প্রচ্ছদ কৃষি, প্রাণী ও পরিবেশ সন্ধ্যার সময় মশার ঝাঁক কেন মানুষের মাথার ওপর ঘোরে

সন্ধ্যার সময় মশার ঝাঁক কেন মানুষের মাথার ওপর ঘোরে

75
সন্ধ্যার সময় মশার ঝাঁক কেন মানুষের মাথার ওপর ঘোরে

মশা নিয়ে যন্ত্রণার শেষ নেই। শহরে কি গ্রামে সবখানেই মশার দাপট। সারাদিন দেখা না পেলেও বিশেষ করে সন্ধ্যার সময় মশার মিছিল অহরহ চোখে পড়ে।

অ্যারোসল, কয়েল, ধুপ দিয়েও মশা তাড়ানো যায় না। রাজধানীর বাসিন্দাদের অভিযোগের অন্ত নেই। মশা তাড়াতে মরিয়া হয়ে ওঠে সিটি করপোরেশন।

বিকেল শেষে যখন সন্ধ্যা আসে; তখন পথ চলতে গেলে হঠাৎই মাথার ওপরে বনবন করে ঘুরতে থাকে মশার ঝাঁক। এমন দৃশ্য আমাদের চির চেনা। মশার এমন উৎপাতে সবাই নাজেহাল হয়। যে কোনো সময় হঠাৎই হাজির হয় মশা। তারপর কামড়ে কামড়ে অস্থির করে তোলে সবাইকে।

মশার কামড়ের চেয়ে মাথার ওপরে এই ঘুরপাক খাওয়াও অস্বস্তির ব্যাপার। বিরক্তিকর পরিবেশের সৃষ্টি করে মশার ঝাঁক। কোথাও দাঁড়িয়ে বা বসে কারো সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কথা বলছেন, সে সময়ও মশার এ ঘোরাঘুরি লক্ষ্য করা যায়। স্থান পরিবর্তন করে দাঁড়ালেও ঘুরেফিরে আবার মাথার ওপর চলে আসে।

কিন্তু মশা কেন এভাবে মাথার উপরে ঘুরতে থাকে? এমন প্রশ্ন মনে আসাও অবান্তর নয়। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, মানুষের নিঃশ্বাস থেকে নির্গত কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাসের গন্ধ পেয়েই মশা এসে পৌঁছায় মানুষের কাছে। আসলে মশা ওই গন্ধেই সন্ধান পায় মানুষের। আসুক না হয়, কিন্তু মাথার কাছেই কেন ঘুরপাক খেতে হবে?

মূলত চারপাশের এলোমেলো বাতাসে মশা চলতে পারে না। তাই বাধ্য হয়েই মাথার ওপরে জড়ো হয়। তবে সারাদিন দেখা না মিললেও সন্ধ্যার সময় কেন দেখা যায়? এরও একটি কারণ খুঁজে পাওয়া গেছে ওই প্রতিবেদনে। কারণ হচ্ছে- মশা দিনের আলোয় প্রকাশ্যে আসতে পছন্দ করে না। ফলে সন্ধ্যা হলেই মশা বের হয়ে পড়ে।

কুকুরে তাড়া করলে কী করবেন?

সন্ধ্যার সময় মশার ঝাঁক কেন মানুষের মাথার ওপর ঘোরে

রাস্তায় চলতে গেলে কখনো কখনো কুকুরে তাড়া করে। গভীর রাতে বা খুব ভোরে ফাঁকা রাস্তায়ও কুকুরের মুখোমুখি হতে পারেন। তখন কী করবেন? অনেকেই হিতাহিত জ্ঞানশূন্য হয়ে পড়েন। তাদের জন্য আজ থাকছে কুকুর থেকে বাঁচার সহজ কিছু পথ—

১. ভয় পাবেন না। যথাসম্ভব নির্বিকার থাকুন। তাহলে কুকুরটিও আপনার প্রতি আগ্রহ হারাবে। ২. দৌড়োনোর চেষ্টা করবেন না। তাতে কুকুরটিও উত্তেজিত হবে। ৩. হাঁটার গতি কমিয়ে দিন। প্রয়োজনে একেবারে থেমে যান। কুকুরটি শান্ত হলে ধীরে ধীরে যান।

৪. কুকুরের দিকে পাশ ফিরে দাঁড়ান। তাতে কুকুরটির মনে আপনাকে নিয়ে ভয় তৈরি হবে কম। ৫. কুকুরটির সঙ্গে সরাসরি চোখাচোখি করবেন না। না হলে কুকুরটি আরো হিংস্র হয়ে উঠতে পারে। ৬. দু’হাত বুকের কাছে মুড়ে রাখুন। ৭. হাতে কিছু থাকলে অন্যদিকে ছুড়ে দিন। কুকুরটি সেদিকে ছুটবে।

৮. হাতে কিছু না থাকলে মাটি থেকে মিছামিছি কিছু কুড়ানোর ভঙ্গি করে অন্যদিকে ছুড়ে দিন। ৯. স্পষ্টভাবে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে কুকুরটিকে বলুন, ‘যা’ কিংবা ‘না’। ১০. আপনি যথাযথ আচরণ করলে সচরাচর কুকুরের কাছ থেকে ভয়ের কিছু নেই।