররা।

যার শুরুটা হবে লন্ডনের ওভালে। বিশ্বকাপ শুরুর চতুর্থ দিন ২ জুন দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে মাঠে নামবে মাশরাফিবাহিনী। প্রথম পর্বে বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ পাকিস্তানের বিপক্ষে বিখ্যাত লর্ডস ক্রিকেট গ্রাউন্ডে। ম্যাচটি হবে ৫ জুলাই তারিখে।

এরই সাথে প্রথমবারের মত ঐতিহাসিক লর্ডস স্টেডিয়ামে কোন ওয়ানডে ম্যাচ খেলার সুযোগ পাবে বাংলাদেশ। এর আগে ২০১০ সালে লর্ডসে একটি টেস্ট ম্যাচ খেলেছিল টাইগাররা।

২০১৯ বিশ্বকাপে বাংলাদেশের ম্যাচগুলোর সূচি:

২ জুন, বাংলাদেশ বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, দ্য ওভাল। ৫ জুন, বাংলাদেশ বনাম নিউজিল্যান্ড, দ্য ওভাল (দিবারাত্রি)।

৮ জুন বাংলাদেশ বনাম ইংল্যান্ড, কার্ডিফ। ১১ জুন বাংলাদেশ বনাম শ্রীলংকা, ব্রিস্টল। ১৭ জুন।। বাংলাদেশ বনাম ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ট্যান্টন।

২০ জুন বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া, নটিংহ্যাম। ২৪ জুন বাংলাদেশ বনাম আফগানিস্তান, সাউদাম্পটন। ২ জুলাই বাংলাদেশ ভারত, বার্মিংহাম। ৫ জুলাই বাংলাদেশ বনাম পাকিস্তান, লর্ডস।

তাছাড়া ৯ জুলাই ও ১১ জুলাই ওল্ড ট্রাফোর্ড ও এজবাস্টনে অনুষ্ঠিত হবে বিশ্বকাপের দুটি সেমিফাইনাল ও ১৪ জুলাই লর্ডসে অনুষ্ঠিত হবে ফাইনাল।

দুঃসংবাদ, স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবেনা সাকিবের আঙুল!

আর কখনোই স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরবেনা সাকিব আল হাসানের আঙুল। ক্রিকেট খেলার জন্য উপযোগি করতেই চলছে চিকিৎসা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়ার আগে নিজেই এমনটা জানিয়েছেন সাকিব। তবে সুস্থ হয়ে জানুয়ারিতে বিপিএল দিয়ে ক্রিকেটে ফেরার আশা তার। জানান, দীর্ঘদিন ক্রিকেট খেলতে না পারাটা হতাশার। তবে তিনিসহ আরো কয়েকজন না খেললেও প্রভাব পড়বেনা বাংলাদেশ দলে।

এ পথ দিয়ে কতবারইতো গেছেন। কখনো ক্রিকেট খেলতে কখনো ব্যক্তিগত কাজে। একরাশ হতাশা নিয়ে এশিয়া কাপের মাঝেই ফিরেছেন এ পথ দিয়েই। এবার যাচ্ছেন অস্ট্রেলিয়া। মাথায় বিশাল শঙ্কা নিয়ে। হাতের আঙ্গুলটা বেশ ভোগাচ্ছে। আপাতত চিকিৎসককে দেখিয়ে পাঁচদিন পর ফিরে আসবেন। ইনফেকশন শূন্যতে নেমে আসলেই হবে অস্ত্রোপচার। তখন আবারও উড়াল দিতে হবে। যাওয়ার আগে দিয়ে গেছেন বিষাদ মাখা এক খবর।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের টেস্ট ও টি-টোয়েন্ট অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বলেন, ইনফেকশনটা আমার সবচেয়ে বড় টেনশনের জায়গা। ওইটা যতক্ষণ পর্যন্ত জিরো পার্সেন্টে আসবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত কোন সার্জেন্ট হাত দিবে না। ঐটা হাত দিলে বোনে চলে যাবে, আর বোনে চলে গেলে পুরো হাত নষ্ট। তবে এখন মেন পয়েন্টটা হচ্ছে কীভাবে ইনফেকশনটা কমানো যায়। এ আঙ্গুলটা আর কখনো শতভাগ ঠিক হবে না। যেহেতু নরম হাড্ডি, সেকারণে জোড়া লাগার সম্ভাবনা নেই।

সাকিব বরাবরই অন্যরকম। যেনো কিছুই হয়নি। বললেন, সবকিছু হবে ঠিকঠাক। সুস্থ হতে লাগতে পারে তিন মাস। এক সপ্তাহ অবশ্য শেষ হয়েছে ইতোমধ্যে। এ বছর আর মাঠে নামা হচ্ছে না। তবে জানুয়ারিতে বিপিএল দিয়েই ২২ গজে ফিরতে আত্মবিশ্বাসী বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।

সাকিব আরো বলেন, ইনফেকশনা দূর করতে হবে। ঐটা চলে গেলে আসলে বুঝা যাবে কত সময় লাগবে। আর আসল সার্জারি করা গেলে ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগবে।

এ বছরটা আর খেলতে পারবেন। এর প্রভাবটা তো বিশাল। কিন্তু সাকিব সেটা মানতে নারাজ। বললেন, শুধু সাকিব-তামিম কেনে? আরো কয়েকজন না খেললেও কোনো সমস্যা হবেনা। জুনিয়রদের উপর শতভাগ আস্থা রাখছেন তিনি।

সাকিব আরো বলেন, আসলে আমাদের লাইফটা প্রতিদিন মাঠে যাওয়া প্র্যাকটিস করা বা কিছু না কিছু করা। সেখানে সারাদিন ঘরে বসা থাকাটা বিরক্তিকর। আমরা ভাবি, আমাদের ছাড়া টিম চলবে না। এই যে একটা সুযোগ আসল, তারা কিন্তু ঠিকই ব্যাক করেছে। আমাদের আরো কিছু প্লেয়ার সামনের কয়েকটা সিরিজে না থাকলেও কোন সমস্যা হবে না।

সম্পাদক/এসটি