প্রচ্ছদ স্বাস্থ্য যৌন আসক্তি আসলে মানসিক রোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

যৌন আসক্তি আসলে মানসিক রোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

319
যৌন আসক্তি আসলে মানসিক রোগ: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

যৌনতায় মজে থাকা বা দিনরাত যৌনতা নিয়ে চিন্তাভাবনা করা এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা৷

আর এই প্রথমবার যৌন আসক্তিকে মানসিক অসুস্থতা বলে চিহ্নিত করে ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)৷ শুধু যৌন আসক্তি নয়, বিভিন্ন গেমে আসক্তি থাকাকেও মানসিক অসুস্থতা বলে মেনে নিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা৷ কয়েক সপ্তাহ আগে একটি অসুখের একটি তালিকা প্রকাশ করে ডব্লিউএইচও৷

সেই তালিকায় গেম ও যৌন আসক্তিকে মানসিক অসুস্থতার তকমা দেয় ডব্লিউএইচও৷ লন্ডনের এক বিশিষ্ট মনোবিজ্ঞানীর মতে, দেশের জনসংখ্যার ২-৪ শতাংশ মানুষ যৌনতায় আসক্ত৷ তবে এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে৷

তার মতে, এই স্বভাবটা অনেক মানুষ লুকিয়ে রাখে৷ কারণ তারা যৌনতা নিয়ে কথা বলতে লজ্জিত বোধ করেন৷ তাই তাদের মনের ভাব প্রকাশ পায় না৷ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এই ঘোষণাকে স্বাগত জানিয়েছেন মনোবিদদের একটা বড় অংশ৷

তাদের মতে, এবার তাদের বোধদয় হবে যে যৌনতার বিষয়ে তারা মানসিকভাবে অসুস্থ৷ তাদের মধ্যে কিছু সমস্যা রয়েছে৷ সঠিক সময়ে কাউন্সেলিং শুরু করালে তারা এই সমস্যা কাটিয়ে উঠতে পারবেন৷

কীভাবে বোঝা যাবে যৌন আসক্তিতে ভুগছেন কীনা?

উত্তরে ডা: বুথ নামে এক মনোবিদ জানিয়েছেন, তাদের জীবনের ‘সেন্ট্রাল ফোকাস’ হচ্ছে সেক্স৷ তার জেরে অন্যান্য সব কিছুকে অবজ্ঞা করা শুরু করে৷ যা থেকে পরবর্তীকালে মানসিক হতাশা আসতে পারে৷

আরও এক মনোবিদ জানিয়েছেন, অস্বাভাবিক যৌনতার কারণে অনেক স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ফাটল তৈরি হয়৷ তাই তারা এবার বুঝবেন এটা একটা মনোরোগ৷ কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে এই রোগ থেকে মুক্তি লাভ সম্ভব৷

সাইনোসাইটিসের কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার ঘরোয়া উপায়

সাইনোসাইটিসের (সাইনাসের সমস্যা) সমস্যা অনেকেরই আছে। সারাক্ষণ মাথায় অস্বস্তি, নাকের মাঝে ভারি লাগা, কপালে অস্বস্তিসহ নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা সৃষ্টি করে সাইনোসাইটিস।

মুখের হাড়ের ভিতরে চার জোড়া ফাঁপা বায়ুপূর্ন জায়গা আছে যেগুলিকে সাইনাস বলা হয়। কোনও কারণে যদি সাইনাসের ভেতরের ঝিল্লির মধ্যে প্রদাহ (জ্বালা) হয় তখন তাকে সাইনোসাইটিস বলে। এবার জেনে নেওয়া যাক সাইনোসাইটিসের কষ্ট থেকে মুক্তি পাওয়ার কয়েকটি ঘরোয়া উপায়-

১) সাইনোসাইটিসের সমস্যা হলে প্রচুর পানি পান করুন। প্রচুর পরিমাণে পানি খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে। শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে গেলে সেটা ধীরে ধীরে বের হয়ে যায় নিজে থেকেই। তাই সাইনোসাইটিসের সমস্যা দেখা গেলে সারাদিন প্রচুর পানি পান করতে থাকুন।

২) একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, রসুনের মধ্যে রয়েছে একাধিক রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা। এক কথায় এটি একটি শক্তিশালী অ্যান্টিবায়োটিক। তাই প্রতিদিন অন্তত এক কোয়া রসুন খেলে ভাইরাল ও ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণজনিত সমস্যা বা সাইনোসাইটিস অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

৩) সাইনোসাইটিস সমস্যায় গরম পানির ভাপ বা সেঁক (Vapour) নেওয়া একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি। গরম পানির ভাপ নিলে নাসিকা-পথ ভেজা থাকবে এবং সহজেই শ্লেষ্মা বের হয়ে আসবে। তাই গরম পানিতে লবণ মিশিয়ে নিয়ে দিনে দু বার করে ভাপ (Vapour) নিন।

৪) সাইনোসাইটিসের কারণে যখন নাকে, মাথায় অথবা কপালে অস্বস্তি লাগবে তখন গরম পানিতে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে ভাল করে নিংড়ে নিন। এরপর এই তোয়ালেটা মুখের উপর দিয়ে শুয়ে থাকুন কিছুক্ষণ। এই পদ্ধতিতে তাৎক্ষনিক ভাবে বেশ আরাম পাওয়া যায়।

৫) যখন বাইরে বের হবেন তখন তো আর গরম পানির ভাপ বা সেঁক নেয়া সম্ভব না। তাই বাড়ির বাইরে যতক্ষণ থাকবেন, চেষ্টা করবেন কিছুক্ষণ পর পর চিনি ছাড়া গরম চা, কফি বা স্যুপ খাওয়ার। গরম তরল খাবারগুলো খেলে শ্লেষ্মা পাতলা হয়ে আসে এবং সহজে পরিষ্কার হয়ে যায়।