প্রচ্ছদ বিশ্ব রোহিঙ্গাদের থাকতে দিলে আরও ১০টা কাশ্মীর হবে: রামদেব

রোহিঙ্গাদের থাকতে দিলে আরও ১০টা কাশ্মীর হবে: রামদেব

445
রোহিঙ্গাদের থাকতে দিলে আরও ১০টা কাশ্মীর হবে: রামদেব

আসামের ‘অবৈধ অভিবাসীদের’ নাগরিক তালিকা থেকে বাদ দেয়ার ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করেন ভারতের যোগগুরু রামদেব। এমনকি রোহিঙ্গাদের থাকতে দিলে ভারতে আরও ১০টি কাশ্মীর হবে বলেও হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন তিনি।

হারিয়ানা রাজ্যের রোহতাক জেলায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এই কথা বলেন।

রামদেব বলেন, ভারতে এ মুহূর্তে চার কোটি অবৈধ অভিবাসী আছে। তাদের অবশ্যই তাদের দেশে ফেরত পাঠাতে হবে। তারা বাংলাদেশি, পাকিস্তানি, রোহিঙ্গা এমনকি আমেরিকান হোক- তারা অবৈধ অভিবাসীই। তারা ভারতের নিরাপত্তার জন্য হুমকি। তাদের অবশ্যই ফেরত পাঠাতে হবে।

এই যোগগুরু বলেন, একটা কাশ্মীর নিয়ন্ত্রণ করা আমাদের সম্ভব হচ্ছে না। যদি রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়া হয় তারা আরও ১০টা কাশ্মীর বানিয়ে ছাড়বে।

উল্লেখ্য, যোগগুরু রামদেব ধনকুবের পতঞ্জলী ব্যবসায়ী। বলা হচ্ছে, ২০২৫ সালের মধ্যে তার ব্র্যান্ডটি বিশ্বে শীর্ষে অবস্থান করবে। মাঝেমধ্যেই বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদের শিরোনাম হন এই ধর্মীয় নেতা।

লোকসভা নির্বাচনের আগে বিজেপি বিরোধী জোটে ভাঙনের সুর

২০১৯ সালে ভারতে লোকসভা নির্বাচনের আগেই বিজেপি-বিরোধী জোটে দেখা দিলো বড় ভাঙন। লোকসভা নির্বাচনে প্রস্তাবিত বিজেপি-বিরোধী জোটে থাকবে না বলে জানিয়ে দিলো দিল্লির ক্ষমতাসীন দল আম আদমি পার্টি(আপ)।

হরিয়ানার রোহতকে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে আপ নেতা ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল জানিয়ে দিলেন লোকসভা নির্বাচনে একক ভাবেই লড়বে আপ।

কেজরিওয়াল জানান ‘যে দলগুলি বিজেপি-বিরোধী জোট করতে উদ্যোগী হয়েছে, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিতে তাদের কোনও ভূমিকা নেই।’ তাই মোদি বিরোধী এই জোটে যোগ দিবে না তার দল। ২০১৯-এর লোকসভা ভোটে একক ভাবে লড়বে কেজরিওয়ালের দল। শুধু তাই নয়, হরিয়ানা বিধানসভা ভোটেও সব আসনে একাই লড়বে আপ।

আগামী বছরের শুরুর দিকেই দেশটিতে লোকসভা নির্বাচন, ইতিমধ্যেই বিজেপি বিরোধী জোটকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। যার প্রধান উদ্যোক্তা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ব্যানার্জি। লোকসভা নির্বাচনে মোদিকে উৎখাত করতে ফেডারেল ফ্রন্ট তৈরির ভাবনা চলছে। অ-বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে এক ছাতার তলায় নিয়ে আসার লক্ষ্যে একাধিকবার দিল্লি ছুটে গিয়েছেন। পরামর্শ করেছেন আপ, ডিএমকে, শিবসেনা সহ বিভিন্ন দলের সাথে। আলাদা করে কথা বলেছেন কংগ্রেসের সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীর সাথেও। কিন্তু এমন এক পরিস্থিতিতে আপ-এর এই সিদ্ধান্ত বিরোধী জোটে কতটা প্রভাব ফেলবে সেটাই দেখার।

গতকালই রাজ্যসভায় ডেপুটি চেয়ারম্যান নির্বাচনে ভোটদানে বিরত ছিল আপ। আর এরপরই এককভাবে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল আপ। স্বাভাবিক ভাবেই আপের এই আকস্মিক সরে দাঁড়ানোর ঘোষণায় প্রবল চাপে রাহুল-মমতা-শরদ পাওয়ার সহ মোদি বিরোধী মঞ্চের নেতারা।