প্রচ্ছদ শিক্ষাঙ্গন কোটা আন্দোলনের নেত্রী মরিয়মের ফোন সেক্স ফাঁস

কোটা আন্দোলনের নেত্রী মরিয়মের ফোন সেক্স ফাঁস

410
কোটা আন্দোলনের নেত্রী মরিয়মের ফোন সেক্স ফাঁস

ইতিপূর্বে রিপোর্টে প্রকাশত হয়েছে কোটা আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা কি করে এবং কিভাবে প্রতারণা করে ছাত্র

ও ব্যবসায়ীদের আন্দোলনে আসার জন্য বা বিনিয়োগ করার জন্য ব্ল্যাক মেইল করে।

ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে যখন গায়ে হাত তোলার মিথ্যা অভিযোগ তোলা হয় তখনো আমরা তাদের হাতের কি অবস্থা এই মর্মে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলাম!

বিগত কয়দিন আগে কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনের সময় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় একটি ঘটনা নিয়ে আলোচনায় আসা কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেত্রী মরিয়ম মান্নানের অশ্লীল দুটি কল রেকর্ড ফাঁস হয়েছে। কল রেকর্ডগুলো ইতমধ্য ছড়িয়ে পড়েছে পুরো সোশ্যাল মিডিয়ায়।

প্রথম কল রেকর্ডটি মরিয়মের সাথে তার প্রথম বয়ফ্রেন্ড আব্দুল আওয়ালের। ২ মিনিট ৫ সেকেন্ডের এই রেকর্ডের পুরোটাই অশ্লীল কথাবার্তায় ভরা।

দ্বিতীয় কল রেকর্ডটি মরিয়মের সাথে তার ৩ নাম্বার বয়ফ্রেন্ড সাকিবুল ইসলামের। এই কল রেকর্ডেরও পুরোটা অশ্লীলতায় ভরা।

তৃতীয় কল রেকর্ডটি মরিয়মের সাথে তার স্বামী জাহিদের। এই রেকর্ডটিতে মরিয়মের ড্রেস আপসহ নানারকম বেলাল্লপনা নিয়ে অভিযোগ করতে শোনা যায় জাহিদকে। এ সময় মরিয়ম জাহিদকে বলে, আমি যে উলঙ্গ ঘুরি না সেটাই বেশি।

উত্তেজিত হয়ে এক পর্যায়ে মরিয়ম তার স্বামীকে বেয়াদব, জানোয়ার বলে অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি করে ফোন রেখে দেয়।

মরিয়মের স্বামী জাহিদের সাথে এ ব্যাপারে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ওর মত মেয়ে নিয়ে সংসার করা অসম্ভব। দীর্ঘদিন যাবত তার এসব বেহায়াপনা-বেলাল্লাপনা সহ্য করে আসছি। তাকে আমি শীঘ্রই ডিভোর্স দিবো। অন্যদিকে মরিয়মের সাথে যোগাযোগ করা হলে সে উত্তেজিত হয়ে ফোন কেটে দেয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলন: এ পর্যন্ত যা যা হলো

রকারি চাকরিতে কোটা ব্যবস্থা সংস্কারের দাবিতে রবিবার (৮ এপ্রিল) থেকে উত্তপ্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাস ও আশপাশের এলাকা। সারাদিন গড়িয়ে আন্দোলন চলে শেষ রাত পর্যন্ত। পুলিশের ধাওয়ায় অবশেষে আন্দোলনকারীরা ক্যাম্পাসের ভেতর তাদের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য হয়। সোমবার (৯ এপ্রিল) সকালে ছাত্রলীগ কোটা সংস্কার আন্দোলনের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে মিছিল করে। সব মিলিয়ে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে পুরো ঢাবি এলাকায়।

পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, রবিবার দুপুর ২টায় ঢাবি কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে থেকে শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীদের পদযাত্রা শুরু হয়। পরে রাজু ভাস্কর্য হয়ে নীলক্ষেত ও কাঁটাবন ঘুরে পদযাত্রাটি শাহবাগ মোড়ে আসে। বিকাল ৩টা থেকে সেখানেই অবস্থান নেন আন্দোলনকারীরা। এ সময় শাহবাগের আশপাশের সড়ক দিয়ে গাড়ি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। রাত পৌনে ৮টার দিকে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেয় পুলিশ। এ সময় কয়েকজনকে আটকও করা হয়। এরপরই পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এ সময় পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পুলিশের অ্যাকশনের পর শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রার্থীরা অবস্থান নেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও টিএসসি এলাকায়। পরে রাত ১টার দিকে তারা ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আক্তারুজ্জামানের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন। তারা উপাচার্যের বাসভবনের গেট ভেঙে ভেতরে ঢুকে পড়েন। তারা ব্যাপক ভাঙচুর চালান এবং ভেতরে থাকা গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। আশপাশের কয়েকটি মোটরসাইকেলেও তারা আগুন দেন। রাত আড়াইটা পর্যন্ত এই অবস্থা চলে।

