প্রচ্ছদ বিশ্ব গৃহকর্মীর সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের!

গৃহকর্মীর সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের!

98
গৃহকর্মীর সঙ্গেও শারীরিক সম্পর্ক ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের!

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে এবার বোমা ফাটালেন তারই ট্রাম্প টাওয়ার ভবনের এক ফটকরক্ষী। ডিনো সুজাদিন নামের ওই ফটকরক্ষীর দাবি, ট্রাম্পের সঙ্গে এক গৃহকর্মীর শারীরিক সম্পর্ক ছিল। ওই সম্পর্কের কারণে একটি শিশুও ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।

শনিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য জানিয়েছে। ডিনো সুজাদিন নামের ওই ফটকরক্ষী সিএনএনকে জানিয়েছেন, এই ঘটনা প্রকাশের স্বত্ব তার কাছ থেকে আমেরিকান মিডিয়া ইনকরপোরেশন (এএমআই) কিনে নিয়েছিল। এ কারণে তিনি এটি প্রকাশ করেননি। তবে আমেরিকান মিডিয়া ইনকরপোরেশন চুক্তির শর্ত লঙ্ঘন করায় এখন তিনি এটি প্রকাশ করতে পারবেন।

২০১৫ সালের ১৫ নভেম্বরে সুজাদিনের সঙ্গে এএমআইয়ের চুক্তি হয়। এতে বলা হয়, সুজাদিনের গল্পের সম্পূর্ণ প্রকাশস্বত্ব এএমআইয়ের। তবে এতে ওই গল্পটির কোনো উল্লেখ করা হয়নি। তবে এতে শুধু বলা হয়েছে, ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের অবৈধ সন্তান সম্পর্কে তথ্য সরবরাহ করবে সূত্র’।

এতে আরো বলা হয়েছে, ‘এএমআই যদি গল্পটি প্রকাশ না করে তাহলে সূত্র কোনো ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারবে না’। চুক্তিতে দেখা গেছে, গল্পটি প্রকাশের পর সুজাদিন ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পাবেন। তবে চুক্তিপত্রের তৃতীয় পাতায় একটি সংশোধনী দেখা গেছে। এতে বলা হয়েছে, সংশোধন হওয়ার পাঁচদিনের মধ্যে সুজাদিন ৩০ হাজার মার্কিন ডলার পাবে।

সুজাদিনের আইনজীবী হেল্ড জানিয়েছেন, এএমআইয়ের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হওয়ায় আইনি কারণে এ ব্যাপারে সুজাদিন মুখ খুলতে পারেননি। তবে সম্প্রতি এএমআই তাকে চুক্তির শর্ত থেকে মুক্তি দিয়েছে। তাই তার মক্কেল শিগগিরই এ বিষয়ে মুখ খুলবেন।

ট্রাম্পকে বৃদ্ধাঙ্গুলি, ইরানকে সহায়তার সিদ্ধান্তে অটল ইইউ

পরমাণু ইস্যুতে ক্রমেই মার্কিন-ইরান সম্পর্ক জটিল রূপ ধারণ করছে। ইতোমধ্যে ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করার ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন। আর মার্কিন এ পদক্ষেপের বিপরীত দিকে হাঁটছে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। এবার ক্ষতি কাটিয়ে নিতে ইরানকে ত্রাণ সহায়তার কথা জানিয়েছে ইইউ। তবে এ পরিকল্পনার সমালোচনা করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার ইরানের এই সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করা হয়। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের পক্ষ থেকে শুক্রবার বলা হয়েছে, ইরানের জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়নের ত্রাণ সহায়তা করা উচিত নয়। তবে ইরানকে সহায়তা প্রদানের সিদ্ধান্তে অটল রয়েছে ইইউ।

ইউরোপীয় কমিশনের এক বিবৃতি অনুযায়ী, ইরানের বেসরকারি খাতের উন্নয়নসহ টেকসই অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রকল্পে এ অর্থ ব্যয় হবে।

শুক্রবার ইরান বিষয়ক ইইউর বিশেষ প্রতিনিধি ব্রায়ান হুক স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই ২ কোটি ৭০ হাজার মার্কিন ডলারের সহায়তা প্যাকেজটি ‘ইরান সরকারকে এর জনগণের আকাঙ্খাকে অবহেলা ও অর্থবহ পরিবর্তন না ঘটানোর শক্তি যোগাবে।’