প্রচ্ছদ রান্না-বান্না যেভাবে তৈরি করবেন ‘জাফরান দুধ’, জাফরান দুধের উপকারিতা

যেভাবে তৈরি করবেন ‘জাফরান দুধ’, জাফরান দুধের উপকারিতা

120
যেভাবে তৈরি করবেন ‘জাফরান দুধ’, জাফরান দুধের উপকারিতা

জাফরানে আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাঙ্গানিজ, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, আয়রন, ভিটামিন সি সহ প্রায় ১৫০টি উপাদান যা সহজেই শরীরের উপকারে আসে।

এই দারুণ জাফরান দুধের সাথে মেশানো হলে তা হজমশক্তিকে উন্নত করে, ত্বকের রঙ ফর্সা করে, ত্বক উজ্জ্বল ও কোমল করে, চুলকে করে তোলে ঝলমলে, ত্বকে বয়সের ছাপ প্রতিরোধ করে।

তবে হ্যাঁ, জাফরান কেবল খেলে বা পান করলেই হবে না, সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে জাফরান পান করার আছে কিছু বিশেষ নিয়ম। এই নিয়ম মেনে পান করলে আপনি পাবেন জাফরানের সবটুকু উপকারিতা।

যা লাগবে: *গরুর দুধ ১ কাপ (গুঁড়ো দুধ নয়)। *জাফরান দানা ১ চিমটি (আসল ইরানি জাফরান)। *১ চামচ কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস (না দিলেও হবে)। *১ চা চামচ অরগানিক মধু

প্রণালী: ১. চুলায় আগে থেকে ফুটিয়ে রাখা দুধ দিন। বেশি ঘন দুধ নেবেন না। ২. দুধের মাঝে জাফরান দিয়ে দিন। ২ মিনিট ফুটিয়ে চুলো বন্ধ করে দিন। এর মাসে কিসমিস বাটা বা আস্ত কিসমিস দিয়ে দিন। কিসমিস মস্তিষ্ক ও ত্বকের জন্য খুব ভালো।৩.কিসমিস দিয়ে চুলোর ওপরেই দুধে ঢাকনা দিয়ে রাখুন ৫ মিনিট। ৪. কুসুম কুসুম গরম হলে কাঁচের বা সিরামিকের কাপে ঢেলে নিন। মধু মিশিয়ে চায়ের মত পান করুন।

টিপস: ১.জাফরান দেখে শুনে ক্রয় করুন। অল্প দাম খুঁজতে গিয়ে ভেজাল কিনবেন না। ২.দুধ ঠাণ্ডা হবার আগেই পান করুন।৩. প্রচুর পানি পান করুন। ৪.ডায়াবেটিসের রোগী হলে কিসমিস ও মধু বাদ দিতে পারেন। তবে সেক্ষেত্রে লবণ বা এমন কিছু যোগ করবেন না।

জেনে নিন নষ্ট ডিম চেনার উপায়

সবার কাছে অতি পরিচিত খাদ্য ডিম। এটি পরিপূর্ণ পুষ্টিকর খাবার, যা শরীরের নানা উপকার ও স্বাস্থ্যের জন্য অতি উত্তম। ডিমের সকল অংশই খাদ্যপযোগী, যদিও খোসা সাধারণত বাদ দেয়া হয়। পুষ্টিগতভাবে ডিম প্রোটিন ও কোলিনের উৎকৃষ্ট উৎস।

গরমের সময়ে বাজারের নষ্ট ডিমের প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। অনেক বাজার থেকে ডিম কিনে বাসায় যাওয়ার পর বিপাকে পড়ে যান। অনেক সময় দেখা যায় ডিম নষ্ট বের হয়। কারণ খোসার ভেতরে ডিমের কুসুম এ সাদা অংশ খালি চোখে দেখা যায় না। তাই ডিম নষ্ট বাছাই করা খুব কষ্টসাধ্য ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়।

ডিম দিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের খাবার তৈরি করে থাকি। ডিম ভাজি, পুডিং, কেকসহ বিভিন্ন খাবার। তাই ডিম যদি নষ্ট হয় তবে আপনার পুরো আয়োজনটাই যাবে মাটি হয়ে।

ডিম নষ্ট কি না তা বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। তবে কিছু পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি বুঝতে পারবেন ডিমটি নষ্ট না ভালো। আসুন জেনে নেই কিভাবে বুঝবেন নষ্ট ডিম:

পানি দিয়ে পরীক্ষা: ডিম কিনে আনার পর কিছুক্ষণ পানির মধ্যে ডুবিয়ে রাখুন। ভালো ডিমগুলো কিছুক্ষণের মধ্যেই পানিতে ডুবে যাবে। আর নষ্ট ডিম ভেসে থাকবে।

ডিম সেদ্ধ: ডিম সেদ্ধ হওয়ার পর ডিমের সাদা অংশ যদি ঘোলাটে এবং দুর্গন্ধযুক্ত হয়, তবে অনায়াসেই বলে দেওয়া যায় ডিমটি নষ্ট।

আলো: নষ্ট ডিম পরীক্ষা করার জন্য আলো ডিমের ওপরে ধরুন। ডিমের ভিতর রিং-এর মতো আকার দেখতে পান। তবে বুঝতে হবে ডিমটিতে পচন শুরু হয়েছে।

ডিমের কুসুমটি ছড়িয়ে গেলে: ডিমটিকে একটি সমান প্লেটের ওপর ফাটান। যদি দেখেন কুসুমটি একই জায়গায় রয়েছে। তবে বুঝবেন ডিমটি ভালো রয়েছে। আর ডিমের কুসুমটি ছড়িয়ে গেলে বুঝতে হবে ডিমটি নষ্ট।