এদিকে, ঢাবির চারুকলা অনুষদেও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়েছে। সেখানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে মঙ্গল শোভাযাত্রার জন্য আনা দেড়শ বাঁশ এবং অসংখ্য কাঠের টুকরো আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে আন্দোলনকারীরা। চারুকলা অনুষদের নিরাপত্তারক্ষী মো. আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাত ১০টার দিকে চারুকলার দুটি গেট ভেঙে আন্দোলনকারীরা ভেতরে প্রবেশ করে। তারা ভেতরে ঢুকে বাঁশ ও কাঠ নিয়ে আগুনে পুড়িয়ে দেয়।’ চারুকলা ইনস্টিটিউশনের স্নাতকোত্তর শ্রেণির শিক্ষার্থী সুফিয়ান বলেন, চারুকলার গেট দুই-তিনবার ভাঙা হয়েছে।

দোয়েল চত্বর, শহীদুল্লাহ হলের সামনেও সহিংস পরিস্থিতির তৈরি হয়। বাংলা একাডিমের কাছে দুটি মোটরসাইকেলে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে পুলিশ আন্দোলনকারীদের ধাওয়া করে হলে ঢুকতে বাধ্য করে। রাতেও টিয়ারশেল ও গুলি চালায় পুলিশ।
আন্দোলনকারীদের ওপর পুলিশের অ্যাকশন

এদিকে পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রে জানা যায়, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনারসহ ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তারা রবিবার গভীর রাত পর্যন্ত শাহবাগ থানায় ছিলেন। সোমবার ভোরের দিকে তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন। তবে সোমবার পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ঢাবি ক্যাম্পাসে ব্যাপক পুলিশ মোতায়েন করা আছে। শাহবাগ, টিএসসি, বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা, ভিসির বাংলোসহ পুরো ক্যাম্পাসেই সতর্ক অবস্থানে রয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

কোটা সংস্কার নিয়ে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। আজ সোমবার (৯ এপ্রিল) সকাল ১১টায় আন্দোলনকারীদের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের নেতৃত্বে সরকারের প্রতিনিধিরা। আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক জাহঙ্গীর কবির নানক রবিবার (৮ এপ্রিল) রাত দেড়টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে গিয়ে আন্দোলনকারীদের এ বৈঠকের প্রস্তাব দেন।

নানক বলেন, ‘দীর্ঘ সময় ধরে চলে আসা কোটা ব্যবস্থা নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। কিন্তু আমরা সরকারের পক্ষ থেকে বলতে চাই, এই পরিস্থিতি আমাদের কাম্য নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি অবগত রয়েছেন। তিনি শিক্ষার্থী নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টি সমাধান করার নির্দেশ দিয়েছেন।’

এদিকে সোমবার সকালে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রলীগ। সোমবার ভোর ৬টার দিকে শাহবাগ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি কার্জন হলের দিকে যায়। মিছিলে থাকা ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হাতে লাঠি, রডসহ বিভিন্ন দেশীয় অস্ত্র দেখা গেছে।

ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইনসহ প্রায় তিনশ নেতাকর্মী ছিলেন মিছিলে। ভোর ৬টার দিকে ছাত্রলীগের মিছিলটি শহীদুল্লাহ হলের সামনে পৌঁছালে সেখানে অবস্থানরত আন্দোলনকারীদের সঙ্গে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আবারও থেমে থেমে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে।

ভিডিও:

কোটা আন্দোলনের নেত্রী মরিয়মের ফোন সেক্স ফাঁস

ইতিপূর্বে রিপোর্টে প্রকাশত হয়েছে কোটা আন্দোলনের সাথে যুক্ত ছাত্রী সংস্থার সদস্যরা কি করে এবং কিভাবে প্রতারণা করে ছাত্র ও ব্যবসায়ীদের আন্দোলনে আসার জন্য বা বিনিয়োগ করার জন্য ব্ল্যাক মেইল করে।

Posted by সম্পাদক.কম on Saturday, July 14, 2018