প্রচ্ছদ আইন-আদালত ড. কামালের বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা

ড. কামালের বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা

203
ড. কামালের বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনে উসকানি দেওয়া ও রাষ্ট্রের প্রতি ঘৃণা-বিদ্বেষ ছড়ানোর অভিযোগে গণফরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেনের বিরুদ্ধে তদন্ত করছেন গোয়েন্দারা।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে, গত ছয় মাস ধরে ড. কামাল বাংলাদেশ বিরোধী তৎপরতার সঙ্গে জড়িত এমন অভিযোগ পাওয়া গেছে। যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দূতাবাস জানতে পেরেছে, যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে এবং দেশটির বিভিন্ন সংগঠনের কাছে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন ড. কামাল।

সাম্প্রতিক সময়ে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ৬ আগস্ট সোমবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক প্রতিবাদ ও সংহতি সমাবেশে ড. কামাল হোসেন কিছু আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এই মন্তব্যগুলো শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করতে উসকানি দিয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। গোয়েন্দারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন।

সম্প্রতি আলোকচিত্রী শহীদুল আলমকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শহীদুল আলম মধ্যপ্রাচ্য ভিত্তিক গণমাধ্যম আল জাজিরায় বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিষোদগার করেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ছাত্র আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেন।

গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, আল-জাজিরায় শহীদুল আলম যে ধরনের আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন, ঠিক একই রকম বক্তব্য ৬ আগস্ট ড. কামাল হোসেন দিয়েছেন। ড. কামাল বিভিন্ন রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে গোপন বৈঠক ও পরামর্শ করছেন এবং সরকার ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিষোদগার করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগ এখন গোয়েন্দারা তদন্ত করে দেখছেন।

প্রাথমিক তদন্তে যদি প্রমানিত হয় ড. কামাল হোসেন রাষ্ট্রবিরোধী তৎপরতায় জড়িত তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সুপারিশ করা হবে।

নাশকতার মামলায় খালেদার জামিন স্থগিতে আদেশ রোববার

কুমিল্লার নাশকতার অভিযোগে বিশেষ ক্ষমতা আইনে করা মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থাগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের ওপর শুনানি শেষ হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন চার সদস্যের বেঞ্চ এ শুনানি গ্রহণ শেষে আগামী রোববার আদেশের জন্য দিন ধার্য করেছেন।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনালের মাহবুবে আলম। অন্যদিকে খালেদা জিয়ার পক্ষে ছিলেন এজে মোহম্মদ আলী।

এর আগে গত ৬ আগস্ট এ মামলায় খালেদা জিয়ার ছয় মাসের জামিন দেন হাইকোর্ট। এর পর দিন গত ৭ আগস্ট এ জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এ মামলায় গত ১ জুলাই খালেদা জিয়াকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে তার জামিন আবেদনের শুনানির জন্য ৮ আগস্ট দিন ধার্য করেন কুমিল্লার একটি আদালত। এর পর খালেদা জিয়া হাইকোর্টে এ মামলায় জামিন চেয়ে আবেদন করেন।