প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় জঙ্গি সংগঠনে জড়িত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান!

জঙ্গি সংগঠনে জড়িত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান!

83
জঙ্গি সংগঠনে জড়িত সেনা কর্মকর্তা হাসিনুর রহমান!

সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানকে নিজ বাসার সামনে থেকে তুলে নেয়ার অভিযোগ করেছে তার পরিবার।

জানানো হয় বুধবার (৮ আগস্ট) রাতে তুলে নেয়া হয় বরখাস্ত হওয়া সাবেক এই কর্মকর্তাকে। ঘটনার পর এ বিষয়ে হাসিনুর রহমানের নিজস্ব ফেসবুক ওয়ালে একটি স্ট্যাটাস দেখা যায়। যেখানে তাকে তুলে নেয়ার অভিযোগটি উল্লেখ ছিল।

সেনাবাহিনীতে শৃঙ্খলাবিরোধী কাজে জড়িত থাকার দায়ে লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমানকে চার বছর তিন মাসের কারাদণ্ড দিয়েছিলেন সামরিক আদালত। এ সময় ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে রাখা হয়েছিল তাকে।

এছাড়া হাসিনুর রহমান হরকাতুল জিহাদের নেতা মাওলানা ইয়াহিয়ার সঙ্গে গোপনে যোগাযোগ রক্ষা করা, হিযবুত তাহ্রীরের তিন সদস্যের সঙ্গে দেখা করা, চট্টগ্রামে একজন গুলিবিদ্ধ ব্যক্তির ব্যাপারে টেলিফোনে বিদেশি এক ব্যক্তির সঙ্গে ফোনালাপ করা, পার্বত্য চুক্তিবিরোধী একটি গোষ্ঠীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, সেনা অভিযানের খবর ফাঁস করে দেওয়াসহ বিভিন্ন অভিযোগেও অভিযুক্ত ছিলেন।

সাড়ে চার বছর কারাদণ্ড ভোগ শেষে হাসিনুর রহমান দেশেই ছিলেন। তবে, সাম্প্রতিক সময়ের সব রকমের আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে বিভিন্ন সময় ফেসবুকে নানা রকম উস্কানিমূলক পোস্ট দেন তিনি।

হাসিনুর রহমান ময়মনসিংহে অবস্থিত আর্মি রিসার্চ ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ডে (আর্ট ডক) কর্মরত ছিলেন। তিনি বাংলাদেশ মিলিটারি একাডেমিতে (বিএমএ) ১০তম দীর্ঘমেয়াদি কোর্সের (লং কোর্স) মাধ্যমে সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। হাসিনুর রহমান দীর্ঘদিন র‌্যাব-৯ এর অধিনায়ক ছিলেন। এসময় তার সঙ্গে কর্মরত ছিলেন আবদুল্লাহ আলী যায়ীদ। নিষিদ্ধ ঘোষিত হিযবুত তাহ্রীসহ উগ্রপন্থী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত সন্দেহে হাসিনুর রহমান এবং যায়ীদকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।

ফেসবুকে স্ট্যাটাস, ঢাবি ছাত্রকে পুলিশে সোপর্দ

ফেসবুকে সরকার, আওয়ামী লীগ ও বঙ্গবন্ধু পরিবারকে নিয়ে বিভিন্ন কটূক্তি মূলক স্ট্যাটাস দেয়ার অভিযোগে এক ছাত্রকে পুলিশে সোপর্দ করেছে ছাত্রলীগ। বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা ভবনের সামনে ওই ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর রাফসান আহমেদ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের ২৪তম ব্যাচের (আইইআর) প্রথম বর্ষের ছাত্র।

এ বিষয়ে, শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি বলেন, ‘ওই ছাত্রের এ ধরনের স্ট্যাটাস দেখে তাকে জিজ্ঞাসা করা হয়, সে কেন এ ধরনের স্ট্যাটাস দিচ্ছে। তখন সে বলে, ছাত্রলীগ আওয়ামী লীগের ওপর আমার অনেক ক্ষোভ আছে। এরপর প্রক্টর স্যারকে বিষয়টি জানালে সে তার অফিসে নিয়ে যেতে বলে। আমরা তখন তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যাই।’

আইইআর ছাত্রলীগের সভাপতি এম আর মুকুল ইসলাম এ বিষয়ে জানান, ওই শিক্ষার্থী ফেসবুকের এক স্ট্যাটাসে লেখেন- ‘৭৫ এর ১৫ আগস্টের প্রয়োজন আবার। নইলে যে আজীবন খেসারত দেবে এই জাতি। হায়েনায় ছেয়ে গেছে প্রিয় মাতৃভূমি’।

অন্য আরেক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘ভাই আমার খুব ইচ্ছা এই ছাত্রলীগের বংশ নির্মূল করব, পাশাপাশি আওয়ামী লীগও। তাহলে আর অশান্তি থাকবে না।’

শেখ কামালের জন্মদিনে তিনি ফেসবুকের এক কমেন্টে লেখেন, ‘ব্যাংক ডাকাতের জন্মদিন।’

ঘটনার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রাব্বানী বলেন, আইসিটি আইনে ওই শিক্ষার্থীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য শাহবাগ থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।