প্রচ্ছদ বাংলাদেশ জাতীয় মিথ্যাচার ও গুজব রটনার কারখানা বিএনপি-জামায়াত: ইনু

মিথ্যাচার ও গুজব রটনার কারখানা বিএনপি-জামায়াত: ইনু

20
মিথ্যাচার ও গুজব রটনার কারখানা বিএনপি-জামায়াত: ইনু

তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেছেন, মিথ্যাচার ও গুজব রটনার কারখানা হচ্ছেপাকিস্তান, রাজাকার, জামায়াত, শিবির, বিএনপি আর জঙ্গি সংগঠনগুলো।

বৃহস্পতিবার (৯ আগস্ট) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে মুক্তিযোদ্ধা সাংবাদিক কমান্ড আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, তারা (বিএনপি) মুক্তিযুদ্ধের বিজয়কে ঠেকাতে পারেনি। বঙ্গবন্ধুকেও খাটো করতে পারেনি। আর শেখ হাসিনার বিস্ময়কর অগ্রযাত্রাকেও বন্ধ করতে পারবে না। আসুন এভাবেই আমরা জাতির পিতাকে শ্রদ্ধা জানাই। ছাত্র আন্দোলনের কাঁধে চড়ে যারা ঘোলা পানিতে মাছ শিকার করতে চেয়েছিল, তারা ওই ঘোলা পানিতে ডুবে মরবে। মিথ্যাচার গুজব রটনাকারীদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার কঠোরভাবে ধংস করে দেবে।

তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তারা সংবাদমাধ্যমে বলেছেন কোনো ছাত্র মারা যায়নি, নারী লাঞ্ছিত হয়নি। আপনারা বলেছেন, কোমলমতি শিশুদের ওপরে সরকার কোনো আক্রমণ করেনি। কোমলমতি শিশুদের আন্দোলনের কাঁধে চড়ে চক্রান্তকারীরা এটাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্যে যেখানেই দাঙ্গা-হাঙ্গামা করার চেষ্টা করেছে সেখানেই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়েছে। সুতরাং আপনারা গণমাধ্যমের কর্মীরা মিথ্যাচার, গুজব রটনার বিরুদ্ধে শক্তভাবে দাঁড়াচ্ছেন, গণতন্ত্রের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন বলেই আমরা সামনের দিকে যেতে পেরেছি।

তিনি বলেন, ২০১৪ সালের নির্বাচনের আগে তেঁতুল হুজুর তথা হেফাজতিদের মহাকাণ্ড এবং দুষ্কর্মের সময় কেউ বিশ্বাস করতে পারেনি যে সরকার থাকবে, কিন্তু শেখ হাসিনা টিকে গেছেন। ১৪ সালের ভোটের এক বছরের মাথায় ৯৩ দিনের আগুন সন্ত্রাসে সরাসরি নেতৃত্ব দেন (বিএনপি চেয়ারপারসন) খালেদা জিয়া। তখন কী অবস্থা হয়েছিল আপনারা জানেন। এই দুই দিনের ছাত্র আন্দোলনে একটু পরিবহনের এদিক -ওদিক হয়েছে। তাতেই আপনারা হাসফাঁস করছেন। ৯৩ দিন দেশে গাড়ি চলেনি। আন্তঃজেলা গাড়ি চলেনি, ট্রেন জ্বলেছে, ট্রেন লাইন পড়ে গেছে, এই অবস্থায় সবাই মনে করেছিল শেখ হাসিনা থাকছেন না, কিন্তু শেখ হাসিনা টিকে গেছেন। সুতরাং চক্রান্ত করলেই যে সরকার উৎখাত হয়ে যাবে সেটা ভাবার সুযোগ নেই।

রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস কমনওয়েলথ মহাসচিবের

কমনওয়েলথ মহাসচিবের সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, আমরা দুইজনই একমত হয়েছি, কমনওয়েলথের ৫৩টা দেশ একসাথে কথা বললে পৃথিবীতে আমরা একটা শক্ত অবস্থান নিতে পারবো। সেটা নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। আমাদের বিচার বিভাগ নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি। উনি আমাদের দেশের বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং বিচার বিভাগের কর্মকাণ্ডে অত্যন্ত সন্তুষ্ট। এছাড়া সাম্প্রতিক ঘটনা নিয়েও আলাপ-আলোচনা করেছি। আইনের বিস্তার লাভ, ডিজিটাইজেসহ সবকিছু নিয়ে আলাপ-আলোচনা করেছি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে কমনওয়েলথ মহাসচিব প্রেট্টিকা স্কটল্যান্ডের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানান।

সচিবালয়ে আইন মন্ত্রণালয়ে দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে দেড়টা পর্যন্ত এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে রোহিঙ্গা ইস্যুতে বাংলাদেশের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন কমনওয়েলথ মহাসচিব।

আইনমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় রোহিঙ্গা বিষয়ে কমনওয়েলথের ভূমিকা সম্পর্কে মহাসচিবের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বাংলাদেশ নির্যাতিত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়েছে, তাদের থাকার ব্যবস্থা করেছে এজন্য ধন্যবাদ জানাই। এই ইস্যুতে কমনওয়েলথ বাংলাদেশের পাশে থাকবে। কমনওয়েলথ মহাসচিব আরও বলেন, বৈঠকে বাংলাদেশের নারী-শিশুর উন্নয়ন, যুব উন্নয়ন নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ক্রিকেট একটি জনপ্রিয় খেলা। কমনওয়েলথ দেশগুলোর মধ্যে ক্রিকেটীয় সম্পর্ক গড়ে উঠতে পারে।